আজ ৬ মে, ঐতিহাসিক বালাকোট দিবস। ‘বালাকোট’ শব্দটির সঙ্গে জড়িয়ে আছে এই অঞ্চলের মুসলমানদের স্বাধীনতা, অস্তিত্ব ও জাগরণের ইতিবৃত্ত। পরবর্তী সময়ে সংঘটিত প্রতিটি আন্দোলন, সংগ্রাম, গণঅভ্যুত্থান বালাকোটের চেতনার ফসল। বালাকোটের ঐতিহাসিক ট্রাজেডির মাধ্যমে সূচিত সংগ্রামের সিঁড়ি বেয়েই এ দেশের মুসলমানরা ফিরে পেয়েছিল তাদের স্বাধীনতা।
বালাকোট আন্দোলনের প্রাণপুরুষ ছিলেন সৈয়দ আহমদ রহ.। মুজাদ্দিদে আলফে সানীর সূচিত সংস্কার ও সংগ্রামের ধারার সুযোগ্য উত্তরসূরি ছিলেন তিনি। তাঁর আন্দোলন পরিচালিত হয়েছিল মূলত দুটি উদ্দেশ্যেÑএক. পারিপার্শ্বিক নানা প্রভাবে কলুষিত মুসলিম জাতির ঈমান-আকিদাকে শিরকমুক্ত করা। দুই. মুসলিম জীবনধারা ও জাগরণের অন্তরায় অশুভ শক্তিগুলোর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা। অস্তিত্ব হারাতে বসা মুসলিম জাতির জন্য তখন এ দুটি কর্মসূচি ছিল অত্যন্ত যুগোপযোগী ও প্রয়োজনীয়।
মোঘল সালতানাতের পতনের সঙ্গে সঙ্গে উপমহাদেশের মুসলমানরা নিপতিত হয় চতুর্মুখী সমস্যায়। একদিকে জাঠ-মারাঠা-শিখ প্রভৃতি মুসলিমবিদ্বেষী শক্তির ব্যাপক অভ্যুত্থান, অপরদিকে বাংলার শাসন ক্ষমতায় ইংরেজ বণিকদের প্রত্যক্ষ হস্তক্ষেপে অশুভ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। সে সময়ে মুসলিম জনগণের অবস্থা ছিল খুবà¦