বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬ ।। ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ১৫ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
কওমি মাদরাসাবিরোধী অপপ্রচারে করণীয় নির্ধারণে কাল হাইআতুল উলয়ার জরুরি সভা বন্যার্তদের পাশে মাওলানা বদরুদ্দিন আজমল, দিচ্ছেন স্বাস্থ্যসেবা কওমি মাদরাসার বিরুদ্ধে অপপ্রচারের নিন্দা, অপরাধ প্রমাণিত হলে শাস্তির দাবি হেফাজতের মিসওয়াকের গুরুত্ব ও ফজিলত জুলাই সনদের আলোকে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হবে: গাজী আতাউর রহমান কওমি মাদরাসার ভাবমূর্তি রক্ষায় শায়খ আহমাদুল্লাহর ছয় দফা সংস্কার প্রস্তাব রাতের মধ্যে দেশের ১৩ অঞ্চলে ঝড়ের শঙ্কা  মাদরাসায় শৃঙ্খলা ও নৈতিকতা নিশ্চিতে বেফাকের একগুচ্ছ জরুরি নির্দেশনা নেত্রকোনায় সমাজসেবা ভবনের লিফটে আটকা পড়া ৭ শিক্ষার্থীকে উদ্ধার সরকারি হজ গাইড নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি, আবেদন করা যাবে ৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত

সেনাবাহিনীর সঙ্গে সংলাপের নির্দেশ ইমরান খানের

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ফাইল ছবি

গত বছরের ৯ মে সংঘটিত তাণ্ডবের জন্য ইমরান খানকে ক্ষমা প্রার্থনার আহ্বান জানিয়েছে পাকিস্তানের সেনাবাহিনী। ইমরান খান ক্ষমা চাইতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। তবে দেশে বিদ্যমান রাজনৈতিক সংকট নিরসনে সেনাবাহিনীর সঙ্গে দলের নেতাদের আলোচনায় বসার নির্দেশনা দিয়েছেন।

পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও তেহরিক–ই–ইনসাফ (পিটিআই) দলের প্রতিষ্ঠাতা ইমরান খানকে গ্রেফতারের এক বছর পালন করেছে দলটি। বৃহস্পতিবারের ওই কর্মসূচিতে বড় ধরনের জমায়েত দেখাতে ব্যর্থ হয়েছে পিটিআই। এ পরিস্থিতিতে সেনাবাহিনীর সঙ্গে আলোচনার নির্দেশনা দিয়েছেন ইমরান খান।

রাওয়ালপিন্ডির আদিয়ালা কারাগারে ইমরান খানের সঙ্গে সাক্ষাতের পর পিটিআই নেতাদের ডাকা এক সংবাদ সম্মেলনে আরিফ আলভিকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়ার কথা জানানো হয়। ওই সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পরিষদের বিরোধী দলের নেতা ওমর আয়উব, পিটিআই মুখপাত্র রউফ হাসান প্রমুখ।

সূত্রের খবর, পিটিআই প্রধান ইমরান খান পাকিস্তানের সাবেক প্রেসিডেন্ট ও পিটিআই নেতা আরিফ আলভিকে আলোচনার মাধ্যমে সবকিছু ঠিকঠাক করার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছেন ।

পিটিআই ইমরানের দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সম্পর্কে বিস্তারিত জানায়নি। তবে সাবেক প্রেসিডেন্ট সম্প্রতি ইমারন খান ও দেশটির সেনাবাহিনীর মধ্যে বিদ্যমান দূরত্ব দূর করার চেষ্টা করেছেন। আরিফ আলভি বলেছেন, আলোচনা হতে হবে। তিনি দাবি করেন, বর্তমান শাসক জোটে থাকা রাজনৈতিক দলগুলোর প্রকৃতপক্ষে কোনো ক্ষমতা নেই।

ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা না করে অন্য কারও সঙ্গে আলোচনার প্রসঙ্গে সাবেক প্রেসিডেন্ট বলেন, পাকিস্তানে কে বেশি ক্ষমতাধর, তা আপনারা জানেন। এসব রাজনৈতিক দল নির্বাচনী জালিয়াতিতে জড়িত ছিল। সরকারে তাদের কিছু করারও নেই।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচনে ভোট চুরির সুবিধাভোগী হচ্ছে পিএমএল–এন, পিপিপি ও মুত্তাহিদা কওমি মুভমেন্ট।

আরিফ আলভি আরও বলেন, এর আগেও তিনি সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করেছিলেন। এবারও দেশের স্বার্থে তিনি একই কাজ করবেন।

এনএ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ