শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬ ।। ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৬ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় স্বাস্থ্য অধিদফতরের জরুরি নির্দেশনা বন্যা দুর্গতদের পাশে দাঁড়ানো ঈমানি ও মানবিক দায়িত্ব: আমিরে মজলিস শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়মবহির্ভূত কার্যক্রম বরদাশত করা হবে না: শিক্ষামন্ত্রী বন্যার্তদের পাশে দাঁড়াতে খেলাফত আন্দোলনের আহ্বান গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বদের নিয়ে আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের ‘মিডিয়া কানেক্ট সামিট’ চট্টগ্রাম বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষা ১৬ জুলাই পর্যন্ত স্থগিত দাওরায়ে হাদিস পরীক্ষার নিবন্ধন শুরু ৪ আগস্ট ‘জমিয়ত কোনো বিদেশি প্রভুর গোলামি করে না’ লালমনিরহাটে ট্রেনের ধাক্কায় গৃহবধূর মৃত্যু ‘নারী শিক্ষার উন্নয়নে মহিলা মাদরাসার অবদান’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

নকলমুক্ত দাখিল পরীক্ষা আয়োজনে কঠোর হওয়ার ঘোষণা মাদরাসা বোর্ডের

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহিত

আসন্ন দাখিল পরীক্ষা সুষ্ঠু, সুন্দর ও নকলমুক্ত করতে কঠোর অবস্থানে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড।

সোমবার (৬ এপ্রিল) বোর্ডের পক্ষ থেকে দাখিল পরীক্ষা আয়োজন নিয়ে নতুন নীতিমালায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড আইন, ২০২০-এর আলোকে এই নতুন নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে। এবারের পরীক্ষা পূর্ববর্তী সংক্ষিপ্ত সিলেবাসের পরিবর্তে পূর্ণাঙ্গ সিলেবাসে, পূর্ণ সময়ে এবং পূর্ণ নম্বরে অনুষ্ঠিত। বোর্ড অনুমোদিত মাদ্রাসা থেকে দশম শ্রেণির শিক্ষাক্রম সম্পন্ন করা এবং নিয়মিত রেজিস্ট্রেশনপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরাই পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে।

তবে রেজিস্ট্রেশনের তথ্যের সঙ্গে ফরম পূরণের তথ্যে কোনো গরমিল থাকলে পরীক্ষার্থী ও প্রতিষ্ঠান প্রধান দায়ী থাকবেন। নিয়মিত পরীক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে পরীক্ষার বছরের ১ জানুয়ারি ন্যূনতম বয়স হতে হবে ১৪ বছর এবং সর্বোচ্চ ২০ বছর। অনিয়মিত পরীক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে রেজিস্ট্রেশনের মেয়াদ থাকা সাপেক্ষে বয়স শিথিলযোগ্য থাকবে বলেও জানানো হয়েছে।

পরীক্ষা কেন্দ্রের নির্দেশনা ও নিরাপত্তার বিষয়ে নতুন নীতিমালায় বলা হয়েছে, বোর্ড নির্ধারিত কেন্দ্রগুলোতে ঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। কেন্দ্রের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে পরীক্ষার সময় চারপাশের ১০০ গজের মধ্যে ১৪৪ ধারা জারি থাকবে। পরীক্ষার্থীরা সাধারণ সায়েন্টিফিক ক্যালকুলেটর ব্যবহার করতে পারলেও প্রোগ্রামিং ক্যালকুলেটর বা কোনো ইলেকট্রনিক ডিভাইস সঙ্গে রাখতে পারবে না। এছাড়া প্রতিটি কেন্দ্রে অন্তত একজন মহিলা ইনভেজিলেটর থাকা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন পরীক্ষার্থীদের জন্যও সুযোগ রাখা হয়েছে নীতিমালা অনুযায়ী, দৃষ্টি বা শারীরিক প্রতিবন্ধী এবং যাদের হাত নেই, এমন পরীক্ষার্থীরা স্ক্রাইব বা শ্রুতিলেখকের সহায়তা নিতে পারবে। এক্ষেত্রে বোর্ড থেকে পূর্বানুমতি সাপেক্ষে তারা অতিরিক্ত ২০ মিনিট সময় পাবে। অন্যদিকে, অটিস্টিক বা বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের জন্য নির্ধারিত সময়ের চেয়ে অতিরিক্ত ১০ শতাংশ (অর্থাৎ ৩ ঘণ্টার পরীক্ষায় ৩০ মিনিট) সময় বরাদ্দ করা হয়েছে।

বোর্ড জানিয়েছে, পরীক্ষার পর উত্তরপত্র ও ওএমআর শিট প্রেরণে কঠোর গোপনীয়তা বজায় রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ওএমআর শিটগুলো হলুদ রঙের কাপড়ে মুড়িয়ে সিলগালা করে বোর্ডে পাঠাতে হবে। ঢাকা মহানগরীর কেন্দ্রগুলোর ক্ষেত্রে উত্তরপত্র ও অন্যান্য নথিপত্র পরীক্ষার দিনই সরাসরি বোর্ডে জমা দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে, সুষ্ঠু ও নকলমুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা নিশ্চিত করতে কেন্দ্র সচিব ও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের নিয়মিত প্রশিক্ষণ প্রদান এবং মনিটরিং কার্যক্রম জোরদার করার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

এছাড়া পরীক্ষার্থীদের নির্ধারিত সময়ের অন্তত ৩০ মিনিট আগে নিজ নিজ আসনে উপস্থিত থাকতে হবে বলেও নির্দেশনায় বলা হয়েছে।

জেডএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ