সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬ ।। ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ১৪ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
বিকেএম যুক্তরাজ্য শাখার নির্বাহী পরিষদের সভা অনুষ্ঠিত মিরপুর দারুস সালাম থানা জমিয়তের পরিচিতি সভা ও মাসিক বৈঠক কোরআন সঙ্গে নিয়ে মহাকাশে পাড়ি দেওয়া নভোচারী আর নেই ভারতের সীমান্ত আচরণ নিয়ে উদ্বেগ, সংসদে আলোচনা ও কূটনৈতিক উদ্যোগের আহ্বান জাতির সামনে জামায়াতে ইসলামীর স্পষ্ট বক্তব্য জরুরি ইসলাম অবমাননা, জিও নিউজের সম্প্রচার লাইসেন্স স্থগিত সিলেটের বিশিষ্ট সমাজসেবক দেওয়ান মসুদ রাজা চৌধুরী আর নেই ইসলামী আন্দোলনের আমির ও মহাসচিবের সঙ্গে ছাত্র আন্দোলনের মতবিনিময় ভারতের প্রখ্যাত আলেম মাওলানা সালমান হোসাইনী নদভী আর নেই ২৯ হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর

মুক্তি পেয়েছেন গাদ্দাফির ছেলে সাদি গাদ্দাফি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: লিবিয়ার প্রয়াত নেতা মুয়াম্মার গাদ্দাফির ছেলে সাদি গাদ্দাফি মুক্তি পেয়েছেন। সাদি গাদ্দাফিকে লিবিয়া কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দিয়েছিল নাইজার। ২০১৪ সালে তাকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়। লিবিয়ার এক কর্মকর্তা রোববার তার মুক্তি পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। খবর রয়টার্সের।

২০১১ সালে গণ-আন্দোলন চলাকালে তৎকালীন একদল বিদ্রোহী নেতা গাদ্দাফিকে আটকের পর হত্যা করে। সে সময় তার ছেলে সাদি গাদ্দাফি সাহারা মরুভূমি হয়ে নাইজারে পালিয়ে যান। ওই বছরের সেপ্টেম্বরে তাকে আশ্রয় দেয় নাইজার কর্তৃপক্ষ। তাকে দেশে ফেরত পাঠানোর জন্য নাইজার কর্তৃপক্ষকে বারবার আহ্বান জানায় লিবিয়া সরকার। পরে তাকে হস্তান্তর করা হয়।

২০১৮ সালে লিবিয়ার বিচার মন্ত্রণালয় জানায়, ‘সাদি গাদ্দাফিকে হত্যা, প্রতারণা, হুমকি, দাসত্ব এবং সাবেক খেলোয়াড় বশির রায়ানির মানহানির জন্য দোষী সাব্যস্ত করা হয়নি।’

সাদি একজন ফুটবল খেলোয়াড় এবং লিবিয়ার ফুটবল ফেডারেশনের সাবেক প্রধানও ছিলেন।

গত জুলাই মাসে নিউ ইয়র্ক টাইমস জানায়, সাদির ভাই, গাদ্দাফির আরেক ছেলে সাইফ আল-ইসলাম এক সাক্ষাতকারে বলেন, তিনি ডিসেম্বরে প্রেসিডেন্সিয়াল নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন। মুয়াম্মার গাদ্দাফির মৃত্যুর পর ২০১৫ সালে সাইফের বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়। ২০১৭ সালে বিদ্রোহীদের কবল থেকে মুক্তি পাওয়ার পর সাইফকে আর জনসমক্ষে দেখা যায়নি।

গাদ্দাফিবিরোধী আন্দোলন চলাকালে বিদ্রোহীদের হাতে তার সাত ছেলের মধ্যে তিনজন নিহত হন।

এনটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ