বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬ ।। ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ ।। ১৫ রমজান ১৪৪৭

শিরোনাম :
রেমিট্যান্স প্রবাহ আগের তুলনায় ১০১ শতাংশ বৃদ্ধি বাংলাদেশের কাছে সরাসরি নিন্দা ও প্রতিবাদের প্রত্যাশা ইরানের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে ই-হেলথ কার্ড চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ আসনে প্রার্থীদের আপিলের সুযোগ ১০ মার্চ পর্যন্ত ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের লক্ষ্য প্রধানমন্ত্রীর ২৯৭ আসনের কেন্দ্রভিত্তিক ফলাফল প্রকাশ ইসির তালিকা করে চাঁদাবাজ-সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় আনা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী  মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতে বিদ্যুৎ-জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে শঙ্কায় বাংলাদেশ ৬ সিটি করপোরেশনে প্রশাসক নিয়োগ স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট তিন বিষয়ে অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ শুরুর নির্দেশ ডিএনসিসির

পবিত্র রমজান মাসের সম্ভাব্য তারিখ ১৮ ফেব্রুয়ারি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

বিশ্বজুড়ে মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের সিয়াম সাধনার মাস পবিত্র রমজান শুরু হতে আর মাত্র ৩৬ দিন বাকি রয়েছে। দুবাইয়ের ইসলামিক অ্যাফেয়ার্স অ্যান্ড চ্যারিটেবল অ্যাকটিভিটিজ ডিপার্টমেন্টের প্রকাশিত ২০২৬ সালের ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি পবিত্র রমজানের প্রথম দিন হওয়ার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে। মহাকাশ গবেষণা ও জ্যোতির্বিজ্ঞানের তথ্য বিশ্লেষণ করে এই সম্ভাব্য তারিখের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। খবর গালফ নিউজের। 

হিজরি সনের মাসগুলো সম্পূর্ণ চাঁদ দেখার ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় প্রতি বছরই রমজান ও ঈদের সুনির্দিষ্ট তারিখের ক্ষেত্রে একদিনের হেরফের হয়। দুবাইয়ের সরকারি ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, রমজানের সম্ভাব্য শেষ দিন হতে পারে আগামী ১৯ মার্চ, যা ২০২৬ সালের ক্যালেন্ডার অনুযায়ী বৃহস্পতিবার। সেই হিসাব অনুযায়ী, ২০ মার্চ পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

বর্তমানে হিজরি বর্ষপঞ্জির রজব মাস চলছে। সাধারণত হিজরি মাসগুলো চাঁদ দেখার ওপর ভিত্তি করে ২৯ অথবা ৩০ দিনের হয়ে থাকে। শাবান মাসের শেষে রমজানের চাঁদ দেখা গেলেই বিশ্বের বিভিন্ন দেশের চাঁদ দেখা কমিটি সুনিশ্চিতভাবে রোজার তারিখ ঘোষণা করবে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের জ্যোতির্বিজ্ঞানীরাও ইতিমধ্যে ১৮ ফেব্রুয়ারিকেই সবচেয়ে শক্তিশালী সম্ভাবনা হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

রমজান মাস শুরুর এই সম্ভাব্য সময়কে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যে মধ্যপ্রাচ্যসহ সারা বিশ্বের মুসলিম দেশগুলোতে প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। বাজার নিয়ন্ত্রণ এবং ধর্মীয় উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে দিতে বিভিন্ন দেশের সরকার ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো বিশেষ পরিকল্পনা গ্রহণ করছে। তবে প্রতিবারের মতো এবারও নিজ নিজ দেশে চাঁদ দেখা কমিটির আনুষ্ঠানিক ঘোষণার মাধ্যমেই কেবল রোজা ও ঈদের চূড়ান্ত তারিখ নির্ধারিত হবে।

আরএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ