বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬ ।। ৪ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
আগস্টের ১৮ দিনে রেমিট্যান্স এলো ১৯৬ কোটি ৭০ লাখ ডলার প্রধানমন্ত্রীর কাজে সন্তুষ্টির হার ৬৬.৩%, সরকারের সার্বিক কর্মকাণ্ডে ৫৪.৫% কলকাতায় অগ্নিকাণ্ডে বাংলাদেশিদের মৃত্যুতে খেলাফত মজলিসের শোক ‘মাদরাসা ছাত্রদের ওপর পুলিশি হামলা বিগত ফ্যাসিবাদী আচরণ স্মরণ করিয়ে দেয়’ দারুল আরকামের ছাত্রদের লাঠিচার্জের ঘটনায় ৩ পুলিশ প্রত্যাহার, তদন্ত কমিটি মরুর বুকে সত্যবাদী কিশোর ‘রহমতের ধর্মে তোমাকে স্বাগতম’—রবার্তো কার্লোসকে কাবার ইমামের অভিনন্দন ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৬৭১ গাজায় ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় নিহত ৬ টানা বৃষ্টিতে দারুল উলুম দেওবন্দের ‘বাবুজ জাহির’ ভবন ভাঙার সিদ্ধান্ত

লেবাননে স্থল হামলা শুরু করেছে দখলদার ইসরায়েলি বাহিনী

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

বৈরুতসহ বিভিন্ন স্থানে বিমান হামলা ও হিজবুল্লাহ প্রধান হাসান নাসরাল্লাহকে হত্যার পর এবার লেবাননে স্থল অভিযান শুরু করেছে ইসরায়েল। ইসরায়েলি ট্যাঙ্ক ও গোলন্দাজ বাহিনী ইতোমধ্যেই দক্ষিণ লেবাননে প্রবেশ করেছে বলে ইসরায়েলি মিডিয়া জানিয়েছে। একইসঙ্গে বিমান হামলাও চালাচ্ছে দখলদার দেশটি।

ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, তাদের সৈন্যরা দক্ষিণ লেবাননে হিজবুল্লাহর লক্ষ্যস্থল ও অবকাঠামোর বিরুদ্ধে ‘সীমিত, স্থানীয় ও লক্ষ্যভেদী স্থল হামলা' শুরু করেছে।

তারা জানায়, তারা সীমান্তের কাছে লেবাননি গ্রামগুলোকে টার্গেট করছে। হিজবুল্লাহ এসব অবস্থান থেকে উত্তর ইসরায়েলের ইসরায়েলি কমিউনিটিগুলোর প্রতি হুমকি সৃষ্টি করেছিল।

ইসরায়েলের রাজনৈতিক নেতারা হামলাটি অনুমোদন করেছে। এর আগে আইডিএফের জেনারেল স্টাফ এবং নর্দার্ন কমান্ড এ ব্যাপারে প্রস্তুতি এবং পরিকল্পনা সম্পন্ন করে বলে ইসরায়েলি বাহিনী জানায়। তারা জানায়, স্থল সৈন্যদের বর্তমানে বিমান বাহিনী ও গোলন্দাজ বাহিনী সহায়তা করছে।

‘অপারেশন নর্দার্ন অ্যারোস’ নামে এই হামলাটি গত মাসে শুরু হওয়া অভিযানেরই সম্প্রসারিত রূপ। গত কয়েক দিন ধরে এই হামলাটি আসন্ন বলে মনে হচ্ছিল। বিশেষ করে হিজবুল্লাহ নেতা হাসান নাসরুল্লাহ নিহত হওয়ার পর আন্দোলনটি ইসরায়েলে অব্যাহতভাবে ইসরায়েলের সামরিক অবস্থানে রকেট হামলা চালানোর ফলে উত্তেজনা বাড়ছিল।

ইসরায়লি হামলায় হামাসের এলিট ফোর্স রাদওয়ান ফোর্স বেশ কয়েকজন শীর্ষ কমান্ডারকে হারিয়েছিল। তবে তাদের যোদ্ধারা এখনো সক্রিয় আছে। নাসরুল্লাহ জীবিত থাকার সময় বলেছিলেন যে হিজবুল্লাহর এক লাখের বেশি যোদ্ধা রয়েছে। ফলে কমান্ডাররা নিহত হলেও তাদের সহকারীরা রয়ে গেছেন। যোদ্ধারাও আছেন। আর তাদের অবকাঠামোগুলো এখনো দক্ষিণ লেবাননে সক্রিয় রয়েছে। তারা প্রতিরোধ চালাতে পারবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে তারা কঠিন পরীক্ষার মধ্যে পড়বেন বলে মনে করা হচ্ছে।

ইসরায়েলের স্থল আক্রমণের জন্য হিজবুল্লাহ প্রস্তুত বলে ঘোষণা করেছেন সংগঠনটির উপ-নেতা নাঈম কাসেম। গতকাল সোমবার (৩০ সেপ্টেম্বর) এক অজ্ঞাত স্থান থেকে প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে ভাষণ দিয়ে তিনি এ ঘোষণা দেন।

ইসরায়েলের সর্বশেষ আক্রমণে হিজবুল্লাহ প্রধান হাসান নাসরাল্লাহ নিহত হওয়ার পর এটি ছিল কাসেমের প্রথম বক্তব্য। নাঈম কাসেম বলেন, আমরা যেকোনও পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে প্রস্তুত এবং ইসরায়েল স্থলপথে প্রবেশ করলে আমরা স্থল যুদ্ধে অংশ নিতে প্রস্তুত। তিনি আরও বলেন, ইসরায়েল লক্ষ্য অর্জন করতে পারবে না। আমরা আগেও জয়ী হয়েছি, এবারও জয়ী হবো।

সূত্র: আল জাজিরা।

এনএ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ