বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ৩০ পৌষ ১৪৩২ ।। ২৬ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম :
‘ক্ষমতায় গেলে শরিয়া আইন বাস্তবায়ন করবেন না বলে জানিয়েছেন জামায়াত আমির’ ভুল সংবাদের ভিত্তিতে ইসি শোকজ করেছে: মাওলানা মামুনুল হক এলপিজি গ্যাসের সংকট মোকাবেলায় সরকারের বড় পদক্ষেপ  ইসিতে শুনানির পঞ্চম দিনে আরও ৭৩ প্রার্থীর আপিল মঞ্জুর বিজিবিতে নিয়োগ পেয়ে যা বললেন ফেলানীর ছোট ভাই ইসলামী আন্দোলনের আমীর সংবাদ সম্মেলন স্থগিত করতে কাউকে অনুরোধ করেন নাই কুষ্টিয়ায় শীতার্তদের দ্বারে দ্বারে ‘রেডিয়েন্ট সার্কেল’ বাড্ডায় নাহিদ ইসলামের নির্বাচনী অফিসে গুলি লুণ্ঠিত অস্ত্র উদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় নির্বাচন স্থগিত চেয়ে রিট জামিয়া ইসলামিয়া হোসাইনিয়ায় তাকমীল জামাতের সমাপনী দরস অনুষ্ঠিত

মসজিদের জেনারেটরে জ্বালানী ভরার সময় অগ্নিদগ্ধ হয়ে খাদেমের মৃত্যু

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: নরসিংদীতে মসজিদের জেনারেটরে জ্বালানী ভরার সময় অগ্নিদগ্ধ হওয়ার ৬ দিন পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মো. বাদল মিয়া (৪০) নামে মসজিদের এক খাদেমের মৃত্যু হয়েছে।

শুক্রবার সকাল ৮টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজের শেখ হাসিনা বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। রোববার (৪ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে নরসিংদী সদর উপজেলার চিনিশপুরের সংগীতা এলাকার ওই মসজিদে জেনারেটরে জ্বালানী ভরার সময় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় দগ্ধ হয়েছিলেন তিনি। অগ্নিকাণ্ডে তার পিঠসহ শরীরের বিভিন্ন অংশে প্রায় ৭০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল বলে জানান তার পরিবারের লোকজন।

মো. বাদল মিয়া নরসিংদী সদর উপজেলার চিনিশপুর ইউনিয়নের সংগীতা এলাকার মৃত মো. হিরণ মিয়ার ছেলে। বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ঘুরে তিনি কবিরাজি করতেন। পাশাপাশি তার নিজ এলাকার বাইতুল ইসলাম নামের ওই জামে মসজিদটির খাদেম ছিলেন।

স্থানীয় লোকজন ও নিহত ব্যক্তির স্বজনরা জানান, ঘটনার দিন সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে চিনিশপুর ইউনিয়নের ঘোড়াদিয়া এলাকার কয়েকটি দোকানে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। স্থানীয় ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা গিয়ে ওই আগুন নেভানোর সময় পুরো এলাকাটির বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে দেয়। ঘটনাস্থল থেকে প্রায় দেড় কিলোমিটার দূরে সংগীতার ওই মসজিদটির অবস্থান।

স্থানীয় মুসল্লিরা এশার নামাজ পড়তে যখন ওই মসজিদে আসতে শুরু করেন তখনও বিদ্যুত সরবরাহ বন্ধ ছিল। এসময় মসজিদটির খাদেম মো. বাদল মিয়া এক হাতে মোমবাতি নিয়ে অন্য হাতে জেনারেটরে ডিজেল ভরছিলেন। ওই সময় অসতর্কতাবশত মোমবাতির আগুন ওই ডিজেলে লেগে গেলে অগ্নিদগ্ধ হোন মো. বাদল মিয়া।

উপস্থিত লোকজন দ্রুত তাকে নরসিংদী সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানকার জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে রাজধানীর ঢাকা মেডিকেল কলেজের শেখ হাসিনা বার্ন ইউনিটে পাঠান। সেখানেই ৬ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর আজ শুক্রবার সকাল ৮টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

নিহতের ছোটভাই শাহাদাৎ মিয়া জানান, বার্ন ইউনিটের চিকিৎসকরা আমাদের জানিয়েছিলেন ওই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় তার শরীরের প্রায় ৭০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ধীরে ধীরে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হচ্ছিল। একবার ব্লিডিং হওয়ার পর থেকেই শরীরে পানির পরিমাণ কমতে শুরু করেছিল। আজ সকাল ৮টার দিকে তিনি মারা যাওয়ার পর সব আনুষ্ঠানিকতা শেষে দুপুরে তার লাশ বাড়িতে আনা হয়। স্থানীয় গাবতলী মাদরাসায় জানাজা নামাজ শেষে বাদ আসর তার লাশ দাফন করা হয়।

এমডব্লিউ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ