|| কাউসার লাবীব ||
বহু প্রতীক্ষার পর আগামী মাসেই অনুষ্ঠিত হচ্ছে দুই পর্বের বিশ্ব ইজতেমা। ৫৬তম বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব ১৫ জানুয়ারি রোববার আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হবে। এরপর ৪দিন বিরতি দিয়ে দ্বিতীয় পর্ব শুরু হবে ২০ জানুয়ারি। ২২ জানুয়ারি আখেরি মোনাজাতের মধ্যে দিয়ে শেষ হবে দ্বিতীয় পর্ব।
গত ২০২০ সালের মতো এবারও প্রথম পর্ব পরিচালনা করবে আলমী শুরার অনুসারী মুসল্লিরা এবং দ্বিতীয় পর্বে মাওলানা সাদের অনুসারীরা।
সরেজমিনে দেখা যায়, আসন্ন ইজতেমাকে কেন্দ্র করে ঐতিহাসিক তুরাগ তীরে পুরোদমে চলছে প্রস্তুতি। ইজতেমা উপলক্ষে স্বেচ্ছায় শ্রম দিচ্ছেন মুসল্লিরা। সারাদিন বিভিন্ন জেলা থেকে আগত মুসল্লিরা ময়দান প্রস্তুতির কাজে ব্যস্ত রয়েছেন। ময়দানে বাঁশ টানানো, মাটিকাটা, ময়লা আবর্জনা পরিস্কার, খুটি স্থাপন, সামিয়ানা তৈরি, চট বাধাইসহ বিভিন্ন কাজ করছেন তারা।
ঢাকার মতিঝিল থেকে ইজতেমার মাঠে স্বেচ্ছাশ্রম দিতে এসেছেন তাবলিগের সাথী আবু বকর। তিনি বলেন, আমরা এলাকা থেকে জামাত বন্দি হয়ে স্বেচ্চায় কাজ করছি, আমাদের সঙ্গে প্রায় ৪০ জনের মত সাথি ভাই এসেছেন।
কথা হয় রাজধানীর বাড্ডা থেকে আগত আমির হোসেনের সঙ্গে। তিনি বলেন, সপ্তাহব্যাপী কাজের মাঝে একদিন ছুটি পাই। সামনে ইজতেমা তাই আমাদের মসজিদ থেকে আমরা ৫৫ জন মুসল্লি এসেছি ইজতেমার কাজ করতে। কেউ মাটি কাটছি, বাঁশ গাড়ছি, উঁচু-নিচু জায়গা সমান করছি, কেউবা আবার তাঁবু টানানোর ব্যবস্থা করছি।
পুরান ঢাকা থেকে আগত মোশারফ মিয়া বলেন, ব্যস্ততার মধ্যেই একটু সুযোগ পেয়ে আল্লাহকে খুশি করার জন্য ইজতেমা ময়দানে কাজ করতে এসেছি।
ইজতেমার মাঠ প্রস্তুতের জন্য এবার প্রশাসন থেকে অনুমতি পেয়েছে আলমী শুরার অনুসারী মুসল্লিরা। বরকতময় এ কাজের মাধ্যমে কীভাবে প্রস্তুত করছেন তারা ইজতেমার ময়দানকে? এ বিষয়ে জানতে চাইলে আলমী শুরার অনুসারী মুসল্লিদের দায়িত্বশীলগণ জানান, দুই বছর পর বহুল প্রত্যাশীত ইজতেমার খবর শুনে দেশ-বিদেশের মুসল্লিরা অনেক আনন্দিত। কীভাবে মাঠ প্রস্তুত করা যায় তা নিয়ে প্রথমে আমাদের তিন চিল্লার সাথিদের নিয়ে টিনশেডে স্বল্প পরিসরে পরামর্শ করা হয়। সেখান থেকে সিদ্ধান্ত নেয়া হয় সার্বিক কাজের। বিদেশি মেহমানদের আগমন ও তাদের মেহমানদারীর বিষয়ে প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
তারা জানায়, ১০ জন সূরা সদস্যের তত্বাà¦