আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: দীর্ঘ ২০ বছর পর আফগানিস্তানের ক্ষমতায় ফিরেছে তালেবানরা। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আস্থা অর্জনে দেয়া প্রতিশ্রুতি। মানবাধিকার, নারী অধিকার, সংবাদ মাধ্যমের স্বাধীনতা, সবার অংশগ্রহণের সরকার সহ অসংখ্য প্রতিশ্রুতি দিয়ে চলেছে তারা। যদিও ইতিমধ্যেই তাদের কথা আর কাজে অনেক পার্থক্য দেখা দিয়েছে। তালেবানের এমন ১০টি প্রতিশ্রুতির বিষয়ে জেনে নেওয়া যাক।
১. প্রতিশোধ নেয়া হবে না
তালেবান ক্ষমতায় আসার পর ভীত সন্ত্রস্ত আফগানরা দেশ ছাড়তে উন্মুখ হয়ে ওঠেন। তালেবান মুখপাত্র তাদের আশ্বস্ত করে বলেন, ‘আমি আমার স্বদেশিদের আশ্বস্ত করতে চাই, বিদেশিদেরকে সহায়তাকারী অনুবাদক, সামরিক কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত ছিলেন বা সাধারণ নাগরিক যারাই আছেন না কেন সবাইকে ক্ষমা করে দেয়া হয়েছে। কারো প্রতি প্রতিশোধমূলক আচরণ করা হবে না’।
২. সরকারে সব পক্ষ থাকবে
সবার অংশগ্রহণমূলক সরকার নিশ্চিত করা হবে উল্লেখ করে তালেবান মুখপাত্র জাবিউল্লাহ মুজাহিদ জানান, ‘আফগানিস্তানে একটি শক্তিশালী ইসলামি সরকার থাকবে। নাম কী হবে কিংবা আর কী করা হবে সেটি রাজনৈতিক নেতাদের উপর ছেড়ে দিচ্ছি আমরা। তারা এ নিয়ে জরুরিভিত্তিতে আলোচনা করছেন। কিন্তু একটা বিষয় নিশ্চিত যে, আমাদের মূল্যবোধের উপর ভিত্তি করেই একটি ইসলামি ও শক্তিশালী সরকার গঠন করা হবে এবং তা আমাদের নাগরিকদের মূল্যবোধ বা স্বার্থবিরোধী হবে না’।
৩. অর্থনীতি পুনর্গঠন
দেশের অর্থনীতি পুনর্গঠনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তালেবান মুখপাত্র বলেন, ‘আমরা দেশের অর্থনৈতিক অবকাঠামো গড়ে তুলব। এজন্য অর্থনৈতিক কার্যক্রম চালুর ব্যবস্থা করা হবে। অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করা, বিনির্মাণ ও সমৃদ্ধির জন্য আমরা প্রাকৃতিক সম্পদ ও অন্য যে সম্পদ আছে তা নিয়ে কাজ করব। এজন্য আমরা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে অনুরোধ করছি যে আমাদের সহায়তা করুন, যাতে আমরা খুব দ্রুতই পুরো পরিস্থিতি, আমাদের অর্থনীতি আমরা বদলে ফেলতে পারি’।
৪. চোরাচালান, মাদক রোধ
মুজাহিদ সংবাদ সম্মেলনে প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেন, ‘আমরা দেশের পুরুষ, নারী ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে বলতে চাই কোন ধরনের মাদক আমরা উৎপাদন করব না। কেউ মাদক চোরাচালানে জড়িত থাকবে না’। তবে মাদকমুক্ত আফগানিস্তান গড়তে ও বিকল্প শস্যের জন্য তিনি আন্তর্জাতিক বিশ্বের কাছেও