বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬ ।। ২০ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ২৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘কওমি সিলেবাসের মৌলিকত্ব ঠিক রেখে যুগোপযোগী পরিবর্তন আনা দরকার’ দীর্ঘদিনের দ্বীনি খেদমতের স্বীকৃতি পেলেন মুফতি আব্দুল কাইয়ুম বাংলাদেশের হজ কোটা বাড়ল আরও ৫ হাজার, মোট ৮৩ হাজার ৫০০ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি আবেদন শুরু ১১ নভেম্বর, পরীক্ষা ৫ ডিসেম্বর হেরা গুহার আলো শিশুদের প্রতি নবীজির স্নেহ: আমাদের অনুকরণীয় ডেঙ্গু প্রতিরোধে শায়খুল কুরআন ফাউন্ডেশনের জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি ছাত্র জমিয়তের ৫৬ দিনের দাওয়াতি ও সদস্য সংগ্রহ অভিযান শুরু শুক্রবার মাদরাসাছাত্র আরিফ হত্যা মামলায় ইকবাল সোবহান চৌধুরী কারাগারে শাপলা গণহত্যার বিচারকাজে রেফারেন্স বই হিসেবে ‘শহীদনামা’ গ্রহণ

শ্রমিক ছাঁটাই না করতে শ্রম প্রতিমন্ত্রীর অনুরোধ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: শ্রমিক ছাঁটাই এবং কারখানা লে-অফ ঘোষণা না করতে মালিকদের বিশেষ অনুরোধ করেছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান।

বৃহস্পতিবার (২৯ জুলাই) এক বিবৃতিতে আরএমজি এবং নন আরএমজিসহ সব প্রকার শিল্প এবং কল-কারখানা মালিক এবং ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের প্রতি তিনি এ অনুরোধ জানান।

করোনা ভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকার কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। এই বিধিনিষেধের আওতায় সব প্রকার কল-কারখানা বন্ধ রয়েছে। তাই এই দুর্যোগ মুহূর্তে কোনো শ্রমিক ছাঁটাই এবং কোনো প্রকার শিল্প-কল-কারখানা লে-অফ ঘোষণা না করতে মালিকদের প্রতি বিশেষ অনুরোধ জানান তিনি।

করোনা মহামারি শুধু বাংলাদেশ নয়, সারা বিশ্বের জন্য দুর্যোগ উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী দেশ ও জাতির বৃহত্তর স্বার্থে সবাই মিলে একসঙ্গে এই দুর্যোগ মোকাবিলা করে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানান।

এদিকে, সব ধরনের শিল্প কারখানা খুলে দিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন শিল্প কারখানার মালিকরা। বৃহস্পতিবার (২৯ জুলাই) দুপুর ১২টার দিকে মন্ত্রিপরিষদ সচিবের সঙ্গে বৈঠকে এ আহ্বান জানানো হয়।

বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিজিএমইএ) বলছে, সরকারের অনুমতি না পাওয়া পর্যন্ত তৈরি পোশাক কারখানা বন্ধ থাকবে। তবে যেসব শ্রমিক ঢাকায় আছেন, তাদের নিয়ে শিল্প প্রতিষ্ঠান চালাতে চান তারা।

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে গত ১ থেকে ৭ জুলাই কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করে সরকার। পরে তা বাড়িয়ে ১৪ জুলাই করা হয়। ঈদুল আজহার কারণে ১৫ থেকে ২২ জুলাই পর্যন্ত বিধিনিষেধ শিথিল করা হয়। পরে ২৩ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত ‘কঠোরতম বিধিনিষেধ’ জারি করে সরকার।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ