মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
দিন শেষ হয়ে এলে  এইচএসসির ফল প্রকাশের সম্ভাব্য সময় ২৫–২৯ অক্টোবর টঙ্গীতে ২৪ ঘণ্টায় পানিতে ডুবে সহোদরসহ ৪ শিশুর মৃত্যু   সৌদি আরবে বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার আহ্বান দূতাবাসের মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বসে থাকবে না বাংলাদেশ: শামা ওবায়েদ রিয়াদে হামলার নিন্দা, ওমরাহযাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের আহ্বান আমিরে মজলিসের উচ্চস্বরে আজানের অভিযোগে ভারতে মুয়াজ্জিন গ্রেপ্তার, মাইক জব্দ উগ্রবাদ মোকাবিলায় শুধু নিন্দা নয়, সচেতন মন গঠন জরুরি: মিসরের গ্র্যান্ড মুফতি পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল ১ হাজার ৪৪ ভরি স্বর্ণ, ১ হাজার ৮৮ ভরি রুপা মদিনায় ইফতার সরবরাহে ক্যাটারিং প্রতিষ্ঠানের আবেদন আহ্বান

মক্কা বিজয়ের পর নবীজির ‘সাধারণ ক্ষমা’ বিজয়ী শাসকদের জন্য অনন্য শিক্ষা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

বেলায়েত হুসাইন।।

যেভাবে মক্কা বিজয়ের সূচনা হিজরি ৬ষ্ঠ সন, আরব জাহানের পরিস্থিতি মুসলমানদের প্রায় অনুকূলে কিন্তু তখনও ইসলামের সর্বাধিক সম্মানিত ইবাদতস্থল পবিত্র কাবাগৃহ মক্কার কুরাইশদের দখলে, সেখানে মদিনার মুসলমানদের প্রবেশ নিষিদ্ধ। এদিকে রাসুল (সা.)-কে স্বপ্ন দেখানো হলো-তিনি সাহাবাদের নিয়ে কাবা শরিফ তাওয়াফ করছেন।

নবীগণের স্বপ্ন নিছক কোন স্বপ্ন নয়; বরং আল্লাহর ইশারা। তাই রাসুল (সা.) স্বপ্ন বাস্তবায়নে ৬ষ্ঠ হিজরির ১ লা জিলকদ মক্কাভিমুখে ওমরা পালনের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন। (আর রাহীকুল মাখতুম, পৃষ্ঠা: ৩৪৫)

চৌদ্দ শ মতান্তরে পনেরো শ সাহাবিকে নিয়ে মহনবী (সা.) ম্ক্কার উপকণ্ঠ হুদাইবিয়া নামক স্থানে যাত্রা বিরতি করলেন। কিন্তু নানা আশঙ্কায় মক্কার মুশরিকরা পুরনো শত্রুদের হুদাইবিয়া থেকে আর সামনে অগ্রসর হতে দিলো না। পরে নানা নাটকীয়তা শেষে আল্লাহর রাসুল সেখান থেকে ফিরে আসার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।

স্বাক্ষরিত হয় ঐতিহাসিক ‘হুদাইবিয়া সন্ধি’র। বাহ্য দৃষ্টিতে সন্ধির শর্ত সমূহ মুশরিকদের অনুকূলে ছিল কিন্তু মহান আল্লাহ পবিত্র কোরআনে এটিকে মুসলমানদের জন্য ‘ফাতহুম মুবিন’ বা স্পষ্ট বিজয় আখ্যায়িত করেছেন। ঐতিহাসিকরা মনে করেন, মূলত হুদাবিয়ার চুক্তিই মক্কা বিজয়ের দ্বার উন্মুক্ত করে দিয়েছিল। সন্ধির শর্তাবলী গভীরভাবে চিন্তা করলে বোঝা যায় যে, এটি বাস্তবিক পক্ষেই মুসলমানদের বিরাট বিজয়-ই ছিলো। কেননা, এতোদিন কুরাইশরা মুসলমানদের অস্তিত্বই স্বীকার করত না। (আর রাহীকুল মাখতুম, পৃষ্ঠা: ৩৫৩)

সন্ধি যখন কাল হলো কুরাইশদের জন্য হুদাইবিয়ার সন্ধির অল্প কিছুদিন পরেই ইসলাম ব্যাপক হারে প্রসারিত হতে শুরু করে, সন্ধি করা হয় যেন মুসলমানরা কোনঠাসা হয়ে পড়ে- এ উদ্দেশ্যে, কিন্তু উল্টো সন্ধির ফলাফল কুরাইশদের শঙ্কিত করে তোলে। এ পরিস্থিতিতে সন্ধি লংঘনে নানা ষড়যন্ত্র আঁটে তারা। অবশেষে মুসলমানদের সঙ্গে বনু খুযাআর মৈত্রিতা স্থাপন এবং এর ভিত্তিতে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে তাদের অনেক লোককে হত্যার মাধ্যমে সন্ধি ভঙ্গ করে কুরাইশরা। অথচ দু পক্ষের সঙ্গেই অন্য যেকেউ মৈত্রী গড়তে করতে পারবে-শর্তে এও উল্লেখ ছিল।

মক্কা বিজয় এবং নবীজির ‘সাধারণ ক্ষমা’ এ ঘটনার à¦