শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬ ।। ২৮ চৈত্র ১৪৩২ ।। ২৩ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় বাংলাদেশি নারী নিহত ১১ এপ্রিল ২০২৬-এর নামাজের সময়সূচি গণরায় অনুযায়ী সংবিধান সংস্কারের দাবি ইসলামী আন্দোলনের ‘গণভোটের রায়ের আলোকে সংবিধান সংস্কারে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে’  ৪০ দিনের যুদ্ধে ইরানের ক্ষয়ক্ষতি প্রায় ১৮ লক্ষ কোটি টাকা মার্কিন কংগ্রেসে জোরালো হচ্ছে ট্রাম্পকে অপসারণের দাবি দৌলতদিয়ায় বাসডুবিতে নিহত ২৬ জনের স্মরণে দোয়া অনুষ্ঠিত গণভোটের রায় দ্রুত কার্যকর না হলে রাজপথে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে: মাওলানা জালালুদ্দীন আহমাদ বর্তমান সরকার জুলাই বিপ্লবের চেতনার বহিঃপ্রকাশ: অ্যাটর্নি জেনারেল প্রণয় ভার্মাকে বেলজিয়াম ও ইইউ’র ভারতের রাষ্ট্রদূত নিয়োগ

সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা সম্ভাব্য সময় জানালেন তথ্যমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: আগামী অক্টোবর মাসে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হতে পারে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। তিনি বলেছেন, চলতি বছরের শেষে অথবা আগামী বছরের শুরুতে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন হবে। সে হিসেবে অক্টোবরে তফসিল ঘোষণা হতে পারে।

মঙ্গলবার (২ মে) সচিবালয়ে বাংলাদেশ সংবাদপত্র শ্রমিক ফেডারেশন ও প্রেস ওয়ার্কার্স ফেডারেশনের নেতা ও সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে এসব তথ্য দেন তিনি।

২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন হয়েছিল। সংবিধান অনুযায়ী ২০২৩ সালের ২৮ অক্টোবর থেকে ২০২৪ সালের ৩০ জানুয়ারির মধ্যে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে নির্বাচন কমিশনের। আগামী বছরের ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহ অথবা জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে ভোটের সম্ভাব্য সময় ধরে প্রস্তুতি নেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর।

সব দলকে নির্বাচনে আনতে ইসি জোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু বিএনপিসহ বিরোধীজোটের দাবি তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া তারা ভোটে অংশ নেবে না। অন্যদিকে আওয়ামী লীগের নেতারা বলছেন তত্ত্বাবধায়কের অধীনে নির্বাচন হবে না। সংবিধান অনুযায়ীই নির্বাচন হবে।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে তথ্যমন্ত্রী সংসদ নির্বাচনের বিষয় নিয়ে কথা বলেন। তিনি বলেন, চলতি বছরের শেষে অথবা আগামী বছরের শুরুতে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন হবে। সে হিসেবে অক্টোবরে তফসিল ঘোষণা হতে পারে।

সংবাদপত্র শ্রমিক ফেডারেশন ও প্রেস ওয়ার্কার্স ফেডারেশনের ৯ দফা দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, তাদের অনেকগুলো দাবি যৌক্তিক এবং দ্রুত সময়ে নিষ্পত্তি সম্ভব। এর মধ্যে নিয়মিত বেতন-ভাতা না দেওয়া এবং বিনা নোটিশে চাকরিচ্যুত, বিভিন্ন প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা– এই দাবিগুলো দ্রুত সময়ে মেনে নেওয়া সম্ভব। এজন্য আমার মন্ত্রণালয়ের মনিটরিং কমিটিকে কোন‌ সংবাদপত্রে নিয়মিত বেতন দেওয়া হয় না তার একটি প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য নির্দেশ দেব। তাদের প্রতিবেদনের পর সংবাদপত্র কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে তাদের দাবি-দাওয়াগুলো পূরণ করার আশ্বাস দেন‌ মন্ত্রী।

এসময় সংবাদপত্র শ্রমিক ফেডারেশন সভাপতি মতিউর রহমান তালুকদার ও‌ সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেনসহ কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

কেএল/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ