সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
রিয়াদে হামলার নিন্দা, ওমরাহযাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের আহ্বান আমিরে মজলিসের উচ্চস্বরে আজানের অভিযোগে ভারতে মুয়াজ্জিন গ্রেপ্তার, মাইক জব্দ উগ্রবাদ মোকাবিলায় শুধু নিন্দা নয়, সচেতন মন গঠন জরুরি: মিসরের গ্র্যান্ড মুফতি পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল ১ হাজার ৪৪ ভরি স্বর্ণ, ১ হাজার ৮৮ ভরি রুপা মদিনায় ইফতার সরবরাহে ক্যাটারিং প্রতিষ্ঠানের আবেদন আহ্বান ১৩ মাসে হাফেজ হলো ১০ বছরের নাঈম নিকাব নিয়ে কটূক্তি: ঢাবির সেই শিক্ষিকাকে ‘লাল কার্ড’ দেখালেন শিক্ষার্থীরা আলোর পথের যাত্রী  সিলেট সিটিতে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করল বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস বিএনপি-জামায়াত আমলে আলিয়া মাদরাসা বাড়ে ১৫৪১টি, আ.লীগ আমলে কমেছে ১৭৯টি

যেসব কারণে একজন মুসলিম কথিত ‘ভালোবাসা দিবস’ উদযাপন করতে পারে না

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

।।ফাহীম সিদ্দিকী।।

তথাকথিত বিশ্ব ভালবাসা দিবস। বিষয়টি সম্পর্কে কিছু বলার পূর্বে প্রথমে দিবসটির সংক্ষিপ্ত পরিচয়, তার উদযাপন পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করা যাক। যাতে করে এর উপর নির্ভর করে ইসলামের অবস্থান আমরা জানতে পারি।

ইতিহাসের দৃষ্টিতে ১৪ ফেব্রুয়ারি:
বাংলা উইকিপিডিয়ার তথ্য মতে, এ দিনটি ‘ভ্যালেন্টাইন্স ডে’ বা sent Valentines day (সেন্ট ভ্যালেন্টাইন্স ডে) তথা পাদ্রী ভ্যালেন্টাইন এর দিবস কিংবা ‘ফিস্ট অব সেন্ট ভ্যালেন্টাইন্স’ রূপে অভিহিত। বাংলায় যা ‘ভালোবাসা দিবস’ নামে পরিচিত। উইকিপিডিয়ার তথ্য মতে, এ দিবসটি মূলত সেন্ট ভ্যালেন্টাইন নামক জনৈক পাদ্রীর স্মরণে পালন করা হয়।

দিবসটির প্রথম দিকের উদযাপন পদ্ধতি:
উইকিপিডিয়ার তথ্য মতে, দিবসটি প্রথম দিকে ‘সেন্ট ভ্যালেন্টাইন্স ডে’ রূপে পরিচিত হয়ে খ্রিস্ট সমাজের ধর্মীয় আদলেই পালনীয় হয়ে আসছিলো। কিন্তু কালক্রমে ঐ দিবস তার ভাবমূর্তি হারিয়ে ভোগের সাগরে তলিয়ে যায়। ক্রমশই তা ধর্মীয় বিষয় থেকে ভোগবাদী ও অপসাংস্কৃতিকদের ভালো লাগায় পরিণত হয়। এক সময় ‘সেন্ট ভ্যালেন্টাইন্স ডে’ নামেই বিশ্বব্যাপী একটি অবৈধ প্রেমভালোবাসা নিবেদন দিবসের জন্ম হয়। যা অনেক দেশে প্রথম দিকে রাষ্ট্রীয় দিবস হিসাবে মর্যাদা পেলেও পরবর্তীতে তার কুফল ও অসামাজিকতা দেখে সচেতন অনেক রাষ্ট্রই পরে তা বাতিল ঘোষণা করে। এমনকি এ দিবসটি এখনও উল্লেখযোগ্য কোন রাষ্ট্রে ছুটির দিন বলে বিবেচিত হয়নি।

দিবসটির বর্তমান উদযাপন পদ্ধতি:
এ দিবস উদযাপনের প্রতক্ষ্যদর্শী যারা তাদের কাছে আলাদা করে কিছু বলার নেই। তারা তো নিজ নিজ অভিজ্ঞতার আদলে মানবতা বিরোধী এমন অনেক তথ্য প্রদান করতে পারবেন, যা আমাদের মানবাত্মাকে ব্যথিত করে তুলবে। কিন্তু যারা এ দিন বাইরেই বের হন না বা হলেও সমাজের বাস্তবচিত্র জানার সুযোগ হয়ে উঠে না, তাদের জ্ঞাতার্থে কিছু কথা আমাদের উল্লেখ করতে হয়। যাতে সমাজের এ ভঙ্গুর দশার কিছুটা হলেও ধারণা তারা পান। সকল তথ্য উপস্থাপন যেহেতু আমাদের মূল উদ্দেশ্য নয়, আর তা শতভাগ সম্ভবও নয়। তাই মৌলিক ও উপদেশ গ্রহণ করার উপযোগী কিছু তথ্য উপস্থাপন করেই ক্ষ্যান্ত হবো।

এ দিন নারীরা সেজে-গুজে নিজেদের সর্বোচ্চ রূপ-সৌন্দর্য প্রদর্শন করতে রাস্তায় বের হয়। আর তাদà§