|| মুহাম্মাদ আশরাফ ||
আলিয়ার সিলেবাস আমাদের কওমি সিলেবাসের তুলনায় তুলনামূলকভাবে সহজ এবং ফলপ্রসূ। এর অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো— এখানে অধিকাংশ বইই শাস্ত্রীয় আঙ্গিকের; একটি নির্দিষ্ট বইকে কেন্দ্র করে পুরো বিষয়কে আবদ্ধ না রেখে বিষয়ভিত্তিক ও দক্ষতাভিত্তিক পাঠদানের প্রতি গুরুত্ব দেওয়া হয়। ফলে একজন শিক্ষার্থী কোনো একটি কিতাবের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে সংশ্লিষ্ট শাস্ত্রের মৌলিক ধারণা, মূলনীতি, পরিভাষা, প্রয়োগ ও পারস্পরিক সম্পর্ক বিষয়গুলোতে একটি সামগ্রিক ধারণা লাভ করতে পারে।
অবশ্য শুধু সিলেবাস ভালো হলেই কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া সম্ভব নয়। দক্ষতার সঙ্গে পাঠদান করা এবং শিক্ষার্থীদেরও গুরুত্ব ও আন্তরিকতার সঙ্গে অধ্যয়ন করা—এই দুটো বিষয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যথাযথ পদ্ধতিতে পাঠদান করা হলে এবং ছাত্ররা বিষয়গুলো বুঝে, চিন্তা করে ও প্রয়োগের মানসিকতা নিয়ে পড়লে আলিয়া সিলেবাসের মাধ্যমেও দক্ষ ও শাস্ত্রজ্ঞ আলেম তৈরি করা সম্ভব। বাস্তবেও এর কিছু দৃষ্টান্ত রয়েছে। বিভিন্ন ক্ষেত্রে এমন অনেক আলেম তৈরি হয়েছেন, যারা আলিয়া বা জেনারেল ধারার শিক্ষাব্যবস্থা থেকে পড়াশোনা করেও সংশ্লিষ্ট শাস্ত্রে যথেষ্ট দক্ষতা অর্জন করেছেন।