মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ৪ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘আল্লাহর আইনের বিরুদ্ধে আইন করার এখতিয়ার কারো নেই’ ঢাকা-রংপুর লংমার্চ সফল করার আহ্বান বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নারায়ণগঞ্জে হেফাজতে ইসলামের জেলা ও মহানগর পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা সৌদির কিং খালিদ বিমান ঘাঁটিতে হুতিদের ভয়াবহ হামলা  শিল্পে গ্যাসের সরবরাহ দেড় মাস আগের অবস্থায় ফিরবে কাল থেকে: প্রধানমন্ত্রী ‘আদালতের রায়ের প্রতিবাদে হরতাল-ধর্মঘট নিষিদ্ধ জুলাই চেতনার পরিপন্থী’ ব্রিটিশ বাংলাদেশি মুসলিমদের প্রশংসা দ্য ইকোনমিস্টের ডেঙ্গুতে একদিনে ৮ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১ হাজর ৭৩৩ ‘জনগণের অর্থে নির্মিত রাস্তা কেটে জনভোগান্তি সৃষ্টি করতে দেওয়া হবে না’  ‘মুমিনের অন্তরে নবীজির জীবনাদর্শের চেতনা সবসময় জাগ্রত রাখতে হবে’

এবার বারাণসীতে মসজিদের নিচে মন্দিরের চিহ্ন খোঁজার নির্দেশ ভারতীয় আদালতের

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: ভারতের বারাণসীতে মুঘল আমলে নির্মিত জ্ঞানবাপি মসজিদের নিচে হিন্দু মন্দিরের চিহ্ন রয়েছে কিনা তা খুঁজতে নির্দেশ দিয়েছেন স্থানীয় একটি আদালত। মসজিদটি বিখ্যাত কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরের পাশেই অবস্থিত।

হিন্দু ধর্মানুসারীদের দাবি, ১৬৬৪ সালে মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেব প্রাচীন মন্দিরটি ভেঙে সেখানে মসজিদ নির্মাণ করেন। এ নিয়ে ১৯৯১ সালে আদালতে একটি পিটিশন দায়ের হয়েছিল।

প্রায় তিন দশকের পুরোনো সেই পিটিশনের শুনানিতে বৃহস্পতিবার বারাণসী আদালত ভারতের প্রত্নতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থাকে (এএসআই) মসজিদটি মন্দিরের জায়গায় বানানো কিনা তা অনুসন্ধানের নির্দেশ দিয়েছেন।

বিষয়টি তদন্তের জন্য এএসআইয়ের মহাপরিচালককে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি করতে বলা হয়েছে, যার মধ্যে দুজন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সদস্য থাকতে হবে। কমিটির কার্যক্রম পর্যবেক্ষণের জন্য প্রসিদ্ধ কাউকে নিয়োগ দেয়ারও নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

আদালতের নির্দেশে বলা হয়েছে, এই প্রত্নতাত্ত্বিক জরিপের মূল উদ্দেশ্য হবে ‘বিতর্কিত স্থানে’ বর্তমানে যে ধর্মীয় অবকাঠামো দাঁড়িয়ে রয়েছে, তাতে অন্য কোনও ধর্মীয় স্থাপনার যেকোনও ধরনের পরিবর্তন, সংযোজন বা রূপান্তরের চিহ্ন রয়েছে কিনা তা খুঁজে বের করা। অর্থাৎ, মসজিদের ওই জায়গায় কখনো হিন্দু মন্দির ছিল কিনা, সেটাই অনুসন্ধান করবে কমিটি।

তবে এধরনের জরিপের নির্দেশনা বাতিলের দাবি জানিয়েছেন অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল বোর্ডের সদস্য আর শামসাদ। তার মতে, ১৯৯১ সালে প্রণীত একটি আইন বিবেচনায় আবেদনটি বাতিল করা উচিত।

তিনি বলেন, এই মামলা খারিজ করার জন্য একটি আবেদন করা হয়েছিল, যার ভিত্তিতে জেলা আদালত আদেশ জারি করেছে। মামলাটির শুনানি করা যায় কিনা তার পুরো বিষয়টি এলাহাবাদ হাইকোর্টে বিচারাধীন। এই পটভূমিতে মনে হয় না এধরনের আদেশের কোনও যৌক্তিকতা রয়েছে। এটি মোটেও উচিত হয়নি।

সূত্র: এনডিটিভি

এনটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ