শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬ ।। ২৮ চৈত্র ১৪৩২ ।। ২৩ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
বিশ্বের সেরা ও সবচেয়ে মধুর তেল যুক্তরাষ্ট্রের, দাবি ট্রাম্পের ইরানের জব্দ করা সম্পদ ফেরত দিতে অস্বীকার যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্মীপুরে অটোচালক হত্যায় গ্রেফতার ৩ যুবক  অবশেষে ইসলামাবাদে আলোচনার টেবিলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান ‘অন্যায়-দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দিলে পার্লামেন্টে মারামারি শুরু হবে’ খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা অধিবেশন অনুষ্ঠিত হামলায় বিকৃত হয়ে গেছে মোজতবা খামেনির মুখমণ্ডল! হাজিদের সেবায় সুনাম কুড়াচ্ছে আল-মিনহাজ হজ ট্রাভেলস পশ্চিমবঙ্গের মুসলিমরা আবেগ নয়, বাস্তবতাকে প্রাধান্য দিন ১৯৭৯ সালের পর ওয়াশিংটন-তেহরানের প্রথম উচ্চপর্যায়ের বৈঠক আজ, কী হতে চলেছে ইসলামাবাদে?

সাগরে ভাসমান গুদাম বানিয়ে রমজানের পণ্যে মূল্যবৃদ্ধির চেষ্টা, দুদকের অভিযান

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আসন্ন রমজান মাসকে কেন্দ্র করে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি ও মূল্যবৃদ্ধির অভিযোগে চট্টগ্রাম বন্দরে অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। 

সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) দুদক জেলা কার্যালয় চট্টগ্রাম-১ এর একটি এনফোর্সমেন্ট টিম চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষে এ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে নেতৃত্ব দেন দুদকের সহকারী পরিচালক সাঈদ মোহাম্মদ ইমরান হোসেন।

দুদক জানায়, অসাধু আমদানিকারকরা ইচ্ছাকৃতভাবে দীর্ঘদিন ধরে লাইটার জাহাজ থেকে পণ্য খালাস না করে নদী ও সমুদ্রে ভাসমান গুদাম হিসেবে জাহাজ ব্যবহার করছেন। এর মাধ্যমে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে নিত্যপণ্যের দাম বাড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। অভিযানকালে এনফোর্সমেন্ট টিমের চেয়ারম্যান চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সংশ্লিষ্ট দপ্তরে উপস্থিত হয়ে অভিযোগ-সংক্রান্ত বিভিন্ন রেকর্ডপত্র সংগ্রহ ও যাচাই-বাছাই করেন।

চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর ও আশপাশের এলাকা থেকে স্বচ্ছ, নির্বিঘ্ন ও সুশৃঙ্খলভাবে পণ্য পরিবহন নিশ্চিত করতে লোকাল এজেন্ট ও পণ্যের এজেন্টদের আইনি কাঠামোর আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে নৌপরিবহন অধিদপ্তরের অনাপত্তি সনদ ছাড়া কোনো লোকাল এজেন্ট বা পণ্যের এজেন্ট যেন চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর ব্যবহার করে পণ্য পরিবহনের কাজে যুক্ত থাকতে না পারে—সে বিষয়ে নৌপরিবহন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক গত বছরের ৯ সেপ্টেম্বর বন্দর কর্তৃপক্ষকে একটি অফিসিয়াল পত্র জারি করেন।

তবে দুদকের এনফোর্সমেন্ট টিমকে নৌপরিবহন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক নিশ্চিত করেছেন যে, ওই নির্দেশনার আলোকে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ এখনো অনাপত্তি সনদ গ্রহণ করছে না। এ বিষয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষ যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে কি না, তা যাচাই করতে ডেপুটি ট্রাফিক ম্যানেজার (অপারেশন), হারবার মাস্টার এবং ডেপুটি কনজারভেটর দপ্তরের বক্তব্য গ্রহণ করা হয়। তাছাড়া পণ্য পরিবহনে লাইটারেজ জাহাজের নিয়ন্ত্রণ ও তদারকিতে বিদ্যমান অস্পষ্টতা সম্পর্কে আইন ও বিধির আলোকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে।

দুদক চট্টগ্রামের উপ-পরিচালক সুবেল আহমেদ জানান, সংগৃহীত রেকর্ডপত্র ও বক্তব্য পর্যালোচনা করে অভিযোগের বিষয়টি যাচাই-বাছাই শেষে এনফোর্সমেন্ট টিম দ্রুত সময়ের মধ্যে কমিশনের কাছে একটি প্রতিবেদন দাখিল করবে।

 এমএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ