মোঃ খালেদ সাইফুল্লাহ ।।
কোনো জিনিস ও কর্মে ভয় পাওয়াকে ‘ফোবিয়া' বলা হয়। উদাহরণস্বরূপ কোন ব্যক্তি, যার পানিভীতি রয়েছে- তার জন্য হাইড্রোফোবিয়া পরিভাষা ব্যবহৃত হয়। তেমনি একটি পরিভাষা হলো ইসলামোফোবিয়া। ‘ফোবিয়া' (phobia) ভয়, ডর এবং ঘৃণা পোষণকে বলে। এটা অযৌক্তিক এবং বিবেকের অসুস্থ চিন্তার নাম।
যেটা ভীতি, অনাকাঙ্ক্ষা এবং ঘৃণায় ভরপুর। যখন ‘ফোবিয়া' শব্দকে ইসলামের সাথে জুড়ে দেয়া হয়; তখন তার অন্তঃস্থিত অর্থ দাঁড়ায়- ‘ইসলামভীতি বা ইসলামবিদ্বেষ বা মুসলিম-বিরোধী মনোভাব, ইংরেজি: Islamophobia বা anti-Muslim sentiment হলো নিন্দার্থে বা ব্যাঙ্গার্থে ব্যবহৃত একটি রাজনৈতিক শব্দ যার অর্থ- ইসলামকে ভয় করা।
এর দ্বারা মূলত ইসলাম ও মুসলিমদের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করাকেই বোঝানো হয়। ইসলামের বাস্তবিক দৃশ্যকে পাল্টে দিয়ে মুসলমানদের বদনাম করা। তাদের হেয় প্রতিপন্ন করে মূর্খ বা দুর্ধর্ষরূপে উপস্থাপন করে ভীতির সঞ্চার করা এবং মানসিক ও মনোজাগতিক দিক থেকে তাদের পেরেশান করা। কঠোরতার নিশানা বানানো। মসজিদ ও ইসলামি ঐতিহ্যগুলোর ওপর হামলা করা। মুসলিমদের পোশাকের ওপর ট্যাগ লাগানো ইত্যাদি।
ইসলামিক সহযোগী সংগঠন (OIC) ইসলামোফোবিয়াকে এমনভাবে সংজ্ঞায়িত করেছে যে, ইসলামের বিপরীতে অযৌক্তিক, আঘাতস্বর্বস্ব এবং কঠিন অপ্রীতিকর প্রকাশের নাম- ‘ইসলামোফোবিয়া'। তেমনিভাবে ইসলামোফোবিয়া বাহানায় মুসলমানদের আত্মিক, সামাজিক এবং সভ্যতার দৃষ্টিকোণ থেকে হয়রানি করা।
ইসলাম মান্যকারীদের দেশ ও জাতির ঐচ্ছিক-সামাজিক-রাজনৈতিক এবং দৈনন্দিন জীবনে প্রত্যেককে কর্তৃত্বহীন করাও অন্তর্ভুক্ত। পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে মুসলিম সংখ্যালঘুদের সাথে কার্যত এমন আচরণই করা হচ্ছে, এমনকি সংখ্যা গরিষ্ঠ দেশেও এমন নজির কম নয়।
বিশ্বে শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষায় প্রতিনিয়ত নিত্যনতুন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হয়। একই সমস্যা যখন প্রাচ্য থেকে পাশ্চাত্যে পর্যন্ত, হোক মাত্রায় কম বা বেশি, তখন সমস্যাটি বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়ে সমন্বিত ভাবে মোকাবিলা করা দরকার। আমরা ভূলে যাইনি ২০১৯ সালের ১৫ মার্চ বন্দুকধারী কর্তৃক নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চের দুই মসজিদে নৃশংস হামলার ঘটনায় ৫১ জন নিহত ও ৪০ জন আহত হওয়ার ঘটনা।
যার মূলে ছিল ইসলাম বিদ্বেষি মনোভাব। হামলাকারী ইসলামফোবিক এবং শ্বেতাঙ্à¦