শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ২৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
ফেনী সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে কৃষক আহত ইসলামী আন্দোলন কুমিল্লা সদর দক্ষিণের ২০২৭-২৮ সেশনের নতুন কমিটি গঠন সরকারি সফরে সৌদি গেলেন নৌবাহিনী প্রধান সরকারকে মূল্যায়নের সময় না দিয়ে বিরোধী দলের লং মার্চ অনুচিত: চিফ হুইপ যে ৩ দোয়ায় ঋণ, অলসতা ও দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি পাওয়া যায় নেপালে হিমবাহধস: ৯ দিন পর সুড়ঙ্গ থেকে ২ জন জীবিত উদ্ধার  সৌদি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য দূতাবাসরে নতুন বার্তা ইসলামী যুব আন্দোলনের ৬ষ্ঠ যুব কনভেনশন সফল করার লক্ষে তৃণমূল সম্মেলন কুমিল্লা মহানগর শাখার ইসলামী আন্দোলনের উদ্যোগে কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত আশুলিয়ায় তালাবদ্ধ ঘর থেকে নারী-পুরুষ ও নবজাতকের লাশ উদ্ধার

স্বাস্থ্যবিধি মেনে ৬ মার্চ থেকে সুপ্রিম কোর্টে সশরীরে বিচার কার্যক্রম

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: কঠোর স্বাস্থ্যবিধি মেনে আগামী ৬ মার্চ থেকে সশরীরে সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগে (আপিল ও হাইকোর্ট) বিচারিক কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

বৃহস্পতিবার (৩ মার্চ) সুপ্রিম কোর্টের স্পেশাল অফিসার ব্যারিস্টার মোহাম্মদ সাইফুর রহমান সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, আগামী রোববার (৬ মার্চ) থেকে সশরীরে সুপ্রিম কোর্টের কার্যক্রম চলবে। তবে কঠোরভাবে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করতে হবে। দ্রুত এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি করা হবে।

দেশে করোনার সংক্রমণ বাড়ায় গত ১৯ জানুয়ারি থেকে সুপ্রিম কোর্টের আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারিক কার্যক্রম ভার্চুয়াল মাধ্যমে পরিচালিত হয়ে আসছে। এরও আগে প্রায় দেড় বছর ভার্চুয়াল মাধ্যমে উচ্চ আদালতের বিচার কাজ চলে।

২০২০ সালের ৭ মে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠকে ‘আদালত কর্তৃক তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার অধ্যাদেশ- ২০২০’ এর খসড়ায় চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়। এর দুদিন পর ভার্চুয়াল উপস্থিতিতে সশরীরে উপস্থিতি হিসেবে গণ্য করে অধ্যাদেশ জারি করেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।

পরে ওই বছরের ১০ মে ভার্চুয়াল আদালত পরিচালনা সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করা হয় এবং ১১ মে থেকে সীমিত পরিসরে ভার্চুয়ালি বিচারিক কার্যক্রম শুরু হয়।

এর মধ্যদিয়ে স্বাধীনতার ৪৯ বছর পর মহামারির দুঃসময়ে দেশের বিচার বিভাগ ডিজিটাল যুগে প্রবেশ করে। প্রথমে দেশের অধস্তন (নিম্ন) আদালত, এরপর হাইকোর্ট এবং পরবর্তীসময়ে সুপ্রিম কোর্টের চেম্বার আদালত ও আপিল বিভাগের বিচারিক কার্যক্রম চলতে থাকে ভার্চুয়াল মাধ্যমে। পরে ভার্চুয়ালের পাশাপাশি শারীরিক উপস্থিতিতে আদালতের কার্যক্রম চলে। একপর্যায়ে দেশে করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পেলে আবার সব আদালতের কার্যক্রম ভার্চুয়ালি করা হয়।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ