শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬ ।। ২৭ চৈত্র ১৪৩২ ।। ২৩ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় বাংলাদেশি নারী নিহত ১১ এপ্রিল ২০২৬-এর নামাজের সময়সূচি গণরায় অনুযায়ী সংবিধান সংস্কারের দাবি ইসলামী আন্দোলনের ‘গণভোটের রায়ের আলোকে সংবিধান সংস্কারে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে’  ৪০ দিনের যুদ্ধে ইরানের ক্ষয়ক্ষতি প্রায় ১৮ লক্ষ কোটি টাকা মার্কিন কংগ্রেসে জোরালো হচ্ছে ট্রাম্পকে অপসারণের দাবি দৌলতদিয়ায় বাসডুবিতে নিহত ২৬ জনের স্মরণে দোয়া অনুষ্ঠিত গণভোটের রায় দ্রুত কার্যকর না হলে রাজপথে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে: মাওলানা জালালুদ্দীন আহমাদ বর্তমান সরকার জুলাই বিপ্লবের চেতনার বহিঃপ্রকাশ: অ্যাটর্নি জেনারেল প্রণয় ভার্মাকে বেলজিয়াম ও ইইউ’র ভারতের রাষ্ট্রদূত নিয়োগ

যুদ্ধে ট্রাম্পকে সাহায্য করবে না ন্যাটো

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যপথ হরমুজ প্রণালি বন্ধ হওয়ার পর চাপ বেড়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের ওপর। ফলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট মিত্র দেশগুলোর কাছে সাহায্য চেয়েছিল। কিন্তু তারা উল্টো অবস্থান নিয়েছে। ন্যাটোও এই যুদ্ধে জড়াতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।

ট্রাম্পের প্রস্তাব প্রত্যাখান করে জার্মান সরকার জানিয়েছে বার্লিন এই যুদ্ধে জড়াবে না। একই সঙ্গে তারা স্পষ্ট করেছে, এই যুদ্ধে ন্যাটোর কোনো ভূমিকা থাকবে না।

জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রেডেরিক মের্ৎসের মুখপাত্র স্টিফেন কর্নলিয়াস সোমবার (১৬ মার্চ) বার্লিনে সাংবাদিকদের বলেন, ‘এই যুদ্ধের সঙ্গে ন্যাটোর কোনো সম্পর্ক নেই। এটি ন্যাটোর যুদ্ধ নয়। ন্যাটো একটি প্রতিরক্ষামূলক জোট, যার কাজ নিজস্ব ভূখণ্ড রক্ষা করা।’

এর আগে রোববার ট্রাম্প ন্যাটো মিত্রদের সতর্ক করে বলেছিলেন, হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তায় সহায়তা না করলে তাদের জন্য ‘খুব খারাপ ভবিষ্যৎ’ অপেক্ষা করছে। তিনি ইউরোপীয় দেশগুলোকে এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ পুনরায় চালু করতে যুক্তরাষ্ট্রকে সহায়তা করার আহ্বান জানান।

তবে জার্মানি জানিয়েছে, যুদ্ধ চলাকালে তারা এ ধরনের কোনো সামরিক উদ্যোগে অংশ নেবে না। কর্নেলিয়াস বলেন, যতদিন এই যুদ্ধ চলবে, ততদিন হরমুজ প্রণালি খোলা রাখার জন্য সামরিকভাবে কোনো উদ্যোগে আমরা অংশ নেব না।

তিনি আরও জানান, এ ধরনের কোনো মিশনে অংশ নেওয়ার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে জার্মানিকে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুরোধ করা হয়েছে—এমন তথ্য তার জানা নেই।

তিনি বলেন, যুদ্ধ শুরুর আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল আমাদের সঙ্গে পরামর্শ করেনি। বরং শুরুতেই ওয়াশিংটন জানিয়ে দিয়েছিল যে ইউরোপের সহায়তা প্রয়োজন নেই।

শুরুতে জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎস যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ইরানবিরোধী হামলার প্রতি অনেক ইউরোপীয় নেতার তুলনায় বেশি সমর্থন জানিয়েছিলেন। যেখানে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোসহ অন্যান্য ইউরোপীয় ইউনিয়ন নেতারা এসব হামলাকে অবৈধ বলে নিন্দা জানান। সেখানে মের্ৎস ওয়াশিংটনে গিয়ে ট্রাম্পের সঙ্গে ‘একই অবস্থানে’ থাকার কথা বলেছিলেন।

তবে যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়া এবং ইউরোপের বৃহত্তম অর্থনীতি জার্মানির ওপর এর অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তাগত প্রভাব স্পষ্ট হতে শুরু করায় মের্ৎস এখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের এই হামলার সমালোচনায় আরও সরব হয়েছেন। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, পারস্য উপসাগরের এই সংঘাত থেকে বের হওয়ার জন্য ট্রাম্পের কোনো সুস্পষ্ট কৌশল নেই।

 এমএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ