বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬ ।। ১১ চৈত্র ১৪৩২ ।। ৭ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
বেফাকে সানাবিয়ার ২৭ মেধাস্থানের ২৩টিই জামিআ রাব্বানিয়ায়, সাফল্যের রহস্য কী? জামিয়াতুল উস্তায শহীদুল্লাহ ফজলুল বারী রাহি. ঢাকায় ভর্তি ৭ ও ৮ শাওয়াল ‘নদওয়াতুল উলূম আশ-শরইয়্যাহ’য় ভর্তি শুরু আগামীকাল ‘স্বাধীনতাকে অর্থবহ করার জন্য রাষ্ট্রের পদ্ধতিগত সংস্কার জরুরী’ আল-হাইয়াতুল উলইয়া ও বেফাকে শীর্ষস্থান অর্জনকারী ‘ঢালকানগর মাদরাসা’র ভর্তি আগামীকাল ঢালকানগর মাদরাসার শাখা ‘জামিয়া আশরাফুল মাদারিস কমপ্লেক্স’-এ ভর্তি আগামীকাল মাদরাসাতুল মাদীনাহ বারিধারায় ভর্তি চলছে মাইজগাঁও দারুল উলূম ইসলামিয়া মাদরাসায় ভর্তি শনিবার, বিনা খরচে পড়াশোনার সুযোগ দৌলতদিয়ায় বাসডুবি, ৪০ জনের মতো প্রাণহানীর আশঙ্কা ‘স্বাধীনতার ৫৫ বছর পরও জনগণ বঞ্চিত, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করুন’

প্রতিদিন কিশমিশ খেলে নারীদের যে উপকার

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আঙুর শুকিয়ে তৈরি হয় কিশমিশ। আকারে ছোট হলেও এর স্বাস্থ্য উপকারিতা অনেক। এটি পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ, বিশেষ করে নারীদের জন্য খুবই উপকারী বলে মনে করা হয় এই ফলকে। আয়রন থেকে শুরু করে ফাইবার ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, অনেক প্রয়োজনীয় উপাদান রয়েছে এই ফলে, যা শরীরকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা কিশমিশকে ‘সুপারফুড’ বলে মনে করেন। তারা বিশ্বাস করেন যে প্রতিদিন সকালে খালি পেটে কিশমিশ খেলে শরীরে শক্তি বৃদ্ধি পায়, হজমশক্তি উন্নত হয় এবং রক্তাল্পতা কমে আসে। 

ইউএস ন্যাশনাল লাইব্রেরি অব মেডিসিনে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন অনুসারে, কিশমিশে চিনি থাকে, তবে এটি ধীরে ধীরে রক্তে শর্করার পরিমাণ বাড়ায়, তাই সীমিত পরিমাণে খেলে ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য এটি নিরাপদ হতে পারে।

আয়ুর্বেদ বিশেষজ্ঞদের মতে, কিশমিশে আয়রন, পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, ভিটামিন বি এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ভালো পরিমাণে পাওয়া যায়।

যদি এগুলো সারা রাত পানিতে ভিজিয়ে সকালে খালি পেটে খাওয়া হয়, তাহলে এটি পরিপাকতন্ত্রকে সক্রিয় করে। এটি কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যা দূর করে এবং পেটও পরিষ্কার রাখে।
আয়ুর্বেদ শাস্ত্র মতে, কিশমিশ আয়রনের একটি চমৎকার উৎস, যা শরীরের রক্তাল্পতা দূর করতে সাহায্য করে। এটি নারীদের জন্য বিশেষভাবে উপকারী।

ঋতুস্রাবের সময় আয়রনের ঘাটতি বা অন্যান্য সমস্যার সম্মুখীন নারীদের জন্যও কিশমিশ খাওয়া উপকারী।
আয়ুর্বেদ বিশেষজ্ঞরা বলেন, প্রতিদিন ১০-১২টি কিশমিশ খেলে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বৃদ্ধি পায় এবং ক্লান্তি ও দুর্বলতার মতো সমস্যা কমে। কিশমিশে পটাশিয়াম ও ম্যাগনেসিয়ামের মতো খনিজ পদার্থও থাকে, যা হৃদপিণ্ডকে সুস্থ রাখতে সহায়ক। এটি কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে এবং রক্তচাপকে ভারসাম্যপূর্ণ রাখে। হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমে।

কিশমিশে উপস্থিত ভিটামিন সি ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ত্বককে উজ্জ্বল রাখে। এটি বলিরেখা ও দাগ কমায়। এ ছাড়া কিসমিসে উপস্থিত ভিটামিন বি কমপ্লেক্স ও জিঙ্ক চুল মজবুত করে এবং চুল পড়া কমায়। কিশমিশে থাকা ক্যালসিয়াম ও বোরনের মতো উপাদান হাড় মজবুত করতে সাহায্য করে।

সূত্র : নিউজ ১৮

এনএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ