বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬ ।। ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
বিভেদ, প্রতিহিংসা ও প্রতিশোধ কোনো জাতিকে শক্তিশালী করে না: রাষ্ট্রপতি সিলেটে হাম উপসর্গে এক শিশুর মৃত্যু বরুড়ায় আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত পরিষদের উদ্যোগে সিরাত সম্মেলন ২৭ আগস্ট কলকাতায় আরও ২০০ হোটেল বন্ধের নোটিশ রুহামা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে জাতীয় সীরাত কনফারেন্স আগামীকাল ‘সিরাতুন্নবীর আলোকে দেশ পরিচালনা করলেই জুলাইয়ের প্রত্যাশা পূরণ হবে’ সামাজিক মাধ্যমে অপপ্রচার ঠেকাতে কঠোর মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর ‘মহানবীর (সা.) আদর্শে ন্যায়ভিত্তিক সমাজ-রাষ্ট্র গড়ে তোলার অঙ্গীকার করি’ বিরিশিরিতে আঞ্চলিক কনফারেন্স আগমী শনিবার ‘পরিচ্ছন্নতায় গাফিলতি হলে কঠোর ব্যবস্থা, কোনো অজুহাত চলবে না’ 

সাজদায়ে সাহুর সঠিক পদ্ধতি কী? 

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মুফতি যুবাইর মাহমুদ রাহমানি 

প্রশ্ন : সাজদায়ে সাহুর মূল পদ্ধতি কী? একভাই বলেছেন, তাশাহহুদ, দুরুদ, দুআয়ে মাসুরা সবকিছু পড়ে তারপর সাজদায়ে সাহু করতে হবে। আসলে বিষয়টা কী? খোলাসা করে বললে খুবই উপকৃত হতাম। 

উত্তর : ইমাম আজম আবু হানিফা রহ.-এর মতে সাজদায়ে সাহুর হাকিকত হচ্ছে, তাশাহহুদ, দুরুদ শরিফ এবং দুআয়ে মাসুরা পড়ে ডানদিকে এক সালাম ফেরাবে। অতঃপর সাহুর (ভুলের) জন্যে দুটি সাজদা করবে। তারপর শুধু তাশাহহুদ পড়ে সালাম ফিরিয়ে নামাজ শেষ করবে। 

উল্লেখ্য, আমরা জামাতের নামাজে যে শুধু তাশাহহুদ পড়ে একদিকে সালাম ফিরাই। তারপর সাহু সাজদা করি। অতঃপর তাশাহহুদ, দুরুদ এবং দুআয়ে মাসুরা পড়ে নামাজ শেষ করি— এটি আসলে মূলত তরিকা নয়।  এ পদ্ধতিটি শুধু জামাতের নামাজে গ্রহণ করা হয়েছে, মাসবুককে এ কথা বোঝানোর জন্য যে, এটি হচ্ছে ইমার্জেন্সি সালাম। সুতরাং দাঁড়ানোর জন্য তাড়াহুড়ো করা যাবে না। অন্যথায় আসল পদ্ধতি উপরেরটিই। একাকী নামাজে সাহু সাজদা সেভাবেই করা উচিত। সুত্র: তুহফাতুল আলমায়ি ২/২১৯

এমএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ