শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬ ।। ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ১৯ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
নাটোরে অগ্নিকাণ্ডে মাদরাসা পুড়ে ছাই, অক্ষত কুরআনের ২৫টি কপি খুলনায় স্কুলছাত্রী গুলিবিদ্ধ দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর সাক্ষী সুখরঞ্জন বালীকে অপহরণ করেন এএসপি ফজলু: ডিবি আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির প্রতি শ্রদ্ধা জানাল সৌদি সারা দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ৪৪  জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বার্ষিকীতে সুনামগঞ্জে খেলাফত মজলিসের আলোচনা সভা ধর্মান্তরের ঝুঁকি মোকাবিলায় মক্তবব্যবস্থা জোরদারের আহ্বান জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের বগুড়ায় জমি নিয়ে সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৮ জুমার খুতবায় পাকিস্তানি স্কলার আলেমের হার্ট অ্যাটাক যোগ্য নেতৃত্ব ছাড়া সমাজ পরিবর্তন সম্ভব নয়: গাজী আতাউর রহমান

মাতৃভাষার চর্চা করলেই উইঘুরদের মৃত্যুদণ্ড!

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: নিজের মাতৃভাষা ব্যবহার করলেই এখন উইঘুর মুসলিমদের জীবন দিতে হচ্ছে। চীনের জিনজিয়াংয়ে গত ৬ এপ্রিল উইঘুর ভাষায় পাঠ্যপুস্তক প্রকাশের কারণে শিক্ষা বিভাগের সাবেক মহাপরিচালক সাত্তার সাওয়াউতের বিরুদ্ধে পিআরসির একটি আদালত দুই বছরের জন্য সাজা স্থগিত করে মৃত্যুদণ্ড করেন।

উইঘুরদের ভাষা ও সংস্কৃতি ধ্বংস করতে চীন মুসলিম শিক্ষাবিদদের গ্রেপ্তার করে, মৃত্যুদণ্ডের আদেশও দিচ্ছে। সম্প্রতি চীন কর্তৃপক্ষ আরও ৫ উইঘুর মুসলিম শিক্ষাবিদকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে। কয়েক বছর আগে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।

দণ্ডিতদের মধ্যে একজনের নাম ইয়ালকুন রোজি। তার ছেলে কামালতুর্ক ইয়ালকুন বলেন, 'এই শাস্তি বেইজিংয়ের উইঘুর সংস্কৃতিকে মুছে ফেলার প্রচেষ্টার অংশ। যেহেতু এই পাঠ্যপুস্তকগুলো উইঘুর সংস্কৃতিতে সমৃদ্ধ, তাই চীন তাদের টার্গেট করেছে। তারা উইঘুর ভাষা শিক্ষা এবং সংস্কৃতিকে পুরোপুরি নির্মূল করার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।'

অন্যদিকে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং অংশীদার দেশগুলি জিনজিয়াংয়ে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অবসান ঘটাতে চায়।মানবাধিকার গোষ্ঠীগুলো বলছে, চীন দীর্ঘদিন ধরেই উইঘুর মুসলিমদের গণহারে বন্ধী করে রাখছে, জোরপূর্বক শ্রম আদায় করছে, নারীদের বন্ধ্যা করে দিচ্ছে এবং ধর্ষণসহ নানা ধরনের নিপীড়ন চালাচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, যুক্তরাজ্য এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন এই নিপীড়ন নির্যাতনের সঙ্গে জড়িত চীনের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ