সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬ ।। ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৮ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
মুহুরী নদীর পানি দ্রুত বাড়ছে, আতঙ্কে তীরবর্তী মানুষ  বন্যাকবলিত ১১ জেলায় স্বাস্থ্যকর্মীদের ছুটি বাতিল পাঁচ বছরে মদিনা জিয়ারত করলেন সাড়ে ১২ কোটি ওমরাহ যাত্রী বন্যা দুর্গতদের পাশে দাঁড়াতে চট্টগ্রামে গেলেন আমিরে মজলিস ইসলামাবাদে শীর্ষ আলেমদের সম্মেলনে মুসলিম ঐক্যের ওপর গুরুত্বারোপ যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক ২০ জুলাই মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানে ‘জুলাই শহীদ দিবস’ পালনের নির্দেশ শিশুদের মতো আদর-যত্নে গাছের পরিচর্যার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর  কুমিল্লা জেলার দ্বীনিয়াত মুআল্লিম জোড় সম্পন্ন কেন্দ্রীয় নূরানী তালীমুল কুরআন মাদরাসার উস্তাদ আব্দুল জলিলের ইন্তেকাল

একসময়ের বিশ্বের সবচেয়ে বৃহত্তম মসজিদ ‘গ্রেট মস্ক অব সামারা’

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: একসময়ের বিশ্বের সবচেয়ে বৃহত্তম মসজিদ ‘গ্রেট মস্ক অব সামারা’। ইরাকের রাজধানী বাগদাদ থেকে ১২০ কিলোমিটার উত্তরে টাইগ্রিস নদীর তীরে সামারা নগরে ছিল এই মসজিদের অবস্থান।

টাইগ্রিস নদীকেই আরবিতে দজলা নদী বলে। নদীটি তুরস্কে উৎপত্তি লাভ করে ইরাকের ভেতর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে ফোরাত নদীর সঙ্গে মিলিত হয়েছে। জানা গেছে, নবম শতকে আব্বাসীয় খলিফা আল-মুতাওয়াককিল (৮৪৭-৮৬১ খ্রি.)-এর আমলে বিশাল এই মসজিদটি নির্মিত হয়।

ইতিহাস থেকে জানা যায়, ৮৫১ সালে এই মসজিদের নির্মাণকাজ শেষ হয়েছিল, যা ১৭ হেক্টর এলাকাজুড়ে বিস্তৃত ছিল। মসজিদের মূল ভবনটি ছিল ৩৮০০০ বর্গ মিটারজুড়ে। ১২৭৮ সালে মঙ্গল শাসক হালাকু খানের বাহিনীর আক্রমণের আগ পর্যন্ত প্রায় ৪০০ বছর এটিই ছিল বিশ্বের সবচেয়ে বড় মসজিদ।

এই মসজিদের বিশেষত্ব হলো শামুকের মতো দেখতে এই মসজিদের মিনার, যার নাম ‘মালাউইয়া’। ঘূর্ণায়মান পথের এই সুবিশাল মিনারটির উচ্চতা ৫২ মিটার, আর প্রস্থ ৩৩ মিটার। সুবিশাল এই মিনারটি বর্তমান যুগের মানুষের জন্য ৪০০ বছর ধরে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে থাকা এককালের বিশ্বের সর্ববৃহৎ মসজিদের স্মৃতিচিহ্ন মাত্র।

২০০২ সাল থেকে মার্কিন সেনারা ইরাকের দখল নিলে সামারাও চলে আসে তাদের দখলে। তখন আশপাশের অঞ্চল পর্যবেক্ষণের জন্য তারা এই মসজিদের মিনারে অবস্থান করত। পরে বোমার আঘাতে ২০০৫ সালে মালাউইয়া মিনারটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সূত্র: ইন্ডিয়া টাইমস ডটকম, ইকনা

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ