আবদুল্লাহ তামিম।। মানুষকে রমজানে শান্তিপূর্ণভাবে রোজা রাখার সুযোগ দিতে হবে। মাহে রমজানে কওমি মাদরাসাগুলো খোলা রাখতে হবে। লকডাউন দিয়ে কওমি মাদরাসা বন্ধ করা যাবে না। কওমি মাদরাসা না থাকলে বাংলাদেশ স্পেন হয়ে যাবে। তাই মাদরাসা বন্ধ করা যাবে না।
আজ রোববার (১১ এপ্রিল) বিকাল ৪টায় চট্টগ্রামের দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম হাটহাজারী মাদ্রাসায় হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে এক জরুরি ব্রিফিংয়ে আমিরে হেফাজত এসব কথা বলেন।
জরুরি এ প্রেসব্রিফিংয়ে সংগঠনের আমির ও হাটহাজারী মাদ্রাসার শিক্ষা পরিচালক আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী বলেন, আমাদের আজকের বৈঠক থেকে সিদ্ধান্ত হলো, গত ২৬ মার্চ হেফাজতে ইসলামের কোনো কর্মসূচী ছিলো না। আমি মাদরাসায় ছিলাম না। অনেক দূরে ছিলাম। কিছু মানুষ মিছিল বের করেছে। তারা বলছে আমরা শান্তিপূর্ণ মিছিল বের করেছি। কিন্তু পুলিশবাহিনী তাদের উপর আক্রমণ করে। আহত ও নিহত করে। আমি জানি না তারা কে ছিলো। পুলিশ গুলি করেছে তাদের বুকে। পুলিশের দরকার ছিলো উত্তেচজনা কমাতে হাঁটুর নিচে গুলি করবে। আগুন জ্বলে ওঠলে আগুন নিভাতে হয়। কিন্তু পুলিশ আগুন বাড়িয়ে দিলো। এগুলো কোন আইনে আছে।
তিনি হেফজতের কর্মসূচী বিষয়ে বলেন, সারাদেশে হেফাজতে ইসলামের নেতাকর্মীদের নানানভাবে হয়রানি করা হচ্ছে। হামলা মামলা দিচ্ছে। অবিলম্বে এসব হামলা মামলা বন্ধ করতে হবে। হয়রানি বন্ধ করতে হবে। করোনার কারণে কওমি মাদরাসা বন্ধ করা যাবে না। সরকারের কাছে আমাদের দাবি হলো, যারা শহিদ হয়েছে তাদের সু-নসিব। তাদের বিষয়ে আর বাড়াবাড়ি না করে পুলিশ র্যাব প্রতিদিন নিরহ মানুষকে হয়রানি করছে। এটা আমরা মানি না। এটা বন্ধ করতে হবে। রমজানে সারাদেশের মসজিদগুলো বন্ধ করা যাবে না। রমজানে তারাবি চলবে। ইতিকাফ চলবে। তাফসির দোয়া ইত্যাদী চললে আল্লাহর রহমত বর্ষিত হবে। মানুষকে রমজানে শান্তিপূর্ণভাবে রোজা রাখার সুযোগ দিতে হবে। মাহে রমজানে কওমি মাদরাসাগুলো খোলা রাখতে হবে। লকডাউন দিয়ে কওমি মাদরাসা বন্ধ করা যাবে না। কওমি মাদরাসা না থাকলে বাংলাদেশ স্পেন হয়ে যাবে। তাই মাদরাসা বন্ধ করা যাবে না।
তিনি বলেন, হেফাজত নেতাকর্মীদের উপর করা মিথ্যা মামলা অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে। কোনো ধরণের হয়রানি করা যাবে না।
তিনি আরো বলেন, হেফাজতে ইসলাম আগামী ২৯ মে হাটহাজারীতে জাতীয় উলামা মাশায়েখ সম্মà§