শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬ ।। ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৭ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
রাশিয়ায় আলেম ও মুসলিম নেতাদের গ্রেপ্তারে উদ্বেগ ‘রাজনৈতিক মতপার্থক্য সত্ত্বেও তাঁর সঙ্গে শ্রদ্ধা ও সৌহার্দ্য অটুট ছিল’ মোদির নীরবতা নিয়ে ক্ষোভ ওয়াইসির পাতলী খাল পুনঃখনন কাজ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী বেপরোয়া ট্রাক কেড়ে নিলো মাদরাসা ছাত্র আফফানের প্রাণ সাবেক এমপি মাওলানা ফরিদ উদ্দিন চৌধুরীর ইন্তেকাল ইউক্রেনের হামলায় ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে পুতিনের স্বীকারোক্তি চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ১৫ জনকে পুশ ইনের চেষ্টা, বিজিবির বাধা প্রাথমিকে সংগীত-নৃত্যের সিদ্ধান্ত, তাহাফফুজে দ্বীন পরিষদের দুই শীর্ষ নেতার নিন্দা কাছাকাছি ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা, খুলতে পারে হরমুজ প্রণালি

যুগের জাহিয ছিলেন মাওলানা খলিল আমিনি রহ.: মাওলানা সালমান হুসাইনি নদভি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

সাঈদ আহমাদ খান নদভী।।

আজ বিশ রমজান জোহরের পর জামিয়া সাইয়্যিদ আহমাদ শহীদে অনুষ্ঠিত দরসে তাফসীরুল কুরআন- এ হজরত মাওলানা সালমান হুসাইনি নদভি তাঁর সহকর্মী হজরত মাওলানা নুরে আলম খলিল আমিনির ইন্তেকালে শোক প্রকাশ করেন৷ মাওলানা খলিল আমিনি সম্পর্কে বলেন,

মাওলানা নুরে আলম খলিল আমিনি বয়সে আমার দু'বছর বড় ছিলেন৷ নদওয়াতে আমরা এক সাথে কাজ করেছি৷ নদওয়ায় আমরা হজরত মুফাক্কিরে ইসলাম রহ. এবং হজরত মুহাম্মাদ আল হাসানি রহ.'র কাছে আসা- যাওয়া করতাম৷ তাদের থেকে ইস্তেফাদা নিতাম৷ এ হিসেবে আমাদের নিসবত একই৷

হজরত মাওলানা খলিল আমিনি দারুল উলুম দেওবন্দে পড়লেও মাদ্রাসায় আমিনিয়ার নিসবত তাঁর প্রতি গালেব হয়ে যায়৷ তাই নামের শেষে আমিনি যুক্ত করতে থাকেন৷

আমি হজরত মুফাক্কিরে ইসলাম রহ. ও হজরত মুহাম্মাদ আল হাসানি রহ.'র পরে যার লেখা পড়তে সবচে' বেশি আগ্রহি ছিলাম, তিনি হলেন হজরত মাওলানা নুরে আলম খলিল আমিনি৷ তার সম্পাদনায় প্রকাশিত মাসিক আদ দাঈ আমার কাছে নিয়মিত পৌঁছতো৷ আমি তাঁর লেখা অত্যন্ত আগ্রহ ভরে পড়তাম৷

সৌদি সরকারের পক্ষ থেকে হিন্দুস্তানের অনেক উলামাদের হজ করানো হয়৷ ঘটনাক্রমে এক বছর হজরত মাওলানা ও আমি এক সাথেই দাওয়াত পাই৷ এবং এক সাথে হজ করার সুযোগ হয়৷

হজরত মাওলানা অত্যন্ত চমৎকার ও সহজ উসলুবে আরবি লিখে যেতেন৷ পাঠকের সুবিধার্থে তিনি বিভিন্ন কঠিন শব্দের ইরাবও লাগিয়ে দিতেন৷ এ উসলুব আমি আমার উস্তাদ হজরত শায়খ আব্দুল ফাত্তাহ আবু গুদ্দা রহ.'র কাছে পেয়েছিলাম৷ কিন্তু হজরত মাওলানা খলিল আমিনি এ উসলুব আরো বেগবান করে তুলেছেন৷

দারুল উলুম দেওবন্দে তিনি হজরত ওহীদুজ জামান কিরানভী রহ.র সোহবত প্রাপ্ত হন৷ এরপর নদওয়াতুল উলামায় এসে হজরত মুফাক্কিরে ইসলাম রহ. ও হজরত মুহাম্মাদ আল হাসানি রহ.'র সোহবতে ধন্য হন৷ এভাবে দু'প্রতিষ্ঠানের আদবি, ইলমি রঙ তাঁর মাঝে এসে জমা হয়৷ তাঁর উসলুব দেখে আমার কাছে মনে হতো, তিনি যেনো এ যুগের জাহিয!

আল্লাহর শোকর যে, নিজ হাতে তিনি কিছু ছাত্র গড়ে গেছেন৷ যারা তার এ উসলুবকে আঁকড়ে ধরে সাহিত্যের এ রঙে রঙীন করে তুলবে জ্ঞানের বাগানকে! কবরে আল্লাহ তাঁর দরোজা বুলন্দ করুন! আমীন!

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ