বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬ ।। ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
বিভেদ, প্রতিহিংসা ও প্রতিশোধ কোনো জাতিকে শক্তিশালী করে না: রাষ্ট্রপতি সিলেটে হাম উপসর্গে এক শিশুর মৃত্যু বরুড়ায় আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত পরিষদের উদ্যোগে সিরাত সম্মেলন ২৭ আগস্ট কলকাতায় আরও ২০০ হোটেল বন্ধের নোটিশ রুহামা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে জাতীয় সীরাত কনফারেন্স আগামীকাল ‘সিরাতুন্নবীর আলোকে দেশ পরিচালনা করলেই জুলাইয়ের প্রত্যাশা পূরণ হবে’ সামাজিক মাধ্যমে অপপ্রচার ঠেকাতে কঠোর মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর ‘মহানবীর (সা.) আদর্শে ন্যায়ভিত্তিক সমাজ-রাষ্ট্র গড়ে তোলার অঙ্গীকার করি’ বিরিশিরিতে আঞ্চলিক কনফারেন্স আগমী শনিবার ‘পরিচ্ছন্নতায় গাফিলতি হলে কঠোর ব্যবস্থা, কোনো অজুহাত চলবে না’ 

ফজরের পর না ঘুমানোর আত্মিক ও শারীরিক উপকারিতা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মুহাম্মদ মিজানুর রহমান

ইসলাম ধর্মে ফজরের নামাজ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু নামাজ পড়ার পর অনেকেই আবার ঘুমিয়ে পড়েন, যা শরীর ও আত্মার জন্য বিভিন্নভাবে ক্ষতিকর হতে পারে। বরং ফজরের পর জাগ্রত থাকা ও সক্রিয়ভাবে সময় কাজে লাগানো—দুই দিক থেকেই উপকার বয়ে আনে।

১. আত্মিক উপকারিতা:

(ক) বরকতের দরজা খুলে যায়:  

রাসূল (সা.) বলেন, "হে আল্লাহ! আমার উম্মতের সকালের কাজে বরকত দান করো।" (তিরমিজি)। ফজরের পর কাজে মনোযোগ দিলে রিজিক ও আমল দুটোতেই বরকত আসে।

(খ) জিকির ও কুরআন তিলাওয়াতের সময়: 

ফজরের পরকার সময়টি কুরআন তিলাওয়াত, দোয়া, ইস্তেগফার ও জিকিরের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। এ সময় আত্মা শান্ত হয় ও আল্লাহর নৈকট্য লাভ হয়।

(গ) তাহাজ্জুদের আমল ধরে রাখা: 

ফজরের পর জেগে থাকলে রাতের ইবাদতের স্পিরিচুয়াল continuity বজায় থাকে। এতে ঈমান দৃঢ় হয়।

২. শারীরিক উপকারিতা:

(ক) মানসিক স্বচ্ছতা: 

ফজরের পর সূর্যোদয় পর্যন্ত জেগে থাকা মস্তিষ্কের সক্রিয়তা বাড়ায়। এতে মনোযোগ, স্মৃতিশক্তি ও কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

(খ) হরমোন ব্যালেন্স: 

সকালে ঘুম নািয়ে দেহের করটিসল ও মেলাটোনিন হরমোনের প্রাকৃতিক ভারসাম্য ঠিক থাকে। এতে মানসিক চাপ ও অবসাদ কমে।

(গ) শারীরিক সুস্থতা: 

ভোরবেলা হাঁটা, হালকা ব্যায়াম, বা কাজের প্রস্তুতি শরীরকে চাঙা রাখে। ডায়াবেটিস ও স্থূলতা নিয়ন্ত্রণেও ভূমিকা রাখে।

ফজরের পর ঘুম নািয়ে জেগে থাকা শুধু একটি ধর্মীয় আমল নয়, বরং এটি জীবনব্যবস্থার একটি পূর্ণাঙ্গ অংশ, যা শরীর, মন ও আত্মা—সবকিছুর জন্যই উপকারী। তাই এই অভ্যাস গড়ে তোলা উচিত প্রতিটি মুমিনের।

আরএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ