বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬ ।। ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ২৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
শতবর্ষী কাদেমি মসজিদ সরাতে চায় মোদি সরকার, বিকল্প জায়গা নিয়ে প্রশ্ন আদালতের গোলাপগঞ্জে জামিয়া ইসলামিয়া হুসাইনিয়া ইদ্রিসিয়ার সম্মেলন ৯ নভেম্বর পেছাতে পারে বিশ্ববিদ্যালয়-মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা  মহিলারা ভ্রমণকালে নামাজ কীভাবে আদায় করবেন? শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৭ নভেম্বর পালনের নির্দেশনা জারি দ্বিতীয় পদ্মা সেতুসহ তিন মেগা প্রকল্পে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ  কুরআনের খেদমত অব্যাহত রাখা ঈমানি দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি মুফতি তাকি উসমানী ও জালান্ধরীর সফরে বিশেষ প্রশিক্ষণ আয়োজনের প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে নজর কাড়ছেন মুসলিম প্রার্থীরা অনলাইন বিবাদে ইসলামেরই ক্ষতি হচ্ছে: শামসুদ্দোহা আশরাফী

মাতৃভাষার চর্চা করলেই উইঘুরদের মৃত্যুদণ্ড!

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: নিজের মাতৃভাষা ব্যবহার করলেই এখন উইঘুর মুসলিমদের জীবন দিতে হচ্ছে। চীনের জিনজিয়াংয়ে গত ৬ এপ্রিল উইঘুর ভাষায় পাঠ্যপুস্তক প্রকাশের কারণে শিক্ষা বিভাগের সাবেক মহাপরিচালক সাত্তার সাওয়াউতের বিরুদ্ধে পিআরসির একটি আদালত দুই বছরের জন্য সাজা স্থগিত করে মৃত্যুদণ্ড করেন।

উইঘুরদের ভাষা ও সংস্কৃতি ধ্বংস করতে চীন মুসলিম শিক্ষাবিদদের গ্রেপ্তার করে, মৃত্যুদণ্ডের আদেশও দিচ্ছে। সম্প্রতি চীন কর্তৃপক্ষ আরও ৫ উইঘুর মুসলিম শিক্ষাবিদকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে। কয়েক বছর আগে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।

দণ্ডিতদের মধ্যে একজনের নাম ইয়ালকুন রোজি। তার ছেলে কামালতুর্ক ইয়ালকুন বলেন, 'এই শাস্তি বেইজিংয়ের উইঘুর সংস্কৃতিকে মুছে ফেলার প্রচেষ্টার অংশ। যেহেতু এই পাঠ্যপুস্তকগুলো উইঘুর সংস্কৃতিতে সমৃদ্ধ, তাই চীন তাদের টার্গেট করেছে। তারা উইঘুর ভাষা শিক্ষা এবং সংস্কৃতিকে পুরোপুরি নির্মূল করার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।'

অন্যদিকে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং অংশীদার দেশগুলি জিনজিয়াংয়ে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অবসান ঘটাতে চায়।মানবাধিকার গোষ্ঠীগুলো বলছে, চীন দীর্ঘদিন ধরেই উইঘুর মুসলিমদের গণহারে বন্ধী করে রাখছে, জোরপূর্বক শ্রম আদায় করছে, নারীদের বন্ধ্যা করে দিচ্ছে এবং ধর্ষণসহ নানা ধরনের নিপীড়ন চালাচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, যুক্তরাজ্য এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন এই নিপীড়ন নির্যাতনের সঙ্গে জড়িত চীনের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ