মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬ ।। ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘সিরাতুন্নবীর আলোকে দেশ পরিচালনা করলেই জুলাইয়ের প্রত্যাশা পূরণ হবে’ সামাজিক মাধ্যমে অপপ্রচার ঠেকাতে কঠোর মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর ‘মহানবীর (সা.) আদর্শে ন্যায়ভিত্তিক সমাজ-রাষ্ট্র গড়ে তোলার অঙ্গীকার করি’ বিরিশিরিতে আঞ্চলিক কনফারেন্স আগমী শনিবার ‘পরিচ্ছন্নতায় গাফিলতি হলে কঠোর ব্যবস্থা, কোনো অজুহাত চলবে না’  ২১০ মাদরাসা পরিচালককে নিয়ে আস-সুন্নাহর প্রশিক্ষণ সম্পন্ন মহানবী (সা.)-এর আদর্শে ন্যায় ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর দক্ষ প্রতিষ্ঠান-পরিচালক তৈরিতে ইতমিনান বোর্ডের সাত দিনের আবাসিক প্রশিক্ষণ বুধবার আল-হাইআতুল উলয়ার সব কার্যক্রম বন্ধ জয়পুরহাটে আখখেত থেকে কঙ্কাল উদ্ধার

শয়তানের কুমন্ত্রণা থেকে মুক্তির উপায়

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

শয়তানের কুমন্ত্রণা ভয়ঙ্কর একটি বিষয়। শয়তানের কুমন্ত্রণায় মানুষের ঈমান দুর্বল হয়ে যায়। শুধু তাই নয়, অনেক সময় মুমিনের জীবনকে বিপন্ন করে তুলে শয়তানের কুমন্ত্রণা।

সৃষ্টির শুরু থেকেই শয়তান মানুষকে নানাভাবে কুমন্ত্রণা দিয়ে আসছে। 

দুনিয়াতে একজন মুমিন অবশিষ্ট থাকা অবস্থায় শয়তানের এ কাজ অবশিষ্ট থাকবে। সাহাবিরাও এমন সমস্যার মুখোমুখি হয়েছিলেন। এ প্রসঙ্গে হাদিসে ইরশাদ হয়েছে, হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন, কোন সময় তোমার অন্তরে আল্লাহ তায়ালা ও ইসলাম সম্পর্কে শয়তানী কুমন্ত্রণা দেখা দিলে নিচের আয়াতটি আস্তে পাঠ করে নাও। 

 هُوَ الْأَوَّلُ وَالْآخِرُ وَالظَّاهِرُ وَالْبَاطِنُ 

উচ্চারণ : হুওয়াল আওওয়ালুওয়াল আ-খিরু ওয়াজ্জা-হিরুওয়াল বা-তিনু ওয়া হুওয়া বিকুল্লি শাইয়িন ‘আলীম।


অর্থ : তিনিই আদি, তিনিই অন্ত এবং তিনিই ব্যক্ত ও তিনিই গুপ্ত। তিনি সবকিছু পরিপূর্ণভাবে জানেন। (সুরা হাদিদ : আয়াত : ০৩, ইবনে কাসীর)

এই আয়াতের তফসীর এবং আউয়াল, আখের, যাহের ও বাতেনের অর্থ সম্পর্কে তফসীরবিদদের দশটিরও অধিক উক্তি বর্ণিত আছে। এসব উক্তির মধ্যে কোন বৈপরীত্য নেই—সবগুলোরই অবকাশ আছে। 


‘আউয়াল’ শব্দের অর্থ তো প্রায় নির্দিষ্ট। অর্থাৎ অস্তিত্বের দিক দিয়ে সকল সৃষ্টজগতের অগ্রে ও আদি। কারণ, তিনি ছাড়া সবকিছু তারই সৃজিত। তাই তিনি সবার আদি। 

কারো কারো মতে আখেরের অর্থ এই যে, সবকিছু বিলীন হয়ে যাওয়ার পরও তিনি বিদ্যমান থাকবেন। 

ইমাম গাযালী (রহ.) বলেন, আল্লাহ তায়ালার মারেফত সবার শেষে হয়। এই দিক দিয়ে তিনি আখের তথা অন্ত। মানুষ জ্ঞান ও মারেফতে ক্রমোন্নতি লাভ করতে থাকে। কিন্তু মানুষের অর্জিত এসব স্তর আল্লাহর পথের বিভিন্ন মনযিল মাত্র। এর চূড়ান্ত ও শেষ সীমা হচ্ছে আল্লাহর মারেফত। (রাহুল মাআনী)

‘যাহের’ বলে সেই সত্তা বোঝানো হয়েছে, যেসব বস্তু অপেক্ষাকৃত অধিক প্রকাশ্য। প্রকাশমান হওয়া অস্তিত্বের একটি শাখা। অতএব আল্লাহ তায়ালার অস্তিত্ব যখন সবার উপরে ও আগে, তখন তার আত্মপ্রকাশও সবার উপরে হবে। জগতে তার চাইতে অধিক কোন বস্তু প্রকাশমান নয়। তার প্রজ্ঞা ও শক্তি-সামর্থ্যের উজ্জ্বল নিদর্শন বিশ্বের প্রতিটি কণায় কণায় দেদীপ্যমান।

স্বীয় সত্তার স্বরূপের দিক দিয়ে আল্লাহ তায়ালা ’বাতেন’ তথা অপ্রকাশমান। জ্ঞান-বুদ্ধি ও কল্পনা তার স্বরূপ পর্যন্ত পৌঁছতে সক্ষম নয়।

এনএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ