শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬ ।। ২৮ চৈত্র ১৪৩২ ।। ২৩ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
হাজিদের সেবায় সুনাম কুড়াচ্ছে আল-মিনহাজ হজ ট্রাভেলস পশ্চিমবঙ্গের মুসলিমরা আবেগ নয়, বাস্তবতাকে প্রাধান্য দিন ১৯৭৯ সালের পর ওয়াশিংটন-তেহরানের প্রথম উচ্চপর্যায়ের বৈঠক আজ, কী হতে চলেছে ইসলামাবাদে? বায়তুল মোকাররম এলাকায় হকার-ব্যবসায়ীদের সংঘর্ষ পরীক্ষার সময় সিসি ক্যামেরা চালু রাখতে হবে, কোনো অজুহাতে অফ রাখলে ব্যবস্থা: শিক্ষামন্ত্রী ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ২৭ শিশু ভর্তি রাজনীতিতে যারা ওয়াদা ভঙ্গ করেছে তাদের পরিণতি কিন্তু খুব ভালো হয়নি : নাহিদ ইসলাম হঠাৎ অসুস্থ ত্রাণমন্ত্রী, এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে নেওয়া হবে ঢাকায়  ৫ সপ্তাহ পর আল-আকসায় জুমা, মুসল্লিদের ঢল আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা যাদের, নমিনেশনে অগ্রাধিকার তাদের : রিজভী

পা দিয়ে লিখে আলিম পরীক্ষা দিচ্ছেন মাদরাসার ছাত্র

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: দুই হাত না থাকার পরও পা দিয়ে লিখে এবারের আলিম পরীক্ষা দিয়েছেন মো. হাবিবুর রহমান (১৯)। পুঁইজোর সিদ্দিকিয়া ফাজিল মাদরাসার শিক্ষার্থী তিনি।

রাজবাড়ীর কালুখালী উপজেলার মৃগী ইউনিয়নের কৃষক মো. আ. সামাদের ছেলে মো. হাবিবুর রহমান। তিন বোন ও এক ভাইয়ের মধ্যে হাবিব তৃতীয়।

মাদরাসার অধ্যক্ষ ও আলিম পরীক্ষার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আওয়াবুল্লাহ ইব্রাহিম বলেন, জন্মগতভাবে হাতহীন হাবিবুর আমার তত্ত্বাবধানে এই কেন্দ্রেই জেএসসি এবং দাখিল পরীক্ষা দিয়েছে ও চলমান আলিম পরীক্ষা দিচ্ছে। শুনেছি সে অতিদরিদ্র পরিবারের সন্তান।

জানা যায়, মেধাবী হাবিবুর রহমান প্রথমে তার গ্রামের হেমায়েত খালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে পিএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়। পরে ২০১৫ সালে পুঁইজোর সিদ্দিকিয়া ফাজিল মাদরাসা থেকে ৪.৬৩ পয়েন্ট নিয়ে জেএসসি পরীক্ষায় পাশ করেন। এরপর ২০১৮ সালে দাখিল পরীক্ষায় ৪.৬১ পয়েন্ট নিয়ে পাশ করেন। এবার একই মাদরাসা থেকে আলিম পরীক্ষায় অংশ নেন।

হাবিবুর রহমানের ভগ্নিপতি আনোয়ার হোসেন বলেন, হাবিব জন্মগতভাবেই হাতহীন। তার মধ্যে অনেক প্রতিভা এবং আত্মবিশ্বাস রয়েছে। সে ভবিষ্যতে ভালো কিছু করতে চায়।

পুঁইজোর সিদ্দিকিয়া ফাজিল মাদরাসার অধ্যক্ষ মো. হেদায়েতুল ইসলাম বলেন, হাবিব আমার মাদ্রাসার অত্যন্ত মেধাবী একজন ছাত্র। সে প্রতিটা ক্লাসেই ভালো করে। আজকে আলিম পরীক্ষা দিতে আসছে। সে আমাদের মাদরাসা এবং দেশের গর্ব। তাকে নিয়ে আমরা অনেক আশাবাদী। তবে তার পরিবার অনেক দরিদ্র। সমাজের বিত্তবান ও সরকারের পক্ষ থেকে তার পাশে এসে দাঁড়ালে হয়তো, সে আরও ভালো কিছু করতে পারবে।

-এসআর


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ