মাহবুবা সিদ্দিকা।।
প্রতিটি স্বামী-স্ত্রী-ই চায় যে,তাদের সংসার সুখের হোক।ভালোবাসাতে ভরে থাকুক পুরো জীবন।দাম্পত্য জীবন সুখময় হোক।এরজন্য একেকজন একেকভাবে চেষ্টা করে থাকে।
ক'জনকে পাবেন_যে চায় তার সংসার কোলাহলে ভরে থাকুক।সংসারে অশান্তি আসুক। এরকম পাওয়া যাবে না। এমনিভাবে কোন মেয়েও কখনো চায় না যে, তার সংসারে অসুখী নেমে আসুক।তাদের বিচ্ছেদ ঘটুক।
এজন্যই দাম্পত্য জীবন সুখময় করার ক্ষেত্রে আল্লাহর রহমের সাথে-সাথে প্রতিটি স্ত্রী'র ভূমিকা থাকে অতুলনীয়। একজন আদর্শবান স্ত্রী-ই পারে একটা সংসারকে অন্যরকমভাবে সাজাতে। সবাই মিলেমিশে একসাথে বসবাস করতে।এজন্য স্ত্রীকে ঘরের রাণী বলা হয়ে থাকে।কোন পুরুষ যদি তার স্ত্রীকে রাণী বানিয়ে রাখে তাহলে স্ত্রীও নিজ স্বামীকে ঘরের রাজা বানিয়ে রাখবে।তাই সুখীময় জীবন যাপনে স্বামীর ভূমিকাও কম নয়।তবে এক্ষেত্রে স্ত্রী'র ভূমিকা অতুলনীয় এবং বেশি। প্রতিটি স্ত্রীকে স্বামীর প্রতি বিশেষ কিছু জিনিসের দিকে খেয়াল রাখতে হবে। তাহলেই সকল সংসারে সুখ আসবে ইন শা আল্লাহ।
তাই প্রতিটি মেয়েকে বলবো; অভিজ্ঞতার আলোকে লেখা নিম্নোক্ত বিষয়গুলোর প্রতি বিশেষ করে খেয়াল রাখা।
১.স্বামী ঘুম থেকে উঠার আগে নিজে উঠে পরিপাটি হয়ে নেওয়া,যাতে স্বামী আপনাকে সকাল বেলাই অপরিপাটি না দেখে। তার সাথে সুগন্ধি ব্যবহার করুন। যাতে সকালে আপনাকে দেখেই আপনার স্বামীর মন ভরে যায়।
২.তার ঘুম যেভাবে ভাঙ্গালে সে পছন্দ করবে, সেভাবে তাকে ঘুম থেকে জেগে তুলুন। ৩.তার প্রয়োজনীয় কাজ শেষ করে তবেই অন্য কাজে যাবেন এবং সে তার কাজে যাওয়ার সময় কপালে আর বুকে দুইটা 'সুন্নতি স্পর্শ' দিয়ে দিন। ৪.সে কখন বাসায় আসতে পারে তা অনুমান করে পরিপাটি হয়ে থেকে তার অপেক্ষা করুন এবং সে ডাকার সাথে সাথে দরজা খুলে দিন একটা মুচকি হাসি দিয়ে দিন।তার সাথে কথা বলার সময় সর্বদা হাসি মুখে কথা বলুন।
৫.তার সামনে কখনো গন্ধ নিয়ে যাবেন না। সবসময় একটা সুঘ্রাণ রাখুন নিজের শরীরে। ৬. পরিপূর্ণ পর্দা করুন। ৭.স্বামীকে তাহাজ্জুদ এবং ফজরের নামাজের জন্য ডেকে দিন। আল্লাহর তরফ হতে স্বামীর হৃদয়ে আপনার প্রতি অফুরন্ত ভালোবাসা জন্ম নিবে।
৮.স্বামীর মনে কখনো আঘাত দিয়ে কথা বলবেন না। ৯.কখনো স্বামীকে নিজের উপর রাগ হতে দিবেন না বরং স্বামী যে ইশারায় চালাতে চায় সে ইশারায় চলুন( নাফরমানী কাজ ব্যতিত)।
১০.স্বামী কোন কাজ করতে আদেশ করলে সাথে সাথে হাসি ও খুশির সহ