সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬ ।। ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৮ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ সহায়তা নিয়ে পাশে থাকার আহ্বান জাতীয় ইমাম পরিষদের ‘বিএনপির সঙ্গে সমঝোতা ছিল দেশের স্বার্থে, পদ-পদবি পাওয়ার জন্য নয়’ সন্ধ্যার মধ্যে ১৯ জেলায় ঝড়ের শঙ্কা  মুসলিম আন্দালুসের কৃষি বিপ্লব: স্বর্ণযুগের গৌরবগাথা শনিরআখড়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে প্রাণ গেল সাবেক ব্যাংক কর্মকর্তার চকরিয়াতে মারহামা ফাউন্ডেশনের ত্রাণ বিতরণ 'ইসলামের সামনে বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ, জ্ঞানভিত্তিক দাওয়াতের বিকল্প নেই' বিকেএম নেতা মাওলানা ইউসুফ আশরাফের বাইপাস অস্ত্রোপচার, দোয়ার আবেদন মধ্যপ্রাচ্যের ৩ দেশের মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ইরানের হামলা বিশ্ববাজারে আবারও বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম

কুয়েতে পশুখাদ্য বিক্রি করে কোটিপতি প্রবাসীরা!


নিউজ ডেস্ক

নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
সংগৃহীত

কুয়েতে রয়েছে পশুখাদ্যের বিশাল বাজার। ইউরোপ, আমেরিকা, ভারতসহ বিভিন্ন দেশ থেকে খাবার আমদানি করেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। সহজ ও লাভজনক হওয়ায় প্রতিনিয়ত অনেক বাংলাদেশি এই ব্যবসায় ঝুঁকছেন।

একদিকে ভিনদেশী ভাষা, আরেকদিকে কাজের অভিজ্ঞতা ছাড়াই ‘সোনার হরিণের’ খোঁজে বিদেশে পাড়ি জমান অনেকে। স্বল্প বেতনে কাজ করে দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে আজ কুয়েতে প্রতিষ্ঠিত অনেক বাংলাদেশি। গরু, ছাগল, উট, হাঁস, মুরগির খাবারের চাহিদা মেটাতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে পশু-পাখির খাবার আমদানি করে থাকে কুয়েত।

দেশটির ওফরা, চেবদি, আবদালীর বাজারে এসব খাবার বিক্রি করে অনেকেই এখন কোটিপতি। দেশটির বাজারে পশু খাবারের বিপুল পরিমাণ চাহিদা থাকায় এই ব্যবসায় ঝুঁকছেন অনেকে। করতে চান বাংলাদেশ থেকেও আমদানি।

ব্যবসার পরিধি বাড়াতে দেশ থেকে আত্মীয় স্বজনদেরও আনছেন তারা। ফলে এ খাতে বাড়ছে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থান।

পশু-পাখির খাবার হিসেবে বাংলাদেশে ফেলে দেয়া খড় কিংবা ধানের কুড়া কুয়েতে রফতানির মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন সম্ভব বলে মনে করেন এই খাতের ব্যবসায়ীরা।

হাআমা/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ