আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থিদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করে এ পর্যন্ত সারাদেশে অন্তত ৭২৩ জনের প্রার্থিতা বাতিল করেছেন নির্বাচন কমিশনের দায়িত্বপ্রাপ্ত রিটার্নিং কর্মকর্তারা। বর্তমানে বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা এক হাজার ৮৪২ জন।
গতকাল রবিবার (৪ জানুয়ারি) বিকেল পর্যন্ত এ যাচাই-বাছাইয়ের শেষ সময় ছিল।
আজ সোমবার (৫ জানুয়ারি) থেকে মনোনয়ন বাতিল হওয়া সংক্ষুব্ধ প্রার্থীরা নিজেদের নিজেদের অবস্থানের পক্ষে নির্বাচন কমিশনে আপিল করতে পারবেন।
প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী জানা গেছে, যাচাই-বাছাইয়ে জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ২৭ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বা প্রার্থিতা বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। অন্যদিকে, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ৯, জাতীয় পার্টির ৫৭ ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ৪১ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, বিএনপির বাতিল হওয়া প্রার্থীদের অনেকেই দলীয় পরিচয়ে মনোনয়নপত্র দাখিল করলেও দলীয় প্রত্যয়নপত্র ছিল না। তাদের বাইরে এখন পর্যন্ত নির্বাচনে বিএনপির ৩৩১ জন বৈধ প্রার্থী রয়েছে। এর বাইরে, জামায়াতের ২৬৭, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ২২৭ এবং জাতীয় পার্টির ১৬৭ জন বৈধ প্রার্থী রয়েছে। আপিলের রায়ের প্রেক্ষিতে প্রত্যেক দলে এর সংখ্যা বাড়তে পারে বলে জানা গেছে। তবে আগামী ২০ জানুয়ারি পর্যন্ত যদি কেউ প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে তাহলে এর সংখ্যা কমতেও পারে।
ইসির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, নিজ আসনের ১ শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষর সংক্রান্ত ঘাটতি, তথ্যের অমিল ও ঘাটতি, দ্বৈত নাগরিকত্ব, হলফনামায় স্বাক্ষর না করা, আয়কর বিবরণী সঠিকভাবে জমা না দেওয়া, দলীয় প্রত্যয়ন না থাকাসহ বেশকিছু কারণে এসব প্রার্থিদের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে।
আরও জানা গেছে, বর্তমানে ৯টি আসনে ২ জন করে এবং ২২টিতে তিনজন করে বৈধ প্রার্থী রয়েছেন। এছাড়া অবশিষ্ট আসনগুলোতে প্রার্থী সংখ্যা তিনজনের বেশি। অন্যদিকে, বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রয়াণে ফেনী-১, বগুড়া-৭ ও দিনাজপুর-৩ আসনে তার মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করা হয়নি।
এনএইচ/