বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট ২০২৬ ।। ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য ঘিরে উত্তপ্ত সংসদ মাছ ধরতে গিয়ে নদীতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু ‘জাতিসংঘ সভাপতির পদ কোনো এক দেশের স্বার্থে ব্যবহারের সুযোগ নেই’  সর্বস্তরে ইসলামী শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার দাবিতে শিক্ষক ফোরামের সম্মেলন কাল নেপালে আকস্মিক বন্যায় নিহত বেড়ে ২৮৯ তরুণ আলেমের নতুন উদ্যোগ, আসছে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ‘প্রিয় মাদরাসা’ জলাবদ্ধতা নিরসনে গলাপানিতে নেমে খাল পরিষ্কার করলেন মুহাম্মদুল্লাহ এমপি বাবুনগর মাদরাসায় সীরাতুন্নবী (সা.) সেমিনার ও কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত নেপালে ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে জমিয়তের গভীর শোক পরিবার মজবুত হলে সমাজ মজবুত হবে: মাওলানা মাহমুদ মাদানী

তাস খেলার বিষয়ে দেওবন্দের ফতোয়া

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মোস্তফা ওয়াদুদ: প্রচার আছে, ৫২ কার্ডের ৫৩ রকম খেলা। যেটাকে বাংলাতে বলে তাস খেলা। এর আবার অনেক ধরনের নাম আছে। যেমন: ইটালিয়ান, কলব্রিজ, ডাক, পার্টনারশিপ, ২৯, মঙ্গুশ ইত্যাদি। সমাজের বেকার যুবকরা সাধারণত এসব খেলা বেশি খেলে থাকে। এটাকে জুয়া খেলাও বলে। কেননা কেউ কেউ এসব খেলার মাঝে বাজী ধরেন। হেরে গেলে টাকার লেনদেন করেন। জিতলে পকেটে টাকা ভরেন।

সমাজে কত ধরনের বিশৃঙ্খলার কথা শোনা যায় এসব খেলাকে কেন্দ্র করে। অনেক মানুষের নি:স্ব হওয়ার গল্পও আছে এ তাস খেলার পেছেনে।

প্রশ্ন হলো, এ ধরনের তাস খেলা কি জায়েজ? কিংবা এসব খেলে টাকা কামানো বা খরচ করা? এমন একটি প্রশ্ন করা হয়েছে দারুল উলুম দেওবন্দের ওয়েবসাইটে।

প্রশ্নকারী ব্যক্তি বলেন, ‘আমি পাকিস্তান থেকে বলছি। তাস খেলা কি জায়েজ? যদি আমরা তাস খেলে বাজি না ধরি তাহলেও? কেননা এখন কম্পিউটারেও তাস খেলা যায়।’

প্রশ্নের জবাবে দেওবন্দ থেকে বলা হয়, ‘যদি তাস খেলা জুয়ার মতো টাকার লেনদেন করে খেলা হয় তাহলে তা হারাম হওয়ার বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই। আর যদি বাজি না ধরেও খেলা হয় তবু হারাম। কেননা এটা অনর্থক খেলাধুলার অন্তর্ভূক্ত। আর মুসলমানদের জন্য অনর্থক খেলাধুলায় সময় ব্যয় করা হারাম ও নাজায়েজ।

দেওবন্দের ফতোয়ার লিঙ্ক:

এমডব্লিউ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ