শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬ ।। ২৮ চৈত্র ১৪৩২ ।। ২৩ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
১৯৭৯ সালের পর ওয়াশিংটন-তেহরানের প্রথম উচ্চপর্যায়ের বৈঠক আজ, কী হতে চলেছে ইসলামাবাদে? বায়তুল মোকাররম এলাকায় হকার-ব্যবসায়ীদের সংঘর্ষ পরীক্ষার সময় সিসি ক্যামেরা চালু রাখতে হবে, কোনো অজুহাতে অফ রাখলে ব্যবস্থা: শিক্ষামন্ত্রী ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ২৭ শিশু ভর্তি রাজনীতিতে যারা ওয়াদা ভঙ্গ করেছে তাদের পরিণতি কিন্তু খুব ভালো হয়নি : নাহিদ ইসলাম হঠাৎ অসুস্থ ত্রাণমন্ত্রী, এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে নেওয়া হবে ঢাকায়  ৫ সপ্তাহ পর আল-আকসায় জুমা, মুসল্লিদের ঢল আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা যাদের, নমিনেশনে অগ্রাধিকার তাদের : রিজভী পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা শুরু হতে পারে বিকেলে মাঝপথে ইঞ্জিন বিকল, আড়াই ঘণ্টা বিলম্বে বলাকা কমিউটারের যাত্রা

জুমা আদায়কারীর বিশেষ সম্মান

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ফাইল ছবি

জুমাবার মুসলমানদের কাছে একটি কাঙ্ক্ষিত দিন। এই দিনকে সাপ্তাহিক ঈদ বলা হয়েছে হাদিসে। সৃষ্টিজগতের শুরু থেকে দিনটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। মানব ইতিহাসে কিছু গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ঘটেছে জুমার দিন। জুমা নামে পবিত্র কুরআনে একটি স্বতন্ত্র সুরা আছে। সপ্তাহের বাকি ছয় দিনের তুলনায় অধিক মর্যাদাসম্পন্ন দিনটির আমলও অনেক ফজিলতপূর্ণ।

এই দিনের বিশেষ কিছু আমল ও ফজিলত রয়েছে। আমলগুলোর প্রতিদান হিসেবে আল্লাহ তাআলা জুমা আদায়কারীকে বিপুল সওয়াব ও বিশেষ সম্মানে ভূষিত করেন। জুমায় উপস্থিত হওয়া থেকে শুরু করে প্রত্যেকটি আমলই মুমিনের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। মহান আল্লাহ জুমার নামাজ আদায়কারীকে বিশেষ নূর দান করবেন। কেয়ামতের দিন জুমার নামাজ আদায়রে কারণে তাদের চেহারা থেকে বিশেষ নূরের ঝলক প্রতিভাত হবে। আল্লাহর রাসুল সা. বলেন—

‘আল্লাহ তায়ালা কেয়ামতের দিন পৃথিবীর দিবসগুলোকে নিজ অবস্থায় উত্থিত করবেন। তবে জুমার দিনকে আলোকোজ্জ্বল ও দীপ্তিমান করে উত্থিত করবেন। জুমা আদায়কারীরা আলো দ্বারা বেষ্টিত থাকবে, যেমন নতুন বর বেষ্টিত থাকে। এটি তাকে প্রিয় ব্যক্তির কাছে নিয়ে যায়। তারা আলোবেষ্টিত থাকবে এবং সেই আলোতে চলবে। তাদের রং হবে বরফের মতো উজ্জ্বল ও সুগন্ধি হবে কর্পূরের পর্বত থেকে সঞ্চিত মিশকের (বিশেষ সুরভি) মতো। তাদের দিকে জ্বিন ও মানুষ তাকাতে থাকবে। তারা আনন্দে দৃষ্টি ফেরাতে না ফেরাতেই জান্নাতে প্রবেশ করবে। তাদের সঙ্গে একনিষ্ঠ সওয়াব প্রত্যাশী মুয়াজ্জিন ছাড়া কেউ মিশতে পারবে না।’ (মুসতাদরাক হাকেম: ১০২৭; সহিহ ইবনে খুজায়মা: ১৭৩০)

উল্লেখ্য, জুমার দিন পরিচ্ছন্ন হওয়া, সাধ্য থাকলে নতুন পাঞ্জাবি পরা উত্তম। এছাড়া খুশবু নেওয়া, হাত-পায়ের নখ কাটা, দ্রুত মসজিদে যাওয়ার গুরুত্ব অনেক। জুমার দিন সুরা কাহাফ ও বেশি বেশি দরুদ পড়ার বিশেষ গুরুত্ব ও অসংখ্য ফজিলত বর্ণিত হয়েছে হাদিসে। 

আল্লাহ তায়ালা মুসলিম উম্মাহকে সঠিকভাবে জুমার নামাজ আদায়ের তাওফিক দান করুন। যাবতীয় গুনাহ ও পাপ মার্জনা করুন। হাশরের মাঠে প্রতিশ্রুত মর্যাদায় অধিষ্ঠিত করুন। আমিন।

এনএ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ