মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
দিন শেষ হয়ে এলে  এইচএসসির ফল প্রকাশের সম্ভাব্য সময় ২৫–২৯ অক্টোবর টঙ্গীতে ২৪ ঘণ্টায় পানিতে ডুবে সহোদরসহ ৪ শিশুর মৃত্যু   সৌদি আরবে বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার আহ্বান দূতাবাসের মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বসে থাকবে না বাংলাদেশ: শামা ওবায়েদ রিয়াদে হামলার নিন্দা, ওমরাহযাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের আহ্বান আমিরে মজলিসের উচ্চস্বরে আজানের অভিযোগে ভারতে মুয়াজ্জিন গ্রেপ্তার, মাইক জব্দ উগ্রবাদ মোকাবিলায় শুধু নিন্দা নয়, সচেতন মন গঠন জরুরি: মিসরের গ্র্যান্ড মুফতি পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল ১ হাজার ৪৪ ভরি স্বর্ণ, ১ হাজার ৮৮ ভরি রুপা মদিনায় ইফতার সরবরাহে ক্যাটারিং প্রতিষ্ঠানের আবেদন আহ্বান

বায়তুল মুকাদ্দাসে হামলা; বিশ্বনন্দিত স্কলারদের হৃদয়ের রক্তক্ষরণ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মুফতি আবদুল্লাহ তামিম
কাউসার লাবীব

চলছে পবিত্র মাহে রমজান। চলছে নিরিহ ফিলিস্তিনিদের ওপর অমানবিক নির্যাতন। দখলদার ইসরায়েলের এমন অমানবিকতায় ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের হৃদয়ে হচ্ছে রক্তক্ষরণ। এ রক্তক্ষরণ বন্ধ হওয়ার নয়। অযাচিত এ হামলায় ব্যথিত হয়ে মুসলিম বিশ্বের অন্যতম প্রভাবশালী আলেম মুফতি তাকি উসমানি বলেন, মসজিদে আকসায় প্রকাশ্যে মুসলিমদের উপর অমানবিক নির্যাতন ও সহিংসতার ঘটনায় সারা বিশ্বের মানবাধিকার সংস্থাগুলো মুখ বন্ধ করে রেখেছে। আফসোস ওই মুসলিম শাসকদের জন্য যারা মুসলিমদের উপর অত্যাচার ও নির্যাতন দেখেও চোখ বন্ধ করে রেখেছেন। তাদের মনে রাখা উচিত, সময় সর্বদা এক রকম থাকে না। আল্লাহ তায়ালার ক্রোধ আওয়াজহীন হয়। সুতরাং আমাদের সাবধান হতে হবে। মুসলিমদের প্রথম কিবলা থেকে সম্মানিত আর কিছু হয় না।

তাবলিগের মুরব্বি প্রথিতযশা আলেম মাওলানা তারেক জামিল বলেন, মহিমান্বিত রমজান মাসে অসহায় নিরস্ত্র ফিলিস্তিনি মুসলিমদের উপর ইসরায়েল সৈন্যদের নির্বিচারে গুলি ও হামলায় আমাদের হৃদয় ও আত্মায় রক্তক্ষরণ হচ্ছে। সেই অত্যাচারী জালেমদের যতই নিন্দা করা হোক, কমই হবে। আল্লাহ তায়ালা মসজিদুল আকসাকে হেফাজত করুন। এ সম্মানিত মাসে আল্লাহ তায়ালা আমাদের মুসলিম ভাই-বোনদের সেই অত্যাচারিতদের থেকে মুক্তি দিন।

জনপ্রিয় ইসলামিক স্কলার শায়েখ ইউসুফ আল কারযাভি বলেন, আল আকসা রক্ষার দায়িত্ব শুধু ফিলিস্তিনিদের নয়; যদিও তারা সেখানের স্থায়ী বাসিন্দা। কিংবা শুধু আরবদের নয়; যদিও এটি রক্ষা করার দয়িত্ব সবচেয়ে বেশি তাদেরই। বরং এ পবিত্র ঘর রক্ষার দায়িত্ব প্রতিটি মুসলমানের। পূর্ব পশ্চিম, উত্তর দক্ষিণের যেখানেই সে বসবাস করুক না কেনো, সবাই কে এ পূণ্যভূমি রক্ষায় এগিয়ে আসতে হবে। হোক সে শাসক বা প্রজা, শিক্ষিত বা অশিক্ষিত। পুরুষ বা নারী। সাবাইকে যার যার সামর্থ অনুযায়ী এগিয়ে আসতে হবে। ‘কুদস’ শুধু ফিলিস্তিনিদের নয়; প্রতিটি মুসলমানের ইস্যু।

এ বিষয়ে লিবিয়ার গ্র্যান্ড মুফতি শাইখ আস-সাদেক আল-গারইয়ানি বলেন, আমাদের উচিত ফিলিস্তিনি মুসলিমদের জাকাত দেয়া। ইসরায়েলের বিরুদ্ধে সহায়তার জন্য তাদের জাকাত দেয়া আমাদের কর্তব্য। ‘আল্লাহর রাস্তা’; জাকাত দেয়ার এটিও একটি উত্তম খাত।

জননন্দিত প্রবীণ আলেম মাওলানা জাহেদ রাশেদি হাদিসের উদৃতি দিয়ে বলেন, রাসুল সা. ইরশাদ করেছেন, এক মুসলমান অপর মুসলমানের ভাই। সে নিজেও তার ভাইকে অত্যাচার করে না। অত্যাচিরত হওয়ার জন্য তাকে একাও ছাড়ে না। (বুখারি)

পাকিস্তান জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের সভাপতি মাওলানা ফজলুর রহমান বলেন, ফিলিস্তিনের মসজিদুল আকাসায় মুসলিমদের উপর পবিত্র মাসে যে বরবরচিত হামলা ও নির্যাতন চলছে; তার নিন্দা জানাচ্ছি। ওআইসি ও মুসলিম রাষ্ট্রপ্রধানদের উচিত আন্তর্জাতিকভাবে এ হামলা প্রতিহত করার ব্যবস্থা গ্রহণ করা। আর যে মুসলিম দেশগুলো ইসরায়েলকে সমর্থন করেছে, তাদের চোখ খোলার জন্যও তিনি আহ্বান করেন।

-কেএল


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ