বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ১ মাঘ ১৪৩২ ।। ২৬ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম :
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের লিডারশিপ প্রশিক্ষণ ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত জামি'আ ইকরায় উচ্চতর উলুমে হাদিস বিভাগের যাত্রা শুরু সংবিধান উপেক্ষা করে কাশ্মীরে মসজিদ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের তথ্য সংগ্রহ শুরু ন্যায্যতার ভিত্তিতে আসন সমঝোতা হওয়া প্রয়োজন: খেলাফত মজলিস ‘ক্ষমতায় গেলে শরিয়া আইন বাস্তবায়ন করবেন না বলে জানিয়েছেন জামায়াত আমির’ ভুল সংবাদের ভিত্তিতে ইসি শোকজ করেছে: মাওলানা মামুনুল হক এলপিজি গ্যাসের সংকট মোকাবেলায় সরকারের বড় পদক্ষেপ  ইসিতে শুনানির পঞ্চম দিনে আরও ৭৩ প্রার্থীর আপিল মঞ্জুর বিজিবিতে নিয়োগ পেয়ে যা বললেন ফেলানীর ছোট ভাই ইসলামী আন্দোলনের আমীর সংবাদ সম্মেলন স্থগিত করতে কাউকে অনুরোধ করেন নাই

‘ইসি গঠন আইন বিলটি জনগণের প্রত্যাশার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়’

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: সংসদে উত্থাপিত ইসি গঠন আইনের বিলটি বিরোধী দল ও জনগণের প্রত্যাশার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয় উল্লেখ করে সংসদ থেকে এই বিল প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপি'র দলীয় সংসদ সদস্য হারুনুর রশিদ।

তিনি বলেন, ‘আমি দুঃখের সাথে বলতে চাই, এ সার্চ কমিটির মাধ্যমে বিগত যে দুটি নির্বাচন ও ভোটের মাধ্য নির্বাচন ব্যবস্থাকে এবং নির্বাচন কমিশনকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।’

হারুন বলেন, ‘আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে বর্তমান নির্বাচন কমিশনের মেয়াদ শেষ হবে। ওই কমিশনের বিরুদ্ধে যে দুর্নীতি এবং নির্বাচন ব্যবস্থাকে ধ্বংস করার অভিযোগ রয়েছে সে জন্য তাদের আইনের আওতায় আনতে হবে।’

হারুন-অর-রশিদ সংবিধানের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, ‘সংবিধানের ১১৮ অনুচ্ছেদে যে দৃষ্টিপাত করা হয়েছে বাংলাদেশ একটি নির্বাচন কমিশন থাকলে উক্ত বিষয় প্রণীত আইনের বিধানাবলী সাপেক্ষে রাষ্ট্রপতি প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ দেবে। ১১৮ অনুচ্ছেদের ৫ এ বলা আছে, যে কোনো আইনের বিধানাবলি সাপেক্ষে বচন কমিশনের কার্যাবলি রাষ্ট্রপতির আদেশ দ্বারা নির্ধারণ করবে সেইরূপ হইবে। ১২৬ অনুচ্ছেদে নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব সহায়তা করা নির্বাহী কর্তৃপক্ষের কর্তব্য হইবে কিন্তু তারা কর্তব্য পালন না করলে কি হবে তা বলা হয়নি। সুতরাং এই বিষয়গুলো যাতে আইনে রাখা হয় এটিই ছিল জনগণের, রাজনৈতিক দলগুলোর দাবি।'

বিএনপির এই সংসদ সদস্য বলেন, আইনমন্ত্রী যে আইনটি উত্থাপন করেছেন এই আইনে অতীতে দুটি নির্বাচন কমিশনকে বৈধতা দেওয়ার জন্য আনা হয়েছে। এ আইন প্রশ্নবিদ্ধ। এতে বর্তমান সংকটের কোনো সমাধান হবে না। তাই আইনটি প্রত্যাহার করা উচিত। প্রত্যাহার করুন।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ