বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট ২০২৬ ।। ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
পুকুরে গোসলে নেমে প্রাণ গেল দুই মাদরাসা ছাত্রের দুই হিন্দু অনাথ ভাইকে মানুষ করে বিয়ে দিলেন মুসলিম দম্পতি বিজয় দিবসে ৮ হাজার ২৯৯ বন্দিকে মুক্তি দিলো তালেবান সরকার ইউপি নির্বাচনে ফের চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হচ্ছেন রফিকুজ্জামান অনু নূরানী তালীমুল কুরআন বোর্ডের মুয়াল্লিম প্রশিক্ষণ কোর্সে ভর্তি চলছে জাতীয় সংসদের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ফুটপাত দখল করে ব্যবসা নয়, নির্দেশনা না মানলে কঠোর ব্যবস্থা: ডিএসসিসি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য ঘিরে উত্তপ্ত সংসদ মাছ ধরতে গিয়ে নদীতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু ‘জাতিসংঘ সভাপতির পদ কোনো এক দেশের স্বার্থে ব্যবহারের সুযোগ নেই’ 

ইফতারে স্বাস্থ্যকর পানীয়

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: রমজানে সবগুলো রোজা রাখার জন্য সুস্থ থাকাটা জরুরি। কিন্তু ইফতার বা সেহরির খাবার বা পানীয় বাছাইটা যদি ভুল হয়, তাহলে অনিশ্চয়তা থেকে যায় যে আপনি কতখানি সুস্থভাবে রোজা রাখবেন।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, রোজাদারদের ইফতারের খাদ্য তালিকা ঠিক করতে হবে খুব বিবেচনা করে। কারণ সারাদিন রোজা রাখার পর ইফতারেই প্রথম খাবার খেতে হয়। ইফতারে উল্টা-পাল্টা খেলে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা দেখা দিয়ে পারে।

বিশেষ করে ইফতারে ভাজা খাবারের পরিবর্তে পানীয় এবং ফলমূল বেশি করে রাখতে হবে। চলুন কিছু স্বাস্থ্যকর পানীয় সম্পর্কে জানা যাক যেগুলো ইফতারে খুবই উপাদেয় হবে।

ইসুবগুল ও তোকমার শরবত: ইফতারে স্বাস্থ্যকর একটি পানীয় হলো ইসুবগুল-তোকমার শরবত। এক টেবিল চামচ তোকমা ভিজিয়ে রেখে তার সঙ্গে এক চামচ ইসুবগুল ও সামান্য মধু বা গুড় মিশিয়ে ঘরে তৈরি করা যায় এই শরবত। এটি কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে ও এসিডিটি প্রতিরোধে খুবই উপকারী।

ডাবের পানি: ইফতারে ডাবের পানি রাখতে পারেন। এতে গ্লুকোজ আছে যা আপনাকে শক্তি দেবে এবং পানির চাহিদা অনেকাংশে পূরণ করবে। এর সঙ্গে ডাবের নরম সাদা অংশ রাখতে পারেন। ক্ষুধা মেটানোর মতো পর্যাপ্ত ফাইবার রয়েছে ডাবের সাদা অংশে।

লেবুর শরবত: রমজানে আপনার প্রতিদিনের ইফতারে রাখতে পারেন লেবুর শরবত। স্বাদ বাড়াতে চাইলে সঙ্গে মেশাতে পারেন চিনি। আর যদি কোনো ধরনের শারীরিক সমস্যা থেকে থাকে যেমন ডায়াবেটিস তাহলে শুধু লেবুর রস মেশানো পানি পান করে ফেলুন।

স্মুদি: অনেকেই জুস এবং স্মুদি একই মনে করেন। আসলে তা নয়। জুসের ক্ষেত্রে শুধু ফলের রসটুকু নেওয়া হয় এবং ফাইবারটা ফেলে দেওয়া হয়। কিন্তু স্মুদি হলো সম্পূর্ণ ফলের ফাইবার এবং রস। ফলের জুস খাওয়ার থেকে স্মুদি খাওয়া বেশি ভালো। এতে করে শরীরে ফাইবার এবং পানীয় দুইটাই পাওয়া যায়। স্মুদির স্বাদ বাড়ানোর জন্য ফলের সঙ্গে চিনি, গোলমরিচ গুঁড়া, সামান্য লবণ এবং কাঁচা মরিচ মেশাতে পারেন।

এছাড়া ইফতারে খেজুর-পেস্তার শরবত, মাল্টার রস, আমের লাচ্ছি, তরমুজের শরবত ইত্যাদি পুষ্টিকর পানীয় রাখতে পারেন।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, সব ধরনের বোতলজাত পানীয় এড়িয়ে চলাই ভালো। ইফতারে প্রচুর ফল রাখা উচিত। বিশেষ করে আপেল। আপেলের বেশিরভাগই পানি এবং ফাইবার। এই ফলগুলো শরীরে খাবারের সঙ্গে সঙ্গে পানির চাহিদাও পূরণ করে।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ