।। মাওলানা আবদুল্লাহ মুআয।।
পূর্ব ভূমিকা ছাড়াই বলছি, একান্ত চিন্তা। আমার মনে হয়, কওমি ধারার আলেমরা বিগত এক দশকে এমন একটি প্রজন্ম গড়ে তুলেছেন, যারা আলিয়া শিক্ষার্থীদের ভালোবাসে—শুধু ব্যক্তি হিসেবে নয়, বরং ইসলামের স্বার্থে। তারা বিশ্বাস করে, দ্বীনি ও দুনিয়াবি শিক্ষা একত্রিত হলেই মুসলিম সমাজ শক্তিশালী হতে পারে। এই চিন্তাধারায় তারা আলিয়া ছাত্রদেরকে সম্মান করে, এবং তাদের প্রজ্ঞাকে স্বীকৃতি দেয়।
কিন্তু দুঃখজনকভাবে, আলিয়া ধারার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো একইরকম একটি প্রজন্ম তৈরি করতে পারেনি—যারা কওমি ছাত্রদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ও হৃদ্যতা-পরায়ণ হবে। বরং বাস্তবতা হলো, অনেক আলিয়া শিক্ষার্থীর দৃষ্টিতে কওমি ছাত্ররা হচ্ছে ‘ব্যাকডেটেড’, ‘গ্রাম্য’, ‘আধুনিক জ্ঞান থেকে পিছিয়ে থাকা’ একধরনের মানুষ, যারা কেবল ‘ইসলাম বেচে খায়’। এই দৃষ্টিভঙ্গি কেবল অসম্মানজনকই নয়, বরং একটি গভীর মনস্তাত্ত্বিক ব্যবধান তৈরি করে।
সবচেয়ে বিস্ময়ের বিষয় হলো—কওমির ছাত্ররা স্বীকার করতে প্রস্তুত যে, আলিয়ার ছাত্ররা দুনিয়াবি জ্ঞান ও আধুনিক বিজ্ঞানচর্চায় কওমিদের তুলনায় এগিয়ে। কিন্তু এর বিপরীতে, আলিয়ার কোন