শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬ ।। ২৭ চৈত্র ১৪৩২ ।। ২৩ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় বাংলাদেশি নারী নিহত ১১ এপ্রিল ২০২৬-এর নামাজের সময়সূচি গণরায় অনুযায়ী সংবিধান সংস্কারের দাবি ইসলামী আন্দোলনের ‘গণভোটের রায়ের আলোকে সংবিধান সংস্কারে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে’  ৪০ দিনের যুদ্ধে ইরানের ক্ষয়ক্ষতি প্রায় ১৮ লক্ষ কোটি টাকা মার্কিন কংগ্রেসে জোরালো হচ্ছে ট্রাম্পকে অপসারণের দাবি দৌলতদিয়ায় বাসডুবিতে নিহত ২৬ জনের স্মরণে দোয়া অনুষ্ঠিত গণভোটের রায় দ্রুত কার্যকর না হলে রাজপথে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে: মাওলানা জালালুদ্দীন আহমাদ বর্তমান সরকার জুলাই বিপ্লবের চেতনার বহিঃপ্রকাশ: অ্যাটর্নি জেনারেল প্রণয় ভার্মাকে বেলজিয়াম ও ইইউ’র ভারতের রাষ্ট্রদূত নিয়োগ

বেসামরিক স্থাপনায় হামলা করে ইরানকে আত্মসমর্পন করানো যাবে না

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইরানের সেতু ও বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলার হুমকির জবাবে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি ইরানের দৃঢ় মনোবলের কথা পুর্নব্যক্ত করেছেন।

ট্রাম্পের হুমকির পাল্টা জবাব দিয়েছে ইরান। পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে বলেছেন, সেতুসহ বেসামরিক স্থাপনায় আঘাত হেনে ইরানিদের আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য করা যাবে না।

এক মাসের বেশি সময় ধরে চলা এই যুদ্ধ বিশ্ব অর্থনীতিকে বিপর্যস্ত করেছে। প্রভাব পড়েছে কয়েক লাখ মানুষের ওপর। যুদ্ধের এ পর্যায়ে এসে উভয়পক্ষ অর্থনৈতিক ও শিল্প এলাকাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু বানাচ্ছে। এতে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। যুদ্ধের প্রভাব রণক্ষেত্রের বাইরেও গভীর হচ্ছে।

ইসরায়েল শুক্রবার জানিয়েছে, দেশটির কয়েকটি স্থান লক্ষ্য করে ইরান একঝাঁক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে। এর মধ্যে একটি ক্লাস্টার ক্ষেপণাস্ত্র লক্ষ্যভ্রষ্ট হওয়ায় কিছু ঘরবাড়ি ও গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, নতুন ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ভূপাতিত করতে তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করা হয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। জরুরি পরিষেবা সংস্থাগুলো জানিয়েছে, একটি ক্ষেপণাস্ত্রের স্প্লিন্টারের আঘাতে তেল আবিবের রেলস্টেশনে কিছু ক্ষতি হয়েছে।

এমন সময়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে হামলা জোরদারের নতুন হুমকি দিয়েছেন। নিজের সামাজিক মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেছেন, ওয়াশিংটন এখনও ইরানের অবশিষ্ট অবকাঠামো ‘ধ্বংস করা শুরুই করেনি। সেতুর পর বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র লক্ষ্যবস্তু বানানো হবে।

সূত্র: তাস

আরএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ