শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬ ।। ২৮ চৈত্র ১৪৩২ ।। ২৩ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় বাংলাদেশি নারী নিহত ১১ এপ্রিল ২০২৬-এর নামাজের সময়সূচি গণরায় অনুযায়ী সংবিধান সংস্কারের দাবি ইসলামী আন্দোলনের ‘গণভোটের রায়ের আলোকে সংবিধান সংস্কারে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে’  ৪০ দিনের যুদ্ধে ইরানের ক্ষয়ক্ষতি প্রায় ১৮ লক্ষ কোটি টাকা মার্কিন কংগ্রেসে জোরালো হচ্ছে ট্রাম্পকে অপসারণের দাবি দৌলতদিয়ায় বাসডুবিতে নিহত ২৬ জনের স্মরণে দোয়া অনুষ্ঠিত গণভোটের রায় দ্রুত কার্যকর না হলে রাজপথে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে: মাওলানা জালালুদ্দীন আহমাদ বর্তমান সরকার জুলাই বিপ্লবের চেতনার বহিঃপ্রকাশ: অ্যাটর্নি জেনারেল প্রণয় ভার্মাকে বেলজিয়াম ও ইইউ’র ভারতের রাষ্ট্রদূত নিয়োগ

শয়তানের কুমন্ত্রণা থেকে মুক্তির উপায়

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

শয়তানের কুমন্ত্রণা ভয়ঙ্কর একটি বিষয়। শয়তানের কুমন্ত্রণায় মানুষের ঈমান দুর্বল হয়ে যায়। শুধু তাই নয়, অনেক সময় মুমিনের জীবনকে বিপন্ন করে তুলে শয়তানের কুমন্ত্রণা।

সৃষ্টির শুরু থেকেই শয়তান মানুষকে নানাভাবে কুমন্ত্রণা দিয়ে আসছে। 

দুনিয়াতে একজন মুমিন অবশিষ্ট থাকা অবস্থায় শয়তানের এ কাজ অবশিষ্ট থাকবে। সাহাবিরাও এমন সমস্যার মুখোমুখি হয়েছিলেন। এ প্রসঙ্গে হাদিসে ইরশাদ হয়েছে, হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন, কোন সময় তোমার অন্তরে আল্লাহ তায়ালা ও ইসলাম সম্পর্কে শয়তানী কুমন্ত্রণা দেখা দিলে নিচের আয়াতটি আস্তে পাঠ করে নাও। 

 هُوَ الْأَوَّلُ وَالْآخِرُ وَالظَّاهِرُ وَالْبَاطِنُ 

উচ্চারণ : হুওয়াল আওওয়ালুওয়াল আ-খিরু ওয়াজ্জা-হিরুওয়াল বা-তিনু ওয়া হুওয়া বিকুল্লি শাইয়িন ‘আলীম।


অর্থ : তিনিই আদি, তিনিই অন্ত এবং তিনিই ব্যক্ত ও তিনিই গুপ্ত। তিনি সবকিছু পরিপূর্ণভাবে জানেন। (সুরা হাদিদ : আয়াত : ০৩, ইবনে কাসীর)

এই আয়াতের তফসীর এবং আউয়াল, আখের, যাহের ও বাতেনের অর্থ সম্পর্কে তফসীরবিদদের দশটিরও অধিক উক্তি বর্ণিত আছে। এসব উক্তির মধ্যে কোন বৈপরীত্য নেই—সবগুলোরই অবকাশ আছে। 


‘আউয়াল’ শব্দের অর্থ তো প্রায় নির্দিষ্ট। অর্থাৎ অস্তিত্বের দিক দিয়ে সকল সৃষ্টজগতের অগ্রে ও আদি। কারণ, তিনি ছাড়া সবকিছু তারই সৃজিত। তাই তিনি সবার আদি। 

কারো কারো মতে আখেরের অর্থ এই যে, সবকিছু বিলীন হয়ে যাওয়ার পরও তিনি বিদ্যমান থাকবেন। 

ইমাম গাযালী (রহ.) বলেন, আল্লাহ তায়ালার মারেফত সবার শেষে হয়। এই দিক দিয়ে তিনি আখের তথা অন্ত। মানুষ জ্ঞান ও মারেফতে ক্রমোন্নতি লাভ করতে থাকে। কিন্তু মানুষের অর্জিত এসব স্তর আল্লাহর পথের বিভিন্ন মনযিল মাত্র। এর চূড়ান্ত ও শেষ সীমা হচ্ছে আল্লাহর মারেফত। (রাহুল মাআনী)

‘যাহের’ বলে সেই সত্তা বোঝানো হয়েছে, যেসব বস্তু অপেক্ষাকৃত অধিক প্রকাশ্য। প্রকাশমান হওয়া অস্তিত্বের একটি শাখা। অতএব আল্লাহ তায়ালার অস্তিত্ব যখন সবার উপরে ও আগে, তখন তার আত্মপ্রকাশও সবার উপরে হবে। জগতে তার চাইতে অধিক কোন বস্তু প্রকাশমান নয়। তার প্রজ্ঞা ও শক্তি-সামর্থ্যের উজ্জ্বল নিদর্শন বিশ্বের প্রতিটি কণায় কণায় দেদীপ্যমান।

স্বীয় সত্তার স্বরূপের দিক দিয়ে আল্লাহ তায়ালা ’বাতেন’ তথা অপ্রকাশমান। জ্ঞান-বুদ্ধি ও কল্পনা তার স্বরূপ পর্যন্ত পৌঁছতে সক্ষম নয়।

এনএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ