বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬ ।। ১১ চৈত্র ১৪৩২ ।। ৭ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
বেফাকে সানাবিয়ার ২৭ মেধাস্থানের ২৩টিই জামিআ রাব্বানিয়ায়, সাফল্যের রহস্য কী? জামিয়াতুল উস্তায শহীদুল্লাহ ফজলুল বারী রাহি. ঢাকায় ভর্তি ৭ ও ৮ শাওয়াল ‘নদওয়াতুল উলূম আশ-শরইয়্যাহ’য় ভর্তি শুরু আগামীকাল ‘স্বাধীনতাকে অর্থবহ করার জন্য রাষ্ট্রের পদ্ধতিগত সংস্কার জরুরী’ আল-হাইয়াতুল উলইয়া ও বেফাকে শীর্ষস্থান অর্জনকারী ‘ঢালকানগর মাদরাসা’র ভর্তি আগামীকাল ঢালকানগর মাদরাসার শাখা ‘জামিয়া আশরাফুল মাদারিস কমপ্লেক্স’-এ ভর্তি আগামীকাল মাদরাসাতুল মাদীনাহ বারিধারায় ভর্তি চলছে মাইজগাঁও দারুল উলূম ইসলামিয়া মাদরাসায় ভর্তি শনিবার, বিনা খরচে পড়াশোনার সুযোগ দৌলতদিয়ায় বাসডুবি, ৪০ জনের মতো প্রাণহানীর আশঙ্কা ‘স্বাধীনতার ৫৫ বছর পরও জনগণ বঞ্চিত, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করুন’

শীতে সর্দি-কাশি-জ্বর থেকে দূরে থাকতে যেসব খাবার খাবেন

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
সংগৃহীত ছবি

শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়ার ফলে রোগ-জীবাণু আমাদের শরীরে বাসা বাঁধে। রোগ-জীবাণুর সংক্রমণের ফলে আমরা অসুস্থ হয়ে থাকি। বছরের অন্যান্য সময়ের তুলনায় শীতকালে  মানুষ বেশি অসুস্থ হয়ে থাকে। এই সময় সর্দি-কাশি-জ্বর হওয়ার প্রবণতা বেশি দেখা যায়।

সর্দি-কাশি-জ্বর দূর করতে আমরা পেঁয়াজ, রসুন ও আদা খেতে পারি। এসব আমাদের প্রায় সকলের রান্নাঘরেই থাকে। এসব ভেষজ রান্নায় স্বাদ বাড়ানোর পাশাপাশি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। আসুন জেনে নিন, এই তিন ভেষজের হরেক গুণের কথা : 

পেঁয়াজ-
পেঁয়াজ খাবারের স্বাদ বাড়ানোর পাশাপাশি শরীরে পুষ্টিও জোগায়। পেঁয়াজের রসের সঙ্গে মধু মিশিয়ে খেলে সর্দি ও কাশির সমস্যা কমে যাবে।

পেঁয়াজের রসের সঙ্গে মধু মিশিয়ে খেলে সর্দি ও কাশির সমস্যা কমে যাবে
পেঁয়াজের রসের সঙ্গে মধু মিশিয়ে খেলে সর্দি ও কাশির সমস্যা কমে যাবে।

এ ছাড়া ক্যানসারের মতো রোগকে পেঁয়াজ দূরে রাখে। এ ছাড়া যাদের হজমের সমস্যা রয়েছে তারা প্রতিদিন একটু কাঁচা পেঁয়াজ খেতে পারেন। কারণ পেঁয়াজ হজম শক্তি বাড়ায়। পেঁয়াজে রয়েছে সালফার, যা চুল পড়া রোধ করে। পেঁয়াজের রস খেলে অ্যাজমার সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন।

রসুন -
শরীরের সুস্থতায় রসুনের জুড়ি মেলা ভার। রসুনের মধ্যে রয়েছে এলিসিন নামে এক উপাদান,যা ক্যানসারসহ বিভিন্ন রোগ থেকে আপনাকে দূরে রাখবে। প্রতিদিন কাঁচা রসুন খেলে হৃৎপিণ্ডের সুস্থতা নিয়ে চিন্তা করতে হবে না। রসুন খেলে বুকের ব্যথা কমে যাবে। এ ছাড়া প্রতিদিন সকালে খালি পেটে দুই কোয়া রসুন খেলে শরীরের রক্ত সঞ্চালন ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে।

রসুনের অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল, অ্যান্টিফাঙ্গাল গুণ অনেকটা ওষুধের মতো কাজ করে। রসুন আপনাকে ঠান্ডার সমস্যা থেকে দূরে রাখবে। ঠান্ডা লাগলে তা  ফুসফুসে সংক্রমণ ঘটতে পারে, যা থেকে মুক্তি পেতে রসুন পিষে রস খেলে ভালো উপকার পাবেন।

আদা 
আদা মূলত মসলা হিসেবে ব্যবহৃত হলেও, এর রয়েছে অনেক উপকারিতা। এটি অনেক রোগবালাই থেকে সেরে উঠতে কার্যকর ভূমিকা রাখে। জ্বর, কাশি, ঠান্ডা লাগা ও ব্যথায় আদা উপকারি। আদা হজমের পাশাপাশি সর্দি-কাশি থেকে আপনাকে দূরে রাখবে। ভারি কোনো খাবার খাওয়ার পর খানিকটা আদা চিবিয়ে খেলে দেখবেন পেটের অস্বস্তিভাব কেটে গেছে।

আদা ফুসফুস সংক্রমণের পাশাপাশি শ্বাস-প্রশ্বাসের সমস্যা দূর করে। এ ছাড়া এক চা–চামচ করে আদার রস, লেবুর রস ও মধু এক কাপ গরম পানিতে মিশিয়ে চায়ের মতো খেলে কাশি কমে, কফ দূর হবে। শরীরের যে কোনো ব্যথা দূর করতে আদা টনিকের মতো কাজ করে। আদার রস দাঁতের মাড়ি শক্ত করে এবং দাঁতের ফাঁকে ফাঁকে লুকিয়ে থাকা জীবাণু মেরে ফেলে।

এনএ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ