বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ৩০ পৌষ ১৪৩২ ।। ২৬ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম :
‘ক্ষমতায় গেলে শরিয়া আইন বাস্তবায়ন করবেন না বলে জানিয়েছেন জামায়াত আমির’ ভুল সংবাদের ভিত্তিতে ইসি শোকজ করেছে: মাওলানা মামুনুল হক এলপিজি গ্যাসের সংকট মোকাবেলায় সরকারের বড় পদক্ষেপ  ইসিতে শুনানির পঞ্চম দিনে আরও ৭৩ প্রার্থীর আপিল মঞ্জুর বিজিবিতে নিয়োগ পেয়ে যা বললেন ফেলানীর ছোট ভাই ইসলামী আন্দোলনের আমীর সংবাদ সম্মেলন স্থগিত করতে কাউকে অনুরোধ করেন নাই কুষ্টিয়ায় শীতার্তদের দ্বারে দ্বারে ‘রেডিয়েন্ট সার্কেল’ বাড্ডায় নাহিদ ইসলামের নির্বাচনী অফিসে গুলি লুণ্ঠিত অস্ত্র উদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় নির্বাচন স্থগিত চেয়ে রিট জামিয়া ইসলামিয়া হোসাইনিয়ায় তাকমীল জামাতের সমাপনী দরস অনুষ্ঠিত

এবার বারাণসীতে মসজিদের নিচে মন্দিরের চিহ্ন খোঁজার নির্দেশ ভারতীয় আদালতের

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: ভারতের বারাণসীতে মুঘল আমলে নির্মিত জ্ঞানবাপি মসজিদের নিচে হিন্দু মন্দিরের চিহ্ন রয়েছে কিনা তা খুঁজতে নির্দেশ দিয়েছেন স্থানীয় একটি আদালত। মসজিদটি বিখ্যাত কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরের পাশেই অবস্থিত।

হিন্দু ধর্মানুসারীদের দাবি, ১৬৬৪ সালে মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেব প্রাচীন মন্দিরটি ভেঙে সেখানে মসজিদ নির্মাণ করেন। এ নিয়ে ১৯৯১ সালে আদালতে একটি পিটিশন দায়ের হয়েছিল।

প্রায় তিন দশকের পুরোনো সেই পিটিশনের শুনানিতে বৃহস্পতিবার বারাণসী আদালত ভারতের প্রত্নতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থাকে (এএসআই) মসজিদটি মন্দিরের জায়গায় বানানো কিনা তা অনুসন্ধানের নির্দেশ দিয়েছেন।

বিষয়টি তদন্তের জন্য এএসআইয়ের মহাপরিচালককে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি করতে বলা হয়েছে, যার মধ্যে দুজন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সদস্য থাকতে হবে। কমিটির কার্যক্রম পর্যবেক্ষণের জন্য প্রসিদ্ধ কাউকে নিয়োগ দেয়ারও নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

আদালতের নির্দেশে বলা হয়েছে, এই প্রত্নতাত্ত্বিক জরিপের মূল উদ্দেশ্য হবে ‘বিতর্কিত স্থানে’ বর্তমানে যে ধর্মীয় অবকাঠামো দাঁড়িয়ে রয়েছে, তাতে অন্য কোনও ধর্মীয় স্থাপনার যেকোনও ধরনের পরিবর্তন, সংযোজন বা রূপান্তরের চিহ্ন রয়েছে কিনা তা খুঁজে বের করা। অর্থাৎ, মসজিদের ওই জায়গায় কখনো হিন্দু মন্দির ছিল কিনা, সেটাই অনুসন্ধান করবে কমিটি।

তবে এধরনের জরিপের নির্দেশনা বাতিলের দাবি জানিয়েছেন অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল বোর্ডের সদস্য আর শামসাদ। তার মতে, ১৯৯১ সালে প্রণীত একটি আইন বিবেচনায় আবেদনটি বাতিল করা উচিত।

তিনি বলেন, এই মামলা খারিজ করার জন্য একটি আবেদন করা হয়েছিল, যার ভিত্তিতে জেলা আদালত আদেশ জারি করেছে। মামলাটির শুনানি করা যায় কিনা তার পুরো বিষয়টি এলাহাবাদ হাইকোর্টে বিচারাধীন। এই পটভূমিতে মনে হয় না এধরনের আদেশের কোনও যৌক্তিকতা রয়েছে। এটি মোটেও উচিত হয়নি।

সূত্র: এনডিটিভি

এনটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ