শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬ ।। ২১ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ২৭ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
সিলেটের জামেয়া আশরাফিয়া ইসলাম নগর মাটিজুড়ার বার্ষিক মাহফিল ৮ নভেম্বর ইসলামী যুব আন্দোলন খুলনা মহানগরের সভাপতি আব্দুর রশিদ, সম্পাদক মুফতি মঈনুল ইসলাম রাজধানীতে বৈশাখী পরিবহনের বাসে আগুন  বৃষ্টি নিয়ে আবারও সতর্কবার্তা আবহাওয়া অধিদপ্তরের গণভোট নিয়ে জনগণের সঙ্গে গাদ্দারি করেছে সরকার: আমিরে মজলিস জুহাইমানের দখলে কাবা, দুই সপ্তাহ বন্ধ ছিল জুমার খুতবা দারুল উলুম নদওয়াতুল উলামায় প্রিমিয়ার লিগের উদ্বোধন বাবুনগর মাদরাসার মাহফিলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও ধর্ম প্রতিমন্ত্রী গার্মেন্টস শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা করার দাবি শ্রমিক মজলিসের জামিয়া কাসিমুল উলূমের ৮৫তম বার্ষিক ওয়াজ মাহফিল ৭ নভেম্বর  

আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারে আখচাষ লাভজনক হবে: কৃষিমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, দেশে আখ উৎপাদন এবং আখ মাড়াই বা চিনিকল-দুই জায়গাতেই আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার করতে হবে। এর ফলে দুই জায়গাতেই যদি উৎপাদন ও উৎপাদনশীলতা বাড়ে, তাহলে আখ চাষ লাভজনক হবে।

শুক্রবার (৩ সেপ্টেম্বর) টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলার কনফারেন্স রুমে বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএসআরআই) আয়োজিত ‘সুগারক্রপ চাষের আধুনিক প্রযুক্তি’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে মন্ত্রী ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, 'আখের সাথে সাথী ফসল চাষ করতে হবে। বিএসআরআই উদ্ভাবিত উন্নত জাতের সাথে সাথী ফসল চাষ করলে আখচাষ লাভজনক হবে। কৃষকেরা আখ চাষে উদ্বুদ্ধ হবে।'

কৃষিমন্ত্রী বলেন, 'দেশের সুগারমিলগুলো অনেক পুরনো। চিনি উৎপাদন প্রযুক্তিও আধুনিক নয়। অন্যদিকে মাঠে আখের উৎপাদনশীলতা কম। এতে চিনি উৎপাদনে খরচ অনেক বেশি হয়। বর্তমানে ১ কেজি চিনি উৎপাদন করতে যে খরচ পড়ে তা কমিয়ে আনা যায় কিনা যাচাই করা দরকার। প্রয়োজনে ‘আধুনিক প্রযুক্তির ১টি মডেল সুগারমিল’ পরীক্ষামূলকভাবে স্থাপন করা যেতে পারে। এর সাথে মাঠে উন্নত জাতের আখের চাষ। তারপরও যদি দেখা যায়, চিনির উৎপাদন খরচ কমছে না ও আখ চাষ লাভজনক নয়; তাহলে দেশে চিনিকল বন্ধ করে দেয়া দরকার।

বিএসআরআই জানায়, খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (‌এফএও) সুপারিশ অনুযায়ী জনপ্রতি বছরে ১৩ কেজি চিনি/গুড় গ্রহণ করা প্রয়োজন। সে হিসাবে দেশে প্রতি বছর প্রায় ২০ লক্ষ টন চিনি/গুড় প্রয়োজন। বর্তমানে উৎপাদিত হয় প্রায় ৬ লাখ টন (০.৬৮ লক্ষ টন চিনি আর ৫.৩২ লক্ষ টন গুড়)। বছরে ঘাটতি ১৪ লাখ টন।

ঘাটতি পূরণের জন্য দরকার আরও বেশি গবেষণা ও উদ্ভাবিত প্রযুক্তি সম্প্রসারণ। সেলক্ষ্যে বিএসআরআই কাজ করে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে আখের ৪৮ টি জাত উদ্ভাবন করেছে। এর মধ্যে চিবিয়ে খাওয়া ও রস পান উপযোগী ৩টি, বন্যা সহিষ্ণু ৯টি, জলাবদ্ধতা সহিষ্ণু ১০টি, খরা সহিষ্ণু ৭টি, লবণাক্ততা সহিষ্ণু ৬ টি উল্লেখযোগ্য।

আখের সাথে সাথীফসল হিসেবে আলু, পিঁয়াজ, রসুন, ফুলকপি, বাঁধাকপি, ডাল, তেল, মশলা প্রভৃতি ফসল চাষের প্রযুক্তিও উদ্ভাবন করেছে সংস্থাটি।

এছাড়া, বিএসআরআইর মহাপরিচালক ড. আমজাদ জানান, যেসব স্থানে অন্যানà