সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬ ।। ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৮ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক ২০ জুলাই মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানে ‘জুলাই শহীদ দিবস’ পালনের নির্দেশ শিশুদের মতো আদর-যত্নে গাছের পরিচর্যার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর  কুমিল্লা জেলার দ্বীনিয়াত মুআল্লিম জোড় সম্পন্ন কেন্দ্রীয় নূরানী তালীমুল কুরআন মাদরাসার উস্তাদ আব্দুল জলিলের ইন্তেকাল ইউরোপে তীব্র তাপপ্রবাহে এক সপ্তাহে ১০ হাজার মৃত্যু বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ সহায়তা নিয়ে পাশে থাকার আহ্বান জাতীয় ইমাম পরিষদের ‘বিএনপির সঙ্গে সমঝোতা ছিল দেশের স্বার্থে, পদ-পদবি পাওয়ার জন্য নয়’ সন্ধ্যার মধ্যে ১৯ জেলায় ঝড়ের শঙ্কা  মুসলিম আন্দালুসের কৃষি বিপ্লব: স্বর্ণযুগের গৌরবগাথা

মাদরাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ, সরেজমিনে তদন্তে বেফাক

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: বিশেষ প্রতিনিধি

নেত্রকোণার মদন উপজেলায় এক মাদরাসাছাত্রীকে ধর্ষণ এবং তাকে অন্তঃসত্ত্বা করার অভিযোগ উঠেছে ওই মাদরাসার শিক্ষক আমান উল্লাহ সাগরের বিরুদ্ধে। ইতোমধ্যে তাকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। দেশজুড়ে তোলপাড় করা এই ঘটনাটি তদন্ত করছে কওমি মাদরাসা শিক্ষাবোর্ড বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশ। ইতোমধ্যে একটি তদন্ত কমিটি করা হয়েছে এবং সেই কমিটি সরেজমিনে তদন্ত কাজ শুরু করেছে।

বুধবার (৬ এপ্রিল) সকালে বেফাকের নেত্রকোনা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আব্দুল কাইয়ুমের নেতৃত্বে তদন্ত কমিটির সদস্যরা সরেজমিনে তদন্তে যান। সেখানে তারা ভিকটিম মাদরাসা শিক্ষার্থী, তার পরিবারের সদস্য, আশপাশের ব্যক্তিবর্গ এবং অভিযুক্ত শিক্ষকের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন।

প্রাথমিক তদন্ত শেষে মাওলানা আব্দুল কাইয়ুম এক ব্রিফিংয়ে বলেন, আমরা অভিযুক্ত এবং ভিকটিম দুই পরিবারের সঙ্গেই কথা বলেছি। ভিকটিম পরিবারের সদস্যরা ওই মাদরাসা শিক্ষককে দায়ী করছেন, কিন্তু অভিযুক্ত ব্যক্তির পরিবারের সদস্যরা তা অস্বীকার করছেন। এজন্য আমরা এখনই কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছতে পারছি না। আমরা বিষয়টি ডিএনএ টেস্ট করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সরকারের প্রতি জোর দাবি জানাচ্ছি।

 নেত্রকোনার বিশিষ্ট আলেম মাওলানা আব্দুল কাইয়ুম বলেন, অভিযুক্ত মাদরাসা শিক্ষক প্রকৃত অর্থে দায়ী হলে তার সর্বোচ্চ শাস্তি হোক সেটা আমরা চাই। আর ঘটনা সত্য না হলে মাদরাসার বিরুদ্ধে কারা এভাবে অপপ্রচার চালিয়েছে তাদেরও আমরা বিচার চাই।

তিনি জানান, তারা তদন্ত প্রতিবেদন প্রস্তুত করছেন। সেই প্রতিবেদন বেফাকে জমা দেবেন।  

এর আগে বুধবার (৬ মে) ভোর ৪টার দিকে ময়মনসিংহের গৌরীপুর থেকে ব্যার-১৪ এর একটি অভিযানিক দল অভিযুক্ত মাদরাসা ছাত্রকে গ্রেপ্তার করে।

স্থানীয় বাসিন্দা, এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত শিক্ষক প্রায় চার বছর আগে একটি মহিলা কওমি মাদরাসা প্রতিষ্ঠা করেন। ভুক্তভোগী শিশুটি নানার বাড়িতে থেকে সেখানে পড়াশোনা করত। তার বাবা পরিবার ছেড়ে চলে যাওয়ায় জীবিকার জন্য মা সিলেটে একটি বাসায় গৃহকর্মীর কাজ করতেন। সম্প্রতি শিশুটির শারীরিক অসুস্থতা ও পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়। বিষয়টি জানার পর তার মা সিলেট থেকে এসে মেয়ের সঙ্গে কথা বলে ঘটনার বিষয়ে অবগত হন। পরে গত ১৮ এপ্রিল শিশুটিকে মদন উপজেলা শহরের একটি ক্লিনিকে নেওয়া হলে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসক তাকে অন্তঃসত্ত্বা বলে নিশ্চিত করেন। এ ঘটনায় শিশুটির মা গত বৃহস্পতিবার থানায় মামলা দায়ের করেন। এরপর থেকেই অভিযুক্ত মাদরাসা শিক্ষককে গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অভিযান চালিয়ে আসছিল।

জেডএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ