শনিবার, ০১ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ১৮ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
রাজধানীর পরিচ্ছন্নতা দেখতে নিজেই গাড়ি চালিয়ে সড়ক পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর ডেঙ্গুতে আরও একজনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৫৩ রুপসায় ইসলামী আন্দোলনের তৃণমূল প্রতিনিধি সম্মেলন অনুষ্ঠিত বিশ্ববাজারে আরও কমলো স্বর্ণের দাম ‘বন্দে মাতরম বাধ্যতামূলক করা ধর্মীয় ও সাংবিধানিক স্বাধীনতার পরিপন্থী’ মানুষ গড়ার প্রথম প্রতিষ্ঠান মসজিদ: মিসরের গ্র্যান্ড মুফতি সড়কে প্রাণ হারানো কুরআন শিক্ষা বোর্ড কর্মকর্তার জানাজা ও দাফন সম্পন্ন নোয়াখালীতে ইসলামি মহাসমাবেশ কাল, অতিথির তালিকায় রয়েছেন যাঁরা মেলায় আল-ওয়াসির আকর্ষণীয় অফার, প্রি-রেজিস্ট্রেশনেই মিলছে বিশেষ গিফট বক্স ‘জুলাইয়ের রক্তের সঙ্গে গাদ্দারি সরকারের জন্য শুভকর হবে না’

‘আমি তোমাদের মায়ের বয়সী’ বলে কাঁদলেও ধর্ষণ থেকে রেহাই পাননি সুদানি নারী

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

সুদানের প্যারামিলিটারি আরএসএফের ভয়াবহতার চিত্র দিনে দিনে আরও ফুটে উঠছে। গত সপ্তাহে দেশটির দারফুর অঞ্চলের আল-ফাশার শহর দখলের সেখানে সব ধরনের নৃশংসতা চালিয়েছে তারা।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরাকে এক নারী জানিয়েছেন, যখন আরএসএফ তার শহরে আসেন তখন নিজের ছেলেদের খুঁজতে বের হন তিনি। তখন তাকে একটি রুমে নিয়ে যায় আরএসএফের ফাইটাররা। তার ওপর ওই সময় যৌন নিপীড়ন চালায় তারা। নিপীড়ন থেকে বাঁচতে নিজেকে মায়ের বয়সী হিসেবে অভিহিত করেও রক্ষা পাননি তিনি। তার ওপর চালানো হয় পাশবিকতা।

বর্তমানে সুদানের উত্তরাঞ্চলের আল দাব্বাহ একটি শরণার্থী ক্যাম্পে আছেন তিনি।

নিরাপত্তার স্বার্থে নাম গোপন রাখা এ নারী বলেন, “আরএসএফ যখন সেনাবাহিনীর হেডকোয়ার্টার দখল করে আমি মেয়েদের ঘরে রেখে ছেলেদের খুঁজতে বাইরে বের হই। আরএসএফ আমাকে আটকে জিজ্ঞেস করে আমি কোথায় যাচ্ছি। আমি তাদের জানাই, আমার ছেলেদের খুঁজছি। তারা আমাকে জোর করে একটি বাড়িতে নিয়ে সেখানে যৌন নিপীড়ন শুরু করে। আমি তাদের বলি আমি তাদের মায়ের বয়সী। আমি শুধু কেঁদেছি।”

যে ছেলেদের খুঁজতে গিয়ে বেরিয়ে যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েছেন। তাদের তিনি আর খুঁজে পাননি। ছেলেরা কোথায় আছে এখন পর্যন্ত তা জানেন না।

“নিপীড়নের পর তারা আমাকে যেতে দেয়। আমি তখন মেয়েদের নিয়ে পালিয়ে যাই। ছেলেদের সেখানেই রেখে এসেছি। তারা এখন কোথায় আছি আমি তা জানি না।”

“আরএসএফের বাধা পার হওয়া পর্যন্ত আমরা শুধু মরদেহ দেখেছি। এরপর এল-ফাশারের বাইরের একটি ছোট গ্রামে গিয়ে পৌঁছাই।”— বলেন এ নারী।

এল-ফাশারে হাজার হাজার মানুষকে হত্যার পাশাপাশি অনেক নারীকে তারা ধর্ষণ করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

সূত্র: আলজাজিরা

এনএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ