মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
দিন শেষ হয়ে এলে  এইচএসসির ফল প্রকাশের সম্ভাব্য সময় ২৫–২৯ অক্টোবর টঙ্গীতে ২৪ ঘণ্টায় পানিতে ডুবে সহোদরসহ ৪ শিশুর মৃত্যু   সৌদি আরবে বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার আহ্বান দূতাবাসের মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বসে থাকবে না বাংলাদেশ: শামা ওবায়েদ রিয়াদে হামলার নিন্দা, ওমরাহযাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের আহ্বান আমিরে মজলিসের উচ্চস্বরে আজানের অভিযোগে ভারতে মুয়াজ্জিন গ্রেপ্তার, মাইক জব্দ উগ্রবাদ মোকাবিলায় শুধু নিন্দা নয়, সচেতন মন গঠন জরুরি: মিসরের গ্র্যান্ড মুফতি পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল ১ হাজার ৪৪ ভরি স্বর্ণ, ১ হাজার ৮৮ ভরি রুপা মদিনায় ইফতার সরবরাহে ক্যাটারিং প্রতিষ্ঠানের আবেদন আহ্বান

তাস খেলার বিষয়ে দেওবন্দের ফতোয়া

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মোস্তফা ওয়াদুদ: প্রচার আছে, ৫২ কার্ডের ৫৩ রকম খেলা। যেটাকে বাংলাতে বলে তাস খেলা। এর আবার অনেক ধরনের নাম আছে। যেমন: ইটালিয়ান, কলব্রিজ, ডাক, পার্টনারশিপ, ২৯, মঙ্গুশ ইত্যাদি। সমাজের বেকার যুবকরা সাধারণত এসব খেলা বেশি খেলে থাকে। এটাকে জুয়া খেলাও বলে। কেননা কেউ কেউ এসব খেলার মাঝে বাজী ধরেন। হেরে গেলে টাকার লেনদেন করেন। জিতলে পকেটে টাকা ভরেন।

সমাজে কত ধরনের বিশৃঙ্খলার কথা শোনা যায় এসব খেলাকে কেন্দ্র করে। অনেক মানুষের নি:স্ব হওয়ার গল্পও আছে এ তাস খেলার পেছেনে।

প্রশ্ন হলো, এ ধরনের তাস খেলা কি জায়েজ? কিংবা এসব খেলে টাকা কামানো বা খরচ করা? এমন একটি প্রশ্ন করা হয়েছে দারুল উলুম দেওবন্দের ওয়েবসাইটে।

প্রশ্নকারী ব্যক্তি বলেন, ‘আমি পাকিস্তান থেকে বলছি। তাস খেলা কি জায়েজ? যদি আমরা তাস খেলে বাজি না ধরি তাহলেও? কেননা এখন কম্পিউটারেও তাস খেলা যায়।’

প্রশ্নের জবাবে দেওবন্দ থেকে বলা হয়, ‘যদি তাস খেলা জুয়ার মতো টাকার লেনদেন করে খেলা হয় তাহলে তা হারাম হওয়ার বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই। আর যদি বাজি না ধরেও খেলা হয় তবু হারাম। কেননা এটা অনর্থক খেলাধুলার অন্তর্ভূক্ত। আর মুসলমানদের জন্য অনর্থক খেলাধুলায় সময় ব্যয় করা হারাম ও নাজায়েজ।

দেওবন্দের ফতোয়ার লিঙ্ক:

এমডব্লিউ/