শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
শহীদ নাসরুল্লাহ বদরের পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান খেলাফত মজলিস আমিরের ডেঙ্গুর টিকা আনতে উদ্যোগ নেবে ডিএসসিসি মুফতি নাসরুল্লাহ বদরের পরিবারের পাশে এনসিপি ইসলামি শ্রমনীতি ও শ্রমিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করতে হবে: গাজী আতাউর রহমান ৩০ পেরিয়েছেন? সুস্থ থাকতে গড়ে তুলুন ৭ অভ্যাস জমজমের বরকতে দৃষ্টিশক্তি ফিরে পাওয়ার এক বিস্ময়কর অভিজ্ঞতা দেশমাতৃকা উলামায়ে কেরামের নির্দেশনার অপেক্ষায় আছে: মুফতি আবুল হাসান এমপি দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী হাফেজদের মধ্যে ব্রেইল কুরআন ও সাদাছড়ি বিতরণ দেশে ফিরেছেন সৌদি আরবে আটকে পড়া ৫০ ওমরাহযাত্রী মাওলানা নূরুল হক রহ.-এর কবর জিয়ারত করলেন খেলাফত মজলিস আমির

হাশরের মাঠের আট সাক্ষী

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মুফতি যুবাইর মাহমুদ রাহমানি

মহান আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে সৃষ্টি করার পর ভালো কাজের আদেশ দেন। আর মন্দ কাজ থেকে বিরত থাকতে বলেন। তো আমরা ভালো কিংবা মন্দ যে কাজই করি, তার জন্য রয়েছে কতিপয় সাক্ষী। এসকল সাক্ষী আমাদের পক্ষে অথবা বিপক্ষে সাক্ষ্য দেবে। সুতরাং আল্লাহপাকের পক্ষ থেকে নির্ধারিত সাক্ষীসকল যেন আমাদের পক্ষে সাক্ষ্য প্রদান করে, বিপক্ষে সাক্ষ্য না দেয়, আমাদের সে চেষ্টা থাকা জরুরি। আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে তাওফিক দিন।

এ পর্যায়ে আমি কুরআন সুন্নাহ এর আলোকে হাশরের দিবসের আট সাক্ষী কারা হবে, নিচে তুলে ধরছি।

প্রথম সাক্ষী: জমিন। আমরা যে জমিন বা ভূমিতে পাপকাজ করি, সে জমিন হাশরের দিনে আল্লাহর দরবারে আমাদের বিরুদ্ধে সাক্ষী হবে। ইরশাদ হয়েছে,

يومئذ تحدث أخبارها بأن ربك أوحى لها
সেদিন সে (জমিন) তার বৃত্তান্ত বর্ণনা করবে। কারণ, আপনার পালনকর্তা তাকে আদেশ করবেন। (সুরা যিলযাল: ৪, ৫)

দ্বিতীয় সাক্ষী: সময়। হাশরের মাঠে সময়ও বান্দার বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেবে। দিন সাক্ষী হবে, রাতও সাক্ষী হবে। হাদিসে পাকে এসেছে,
ينادى كل يوم يوم جديد وأنا فيما تعمل فى شهيد.
প্রতিটি দিবস ডেকে ডেকে বলে, আমি একটি নতুন দিন। তুমি আমার ভেতর যে আমল করবে, আমি কেয়ামত দিবসে তোমার জন্য তারই সাক্ষ্য দেব।

তৃতীয় সাক্ষী: জবান। হাশরের দিনে জবানও মানুষের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেবে। যেমন পবিত্র কুরআন বলছে,
يوم تشهد عليهم ألسنتهم
যেদিন প্রকাশ করে দেবে তাদের জিহবা, তাদের হাত ও তাদের পা, যা কিছু তারা করত। (সুরা নুর: ২৪)

চতুর্থ সাক্ষী: শরীরের অন্যান্য অঙ্গপ্রত্যঙ্গ। শরীরের অন্যান্য অঙ্গও তার বিরুদ্ধে সাক্ষী হবে। এ মর্মে ইরশাদ হয়েছে,
وتكلمنا أيديهم وتشهد أرجلهم بما كانوا يكسبون.
আজ আমি তাদের মুখে মোহর এঁটে দেব। তাদের হাত আমার সাথে কথা বলবে এবং তাদের পা তাদের কৃতকর্মের সাক্ষ্য দেবে। (সুরা ইয়াসিন : ৬৫)

পঞ্চম সাক্ষী: ফেরেশতা। দুজন ফেরেশতাও মানুষের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেবে। যাদেরকে কিরামান কাতিবিন বলে।
وإن عليكم لحافظين، كراما كاتبين، يعلمون ماتفعلون.
অবশ্যই তোমাদের ওপরে তত্ত্বাবধায়ক নিযুক্ত আছে। সম্মানিত আমল লেখকবৃন্দ। তারা জানে যা তোমরা কর। (সুরা ইনফিতার: ১০, ১১, ১২)

ষষ্ঠ সাক্ষী: আমলনামা। মানুষের আমলনামাও তার বিরুদ্ধে সাক্ষী হবে। মানুষ যখন তার আমলনামা দেখবে, তখন সে বলে উঠবে,
ما لهاذا الكتاب لا يغادر صغيرة ولا كبيرة إلا أحصاها ووجدوا ما عملوا حاضرا ولا يظلم ربك أحدا.
তারা বলবে : হায় আফসোস, এ কেমন আমলনামা! এ যে ছোট বড় কিছুই বাদ দেয়নি-সবই এতে রয়েছে। তারা তাদের কৃতকর্মক