সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬ ।। ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৮ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ সহায়তা নিয়ে পাশে থাকার আহ্বান জাতীয় ইমাম পরিষদের ‘বিএনপির সঙ্গে সমঝোতা ছিল দেশের স্বার্থে, পদ-পদবি পাওয়ার জন্য নয়’ সন্ধ্যার মধ্যে ১৯ জেলায় ঝড়ের শঙ্কা  মুসলিম আন্দালুসের কৃষি বিপ্লব: স্বর্ণযুগের গৌরবগাথা শনিরআখড়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে প্রাণ গেল সাবেক ব্যাংক কর্মকর্তার চকরিয়াতে মারহামা ফাউন্ডেশনের ত্রাণ বিতরণ 'ইসলামের সামনে বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ, জ্ঞানভিত্তিক দাওয়াতের বিকল্প নেই' বিকেএম নেতা মাওলানা ইউসুফ আশরাফের বাইপাস অস্ত্রোপচার, দোয়ার আবেদন মধ্যপ্রাচ্যের ৩ দেশের মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ইরানের হামলা বিশ্ববাজারে আবারও বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম

রমজানে দ্রব্যমূল্য: অন্য একটা চিন্তা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

শরীফ মুহাম্মদ।।

রহমত বরকত মাগফিরাত ও সহানুভূতির মাস রমজানুল মোবারক। এ মাসে মুসলিমরা রোজা রাখেন। এবং রহমতের এই মাস থেকে নানাভাবে উপকৃত হওয়ার চেষ্টা করেন। তবে, অমুসলিমরা কিন্তু এ মাসে রোজা রাখেন না। তাদের ধর্ম বিশ্বাস অনুযায়ী এ মাসটি তাদের কাছে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ নয়। তারা শুধু জানেন, মুসলমানদের ইবাদতের, নেকি কামানোর এবং নেক হওয়ার একটি বর্ণাঢ্য মাস এটি।

কিন্তু, জিনিসপত্রের দাম বাড়িয়ে দিয়ে তাদের জন্য মাসটিকে আতঙ্কের মাসে পরিণত করছেন কি একশ্রেণীর ব্যবসায়ী? (এখন অবশ্য রমজানের আগে থেকেই জিনিসপত্রের দাম বেশি)। মোবারক মাসটি মুসলমানদের পাশাপাশি প্রতিবেশী অন্যান্য অমুসলিম সম্প্রদায়ের জন্যও হতে পারতো স্বস্তিদায়ক প্রশান্তিময়। শুধু বাজারের পরিস্থিতি গরম করে দিয়ে সেই মাসটিকে অমুসলিমদের কাছে আতঙ্ক ও ভয়ের মাসে পরিণত করে দেওয়ার দায়িত্ব কি একশ্রেণীর মুনাফালোভী ব্যবসায়ী ভাইয়েরা নিবেন?

[রমজানে মুসলমানদের তো সাহরি-ইফতার ইত্যাদির বাধ্যবাধকতা আছে। দাম বেশি কিংবা কম হোক মুসলিমরা জরুরি পণ্যদ্রব্য সংগ্রহ করে থাকেন কিংবা চেষ্টা করেন। কিন্তু অমুসলিমদের তো এ বাধ্যবাধকতা ও পুণ্যধারণা নেই। তারপরও আমাদের একশ্রেণীর ব্যবসায়ী ভাইয়েরা তাদের সামনে রমজান মাসটিকে একটি ভয় ও আতঙ্কের মাস হিসেবে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছেন!]

এটা কত বড় ভয়ের কথা, আল্লাহ তাআলা আমাদের চিন্তা করার তাওফিক দিন।

এনটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ