শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬ ।। ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৬ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় স্বাস্থ্য অধিদফতরের জরুরি নির্দেশনা বন্যা দুর্গতদের পাশে দাঁড়ানো ঈমানি ও মানবিক দায়িত্ব: আমিরে মজলিস শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়মবহির্ভূত কার্যক্রম বরদাশত করা হবে না: শিক্ষামন্ত্রী বন্যার্তদের পাশে দাঁড়াতে খেলাফত আন্দোলনের আহ্বান গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বদের নিয়ে আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের ‘মিডিয়া কানেক্ট সামিট’ চট্টগ্রাম বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষা ১৬ জুলাই পর্যন্ত স্থগিত দাওরায়ে হাদিস পরীক্ষার নিবন্ধন শুরু ৪ আগস্ট ‘জমিয়ত কোনো বিদেশি প্রভুর গোলামি করে না’ লালমনিরহাটে ট্রেনের ধাক্কায় গৃহবধূর মৃত্যু ‘নারী শিক্ষার উন্নয়নে মহিলা মাদরাসার অবদান’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

বেফাকের পাঠ্যক্রমে শাপলার গণহত্যা অন্তর্ভুক্তির দাবি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

কওমি মাদরাসাসমূহে ২০১৩ সালের ৫ মে সংঘটিত শাপলা গণহত্যার ইতিহাস পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করা এবং এ বিষয়ে নিয়মিত আলোচনা ও স্মরণানুষ্ঠানের আয়োজনের দাবিতে বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশের কাছে স্মারকলিপি পেশ করেছে শাপলা স্মৃতি সংসদ।

বুধবার (৬ মে) দেওয়া স্মারকলিপিতে বলা হয়, ৫ মে শাপলা চত্বরে সংঘটিত ঘটনা বাংলাদেশের জাতীয় ইতিহাসের এক বেদনাবিধুর অধ্যায়। এতে অসংখ্য নিরস্ত্র আলেম-ওলামা, তালিবে ইলম ও সাধারণ মুসল্লি হতাহত হন। কিন্তু এই গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাটি এখনো প্রাতিষ্ঠানিকভাবে সংরক্ষণ ও পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভুক্তির উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি, যা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি বড় শূন্যতা তৈরি করছে।

স্মারকলিপিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ধর্মীয় মূল্যবোধ, ঈমান-আকীদা এবং মহানবী (সা.)-এর সম্মান ও মর্যাদা রক্ষার দাবিতে দেশব্যাপী ধর্মপ্রাণ মানুষ শাপলা চত্বরে সমবেত হয়েছিলেন। অংশগ্রহণকারীদের নিকট এটি ছিল শান্তিপূর্ণ অবস্থান ও নবীপ্রেমের বাস্তব বহিঃপ্রকাশ। পরবর্তীতে সংঘটিত ঘটনাবলী জাতীয় জীবনে গভীর প্রভাব ফেলেছে, যার নিরপেক্ষ ও প্রামাণ্য মূল্যায়ন সময়ের দাবি।

শাপলা স্মৃতি সংসদ মনে করে, কওমি মাদ্রাসা শুধু ধর্মীয় শিক্ষার কেন্দ্র নয়, বরং ইতিহাস, চেতনা ও মূল্যবোধ সংরক্ষণেরও গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। তাই শাপলা গণহত্যার ইতিহাস পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করা হলে শিক্ষার্থীরা একটি গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় ঘটনার প্রেক্ষাপট, তাৎপর্য ও শিক্ষা সম্পর্কে সম্যক ধারণা লাভ করবে এবং তাদের মাঝে ন্যায়বোধ ও দায়িত্বশীল নাগরিকত্ব বিকশিত হবে।

স্মারকলিপিতে দুটি প্রধান দাবি উত্থাপন করা হয়—

(১) শাপলা গণহত্যার একটি নিরপেক্ষ, তথ্যভিত্তিক ও প্রামাণ্য ইতিহাস কওমি মাদ্রাসার পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করা।

(২) প্রতি বছর মে মাসে দেশের সকল কওমি মাদ্রাসায় আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল ও স্মরণানুষ্ঠানের আয়োজন নিশ্চিত করা।

শাপলা স্মৃতি সংসদের চেয়ারম্যান মাওলানা মুহাম্মাদ মা মুনুল হক স্বাক্ষরিত এই স্মারকলিপিটি বেফাক কার্যালয়ে প্রধান পরিচালক মাওলানা উবায়দুর রহমান খান নদভীর কাছে হস্তান্তর করেন সংগঠনের নির্বাহী সভাপতি মাওলানা আবুল হাসানাত জালালী ও সহ-সভাপতি মাওলানা ইলিয়াস হামিদী।

সংগঠনের নেতৃবৃন্দ আশা প্রকাশ করেন, বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশের প্রজ্ঞাময় নেতৃত্ব এই দাবিসমূহ গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করবে।

আরএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ