মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬ ।। ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
বিভেদ, প্রতিহিংসা ও প্রতিশোধ কোনো জাতিকে শক্তিশালী করে না: রাষ্ট্রপতি সিলেটে হাম উপসর্গে এক শিশুর মৃত্যু বরুড়ায় আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত পরিষদের উদ্যোগে সিরাত সম্মেলন ২৭ আগস্ট কলকাতায় আরও ২০০ হোটেল বন্ধের নোটিশ রুহামা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে জাতীয় সীরাত কনফারেন্স আগামীকাল ‘সিরাতুন্নবীর আলোকে দেশ পরিচালনা করলেই জুলাইয়ের প্রত্যাশা পূরণ হবে’ সামাজিক মাধ্যমে অপপ্রচার ঠেকাতে কঠোর মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর ‘মহানবীর (সা.) আদর্শে ন্যায়ভিত্তিক সমাজ-রাষ্ট্র গড়ে তোলার অঙ্গীকার করি’ বিরিশিরিতে আঞ্চলিক কনফারেন্স আগমী শনিবার ‘পরিচ্ছন্নতায় গাফিলতি হলে কঠোর ব্যবস্থা, কোনো অজুহাত চলবে না’ 

মসজিদে যেসব কাজ করা নিষেধ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আল্লাহ তাআলার কাছে মসজিদ হলো সবচেয়ে প্রিয় স্থান। এখানে মুসলমানরা একত্র হয়ে নামাজ আদায় করে, আল্লাহর স্মরণে মশগুল হয় এবং কোরআন তিলাওয়াত করে। তাই মসজিদের পবিত্রতা ও মর্যাদা রক্ষা করা প্রতিটি মুসলমানের দায়িত্ব।

কোরআনে ইরশাদ হয়েছে—

“আল্লাহ যে ঘরগুলোকে উচ্চ মর্যাদা দিতে এবং তাতে তাঁর নাম উচ্চারণ করতে আদেশ করেছেন, তাতে সকাল ও সন্ধ্যায় তাঁকে স্মরণ করে এমন লোকেরা, যাদের ব্যবসা-বাণিজ্য আল্লাহর স্মরণ, সালাত কায়েম ও জাকাত প্রদানে ব্যস্ত রাখে না। তারা ভয় করে সেই দিনকে, যেদিন অন্তর ও দৃষ্টি ওলট-পালট হয়ে যাবে।” (সুরা নুর : ৩৬-৩৭)

রাসুলুল্লাহ (সা.) মসজিদকে পবিত্র রাখার নির্দেশ দিয়েছেন এবং এমন কিছু কাজ নিষিদ্ধ করেছেন যা এর মর্যাদার পরিপন্থী। সেগুলো হলো—

১. হারানো জিনিসের ঘোষণা

মসজিদে হারানো জিনিস মাইকে ঘোষণা দেওয়া নিষেধ। রাসুল (সা.) বলেছেন, “যে ব্যক্তি মসজিদে হারানো জিনিস খুঁজতে উচ্চৈঃস্বরে ডাকাডাকি করে, তাকে বলো—আল্লাহ যেন তা তোমার কাছে ফিরিয়ে না দেন।” (আবু দাউদ : ৪৭৩)

২. ক্রয়-বিক্রয় করা

মসজিদে ব্যবসা-বাণিজ্য করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। নবীজি (সা.) বলেছেন, “তোমরা যদি কাউকে মসজিদে ক্রয়-বিক্রয় করতে দেখো, তবে বলবে—আল্লাহ তোমার ব্যবসায় বরকত না দিন।” (তিরমিজি : ১৩২১)

৩. কবিতা পাঠ ও হৈচৈ করা

মসজিদে অপ্রয়োজনীয় কবিতা পাঠ, প্রতিযোগিতা বা হৈচৈ করা নিষিদ্ধ। তবে ইসলামের প্রশংসা, ঈমান বৃদ্ধি ও শিক্ষামূলক কবিতা অনুমোদিত। (নাসায়ি : ৭১৫)

৪. দুনিয়াবি আলাপ-আলোচনা

মসজিদে জোরে জোরে গল্পগুজব করা বা দুনিয়াবি আলোচনা করা উচিত নয়। হজরত উমর (রা.) একবার দুই ব্যক্তিকে উচ্চস্বরে কথা বলার কারণে শাসন করেছিলেন। (বুখারি : ৪৭০)

৫. অন্যদের ইবাদতে বিঘ্ন ঘটানো

মসজিদে উচ্চস্বরে কিরাত পড়া বা নামাজে এমন আওয়াজ করা, যাতে অন্যের ইবাদতে ব্যাঘাত ঘটে—তা নিষিদ্ধ। (আবু দাউদ : ১৩৩২)

এনএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ