বৃহস্পতিবার, ০৬ আগস্ট ২০২৬ ।। ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২৩ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
গণঅভ্যুত্থান দিবসে ইফাদাতুল উম্মাহ ফাউন্ডেশনের খতমে কুরআন ও দোয়া মাহফিল গণভোটের রায়ের আলোকে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন চায় খেলাফত মজলিস ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল সর্বস্তরের মানুষের ঐক্যবদ্ধ সংগ্রামের ফসল’ দেশব্যাপী ইসলামী আন্দোলনের জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালন শুক্রবারে বায়তুল মোকাররমে জুমার খুতবাপূর্ব বয়ান করবেন দেওবন্দের মুহতামিম ইমরান খানের মুক্তি দাবিতে বিক্ষোভ পাকিস্তানে, ব্যাপক ধরপাকড় জুলাইয়ের কাছে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে বায়তুল মোকাররমে কুরআন খতম ও বিশেষ দোয়া মাহফিল চব্বিশের জুলাই অভ্যুত্থান ও মাদরাসাপড়ুয়াদের অবিস্মরণীয় ভূমিকা হজযাত্রীদের জন্য নতুন ছাতার নকশা আহ্বান সৌদি হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়ের

এবার মাকামে ইবরাহিমের স্বচ্ছ ছবি প্রকাশ করলো সৌদি কর্তৃপক্ষ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: কিছুদিন আগে ‘হাজরে আসওয়াদ’ এর স্বচ্ছ ছবি প্রকাশ পর এবার ‘মাকামে ইব্রাহিম’ এর ছবি প্রকাশ করলো সৌদি কর্তৃপক্ষ। এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে আল আরাবিয়া।

জানা যায়,অত্যাধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে মাকামে ইব্রাহিমের বিস্তৃত ছবি তুলেছে মক্কা ও মদিনার দুই পবিত্র মসজিদের দায়িত্বে থাকা জেনারেল প্রেসিডেন্সি।

মাকামে ইব্রাহিম বলতে সেই পাথরকে বুঝানো হয় যা কাবা শরিফ নির্মাণের সময় হযরত ইসমাইল (আ.) নিয়ে এসেছিলেন, যার উপর তার পিতা হযরত ইব্রাহিম (আ.) পা রেখে কাবা ঘর নির্মাণের কাজ করেছিলেন।

ইসমাইল (আ.) পাথর এনে দিতেন, ইব্রাহিম (আ.) তার পবিত্র হাতে তা কাবার দেওয়ালে রাখতেন। ওপরে উঠার প্রয়োজন হলে পাথরটি অলৌকিকভাবে ওপরের দিকে উঠে যেত।

বর্তমানে মাকামে ইব্রাহিম পাথরটি স্বর্ণ, রূপা ও গ্লাসের ফ্রেমে আবদ্ধ করে দেয়া হয়েছে। হাজরে আসওয়াদ থেকে যার দূরত্ব মাত্র ১৪ দশমিক পাঁচ মিটার।

তাওয়াফ শেষে মাকামে ইব্রাহিমের পেছনে দুরাকাত নামাজ আদায় করতে হয় হাজিদের। জায়গা না পেলে অন্য কোথাও সেই নামাজ আদায় করা যায়।

কিছুদিন আগ ‘হাজরে আসওয়াদ’ এর স্বচ্ছ ছবি প্রকাশ করেছিলো সৌদি আরবের জেনারেল প্রেসিডেন্সি। সৌদি তথ্য মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা এক বিবৃতিতে বলেন, ৪৯ হাজার মেগাপিক্সেলের এই ছবিগুলো তুলতে ৭ ঘণ্টা সময় লেগেছে। এই সময়ের মধ্যে হাজরে আসওয়াদের এক হাজার ৫০ টি ছবি তোলা হয়েছে। ছবিগুলোর রেজুলেশন ৪৯ হাজার মেগাপিক্সেল। ছবিগুলো তোলার পর সেগুলো প্রক্রিয়াজাত করতে ৫০ ঘন্টা সময় লেগেছে।

প্রসঙ্গত, হাজরে আসওয়াদ হলো একটি কালো রঙের প্রাচীন পাথর, যা কাবা শরিফের দক্ষিণ-পূর্ব কোণে মাতাফ থেকে দেড় মিটার (চার ফুট) উঁচুতে অবস্থিত। হাজরে আসওয়াদ থেকে খানায়ে কাবা তাওয়াফ শুরু করতে হয় এবং এখানেই তাওয়াফ শেষ হয়।

আরো পড়ুন: অত্যাধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে হাজরে আসওয়াদের সবচেয়ে স্বচ্ছ ছবি প্রকাশ

হাজরে আসওয়াদকে সংরক্ষিত রাখতে চারদিক থেকে একে খাঁটি রূপায় ফ্রেমবদ্ধ করা হয়েছে এবং পাথরটি দেখতে কিছুটা ডিম্বাকৃতির।

আল আরাবিয়ার খবরে বলা হয়েছে ইতিহাসের বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা যায়, পৃথিবীতে এই পাথরটি পাঠানোর পূর্বে এর রং চকচকে সাদা ছিল। কিন্তু আল্লাহ তায়ালা পাথরটির আলোর ঝলকানি কমিয়ে দিয়েছেন।

একথা হাদিসের মাধ্যমে প্রমাণিত উল্লেখ করে আল আরাবিয়ার খবরে বলা হয়, হযরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর ইবনুল আস রাদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহু বর্ণনা করেন যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাম বলেছেন, হাজরে আসওয়াদ ও মাকামে ইবরাহিম জান্নাতের দুটি পাথর। আল্লাহ তাআলা তাদের আলোর ঝলকানি কমিয়ে দিয়েছেন। যদি আল্লাহতালা এই দুই পাথরের আলো নিয়ে না যেতেন তাহলে পূর্ব-পশ্চিম ও এর মাঝখানে যা কিছু আছে সব এর আলোতে আলোকিত হয়ে যেত।

حجر اسود کے ٹکرے سیاہ رنگ میں دیکھے جا سکتے ہیں

এনটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ