মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬ ।। ১ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ১ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
৩ ঘণ্টা পর ময়মনসিংহ-চট্টগ্রাম রুটে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক ‘সংসদীয় আসনসমূহে বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের খবরটি অসত্য ও বিভ্রান্তিকর’ সংসদে নারীদের বোরকা-হিজাব নিয়ে মন্তব্যে কড়া প্রতিক্রিয়া হেফাজতের তোষামোদ নয়, গণমাধ্যমকে সত্য তুলে ধরার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ওমরাহ পালনে রেকর্ড, পরিসংখ্যান জানালো সৌদি আরব সব ধর্ষণই সমান অপরাধ, ছোট-বড় সংজ্ঞা নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহাসড়কে চলা অবৈধ যানবাহনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে: সংসদে মন্ত্রী মধ্যরাতের মধ্যে ১৩ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আভাস সৌদি থেকে ফিরিয়ে আনা ওমরাহযাত্রীর মৃত্যু, ধর্মমন্ত্রীর শোক ‘২০ জুন থেকে ‘ঢাকা–নারিতা–ঢাকা’ রুটে বিমানের টিকিট বিক্রি শুরু হবে’ 

আরও ১০ জেলা করোনা সংক্রমণের রেড জোনে

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: ঢাকা ও রাঙ্গামাটির পর আরও ১০ জেলাকে করোনাভাইরাস সংক্রমণের রেড জোন বা অধিক ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল হিসেবে ঘোষণা করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এ ছাড়া হলুদ জোন বা মধ্যম ঝুঁকিতে রয়েছে ৩২ জেলা। আর, গ্রিন বা সবুজ জোনে রয়েছে ১৬ জেলা।

গত এক সপ্তাহের তথ্য বিশ্লেষণ করে আজ বুধবার এ তথ্য জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৬ জানুয়ারি পর্যন্ত সাত দিনে দেশজুড়ে করোনা শনাক্তের সংখ্যা ৩৪ হাজার ৪০৫ জন, যা পূর্ববর্তী সাত দিনের (৩ জানুয়ারি থেকে ৯ জানুয়ারি) চেয়ে ২৩ হাজার ৯৩১ জন বেশি। এ সময়ে শতাংশ হিসেবে শনাক্ত বেড়েছে ২২৮ দশমিক ৪৮।

করোনায় আক্রান্তদের মধ্যে ১৬ জানুয়ারি পর্যন্ত এক সপ্তাহে মৃত্যু হয়েছে ৫৭ জনের, যা পূর্ববর্তী সপ্তাহের (৩ জানুয়ারি থেকে ৯ জানুয়ারি) চেয়ে ৩৭ জন বেশি। এ সময়ে শতাংশ হিসেবে মৃত্যু বেড়েছে ১৮৫ শতাংশ।

করোনা সংক্রমণের মাত্রা বিবেচনায় নিয়ে নতুন করে ১০টি জেলাকে লাল তালিকাভুক্ত করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। জেলাগুলোতে সংক্রমণের হার অন্তত ১০ শতাংশ।

লাল তালিকাভুক্ত নতুন জেলাগুলো হলো—গাজীপুর, রাজশাহী, যশোর, কুষ্টিয়া, বগুড়া, দিনাজপুর, চট্টগ্রাম, লালমনরিহাট, খাগড়াছড়ি ও পঞ্চগড়। আগের দুটি ঢাকা ও রাঙ্গামাটি।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যে দেখা যায়, রাজধানীতে করোনা সংক্রমণের হার ২৮ দশমিক ১১ শতাংশ। রাঙ্গামাটিতে করোনা সংক্রমণের হার ১০ দশমিক ৭১ শতাংশ।

এ ছাড়া গাজীপুর করোনা সংক্রমণের হার ১০ দশমিক ৪৯, রাজশাহী ১৪.৭৪ শতাংশ, যশোর ১১ দশমিক ২১ শতাংশ, কুষ্টিয়া ১১.৩৮ শতাংশ, বগুড়া ১১.৮৪ শতাংশ, দিনাজপুর ১১.২৬ শতাংশ, চট্টগ্রামে ১৮ দশমিক ৪৮, লালমনরিহাটে ১০ দশমিক ৭১, খাগড়াছড়ি ১০ দশমিক ১৯ শতাংশ ও পঞ্চগড় ১০ দশমিক ৩৮ শতাংশ।

হলুদ জোন বা মধ্যম ঝুঁকিতে থাকা ৩২ জেলার শনাক্তের হার অন্তত ৫ শতাংশ। জেলাগুলো হলো—সিলেট, ফেনী, নারায়ণগঞ্জ, নোয়াখালী, কক্সবাজার, মৌলভীবাজার, ফরিদপুর, মুন্সীগঞ্জ, লক্ষ্মীপুর, শরীয়তপুর, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, মানিকগঞ্জ, সিরাজগঞ্জ, গোপালগঞ্জ, রংপুর, জামালপুর, নওগাঁ, ঝিনাইদহ, নাটোর, সাতক্ষীরা, পিরোজপুর, বাগেরহাট, মাগুরা, নড়াইল, পটুয়াখালী, কুড়িগ্রাম, জয়পুরহাট, শেরপুর, ঝালকাঠি ও ঠাকুরগাঁও।

এ ছাড়া এখনও করোনা থেকে ঝুঁকিমুক্ত আছে ১৬ জেলা। এ জেলাগুলোতে শনাক্তের হার ৫ শতাংশের নিচে।

ঝুঁকিমুক্ত জেলাগুলো হলো—ব্রাহ্মণবাড়িয়া, হবিগঞ্জ, নরসিংদী, কিশোরগঞ্জ, সুনামগঞ্জ, টাঙ্গাইল, মাদারীপুর, রাজবাড়ী, ভোলা, নেত্রকোনা, গাইবান্ধা, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, বরগুনা, চুয়াডাঙ্গা, নীলফামারী ও মেহেরপুর।

গত বছর করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে বিভিন্ন এলাকাকে রেড জোন চিহ্নিত করে জোনভিত্তিক লকডাউন করার পরিকল্পনা করেছিল সরকার।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ