বৃহস্পতিবার, ০৬ আগস্ট ২০২৬ ।। ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২৩ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
গণঅভ্যুত্থান দিবসে ইফাদাতুল উম্মাহ ফাউন্ডেশনের খতমে কুরআন ও দোয়া মাহফিল গণভোটের রায়ের আলোকে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন চায় খেলাফত মজলিস ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল সর্বস্তরের মানুষের ঐক্যবদ্ধ সংগ্রামের ফসল’ দেশব্যাপী ইসলামী আন্দোলনের জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালন শুক্রবারে বায়তুল মোকাররমে জুমার খুতবাপূর্ব বয়ান করবেন দেওবন্দের মুহতামিম ইমরান খানের মুক্তি দাবিতে বিক্ষোভ পাকিস্তানে, ব্যাপক ধরপাকড় জুলাইয়ের কাছে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে বায়তুল মোকাররমে কুরআন খতম ও বিশেষ দোয়া মাহফিল চব্বিশের জুলাই অভ্যুত্থান ও মাদরাসাপড়ুয়াদের অবিস্মরণীয় ভূমিকা হজযাত্রীদের জন্য নতুন ছাতার নকশা আহ্বান সৌদি হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়ের

যুগের জাহিয ছিলেন মাওলানা খলিল আমিনি রহ.: মাওলানা সালমান হুসাইনি নদভি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

সাঈদ আহমাদ খান নদভী।।

আজ বিশ রমজান জোহরের পর জামিয়া সাইয়্যিদ আহমাদ শহীদে অনুষ্ঠিত দরসে তাফসীরুল কুরআন- এ হজরত মাওলানা সালমান হুসাইনি নদভি তাঁর সহকর্মী হজরত মাওলানা নুরে আলম খলিল আমিনির ইন্তেকালে শোক প্রকাশ করেন৷ মাওলানা খলিল আমিনি সম্পর্কে বলেন,

মাওলানা নুরে আলম খলিল আমিনি বয়সে আমার দু'বছর বড় ছিলেন৷ নদওয়াতে আমরা এক সাথে কাজ করেছি৷ নদওয়ায় আমরা হজরত মুফাক্কিরে ইসলাম রহ. এবং হজরত মুহাম্মাদ আল হাসানি রহ.'র কাছে আসা- যাওয়া করতাম৷ তাদের থেকে ইস্তেফাদা নিতাম৷ এ হিসেবে আমাদের নিসবত একই৷

হজরত মাওলানা খলিল আমিনি দারুল উলুম দেওবন্দে পড়লেও মাদ্রাসায় আমিনিয়ার নিসবত তাঁর প্রতি গালেব হয়ে যায়৷ তাই নামের শেষে আমিনি যুক্ত করতে থাকেন৷

আমি হজরত মুফাক্কিরে ইসলাম রহ. ও হজরত মুহাম্মাদ আল হাসানি রহ.'র পরে যার লেখা পড়তে সবচে' বেশি আগ্রহি ছিলাম, তিনি হলেন হজরত মাওলানা নুরে আলম খলিল আমিনি৷ তার সম্পাদনায় প্রকাশিত মাসিক আদ দাঈ আমার কাছে নিয়মিত পৌঁছতো৷ আমি তাঁর লেখা অত্যন্ত আগ্রহ ভরে পড়তাম৷

সৌদি সরকারের পক্ষ থেকে হিন্দুস্তানের অনেক উলামাদের হজ করানো হয়৷ ঘটনাক্রমে এক বছর হজরত মাওলানা ও আমি এক সাথেই দাওয়াত পাই৷ এবং এক সাথে হজ করার সুযোগ হয়৷

হজরত মাওলানা অত্যন্ত চমৎকার ও সহজ উসলুবে আরবি লিখে যেতেন৷ পাঠকের সুবিধার্থে তিনি বিভিন্ন কঠিন শব্দের ইরাবও লাগিয়ে দিতেন৷ এ উসলুব আমি আমার উস্তাদ হজরত শায়খ আব্দুল ফাত্তাহ আবু গুদ্দা রহ.'র কাছে পেয়েছিলাম৷ কিন্তু হজরত মাওলানা খলিল আমিনি এ উসলুব আরো বেগবান করে তুলেছেন৷

দারুল উলুম দেওবন্দে তিনি হজরত ওহীদুজ জামান কিরানভী রহ.র সোহবত প্রাপ্ত হন৷ এরপর নদওয়াতুল উলামায় এসে হজরত মুফাক্কিরে ইসলাম রহ. ও হজরত মুহাম্মাদ আল হাসানি রহ.'র সোহবতে ধন্য হন৷ এভাবে দু'প্রতিষ্ঠানের আদবি, ইলমি রঙ তাঁর মাঝে এসে জমা হয়৷ তাঁর উসলুব দেখে আমার কাছে মনে হতো, তিনি যেনো এ যুগের জাহিয!

আল্লাহর শোকর যে, নিজ হাতে তিনি কিছু ছাত্র গড়ে গেছেন৷ যারা তার এ উসলুবকে আঁকড়ে ধরে সাহিত্যের এ রঙে রঙীন করে তুলবে জ্ঞানের বাগানকে! কবরে আল্লাহ তাঁর দরোজা বুলন্দ করুন! আমীন!

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ