বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ৩০ পৌষ ১৪৩২ ।। ২৬ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম :
‘ক্ষমতায় গেলে শরিয়া আইন বাস্তবায়ন করবেন না বলে জানিয়েছেন জামায়াত আমির’ ভুল সংবাদের ভিত্তিতে ইসি শোকজ করেছে: মাওলানা মামুনুল হক এলপিজি গ্যাসের সংকট মোকাবেলায় সরকারের বড় পদক্ষেপ  ইসিতে শুনানির পঞ্চম দিনে আরও ৭৩ প্রার্থীর আপিল মঞ্জুর বিজিবিতে নিয়োগ পেয়ে যা বললেন ফেলানীর ছোট ভাই ইসলামী আন্দোলনের আমীর সংবাদ সম্মেলন স্থগিত করতে কাউকে অনুরোধ করেন নাই কুষ্টিয়ায় শীতার্তদের দ্বারে দ্বারে ‘রেডিয়েন্ট সার্কেল’ বাড্ডায় নাহিদ ইসলামের নির্বাচনী অফিসে গুলি লুণ্ঠিত অস্ত্র উদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় নির্বাচন স্থগিত চেয়ে রিট জামিয়া ইসলামিয়া হোসাইনিয়ায় তাকমীল জামাতের সমাপনী দরস অনুষ্ঠিত

কাদের মির্জার 'নেতৃত্বে' হোটেল ভাংচুরের অভিযোগ, মালিকসহ আহত ৬

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: সেতুমন্ত্রীর ভাগিনাসহ প্রতিপক্ষ বাদল অনুসারীর নেতাকর্মীদের নাস্তা খাওয়ানোর অপরাধে মেয়র আবদুল কাদের মির্জার নেতৃত্বে আজমিরী হোটেল নামে বসুরহাটের একটি খাওয়ার দোকানে হামলা চালিয়ে ভাংচুর করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

শনিবার রাত পৌনে ৯টায় নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের বসুরহাট বাজারে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় মেয়র হোটেল মালিকের ২০ হাজার টাকা জরিমানাও ঘোষণা করেন; যা আগামীকাল রোববার সকালের মধ্যে ব্যাংকে জমা দেয়ার নির্দেশ দেন।

হামলায় আহত হোটেল মালিক ও বসুরহাট ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সাবেক সহ-সভাপতি মো. জসিম উদ্দিনকে কোম্পানীগঞ্জ থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। আরও ৫ জনকে বসুরহাট সেন্ট্রাল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

বাজারের ব্যবসায়ীরা জানান, সন্ধ্যা ৭টার দিকে মেয়রের ভাগিনা ফখরুল ইসলাম রাহাতের নেতৃত্বে ৩০-৩৫ জন নাস্তা খেতে ওই হোটেলে আসেন। খবর পেয়ে একদল অনুসারী নিয়ে হোটেলের সামনে গিয়ে হরতালবিরোধী বক্তব্য দেন কাদের মির্জা।

এর কিছুক্ষণ পর বসুরহাট পৌরসভার মেয়র কাদের মির্জার নেতৃত্বে হোটেলে গিয়ে তাদের দোকানের সাইনবোর্ডের বর্ধিত অংশ ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেন এবং নগদ ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। এ সময় তর্কাতর্কি করায় কাদের মির্জার লোকজন হোটেলে হামলা চালিয়ে মালিকসহ কর্মচারীদের মারধর করা হয়।

পরে পৌরসভা থেকে এক্সকেভেটর গাড়িসহ ৪০-৫০ জন লোক পাঠিয়ে হোটেলের সামনের অংশ ভেঙে গুঁড়িয়ে দেয়া হয়।

বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি মীর জাহেদুল হক রনি। তিনি বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে ভাংচুরের সত্যতা দেখেছে। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

মেয়র আবদুল কাদের মির্জা বলেন, হোটেলের বর্ধিতাংশ ভেঙে ফেলতে ১০ দিন আগে বলা হয়েছিল। কিন্তু হোটেল মালিক সেই নির্দেশ না মানায় পৌরসভার পক্ষ থেকে তা ভেঙে দেয়া হয়েছে।

অন্যদিকে ভাগিনা ফখরুল ইসলাম রাহাত বলেন, এ নগ্ন হামলা মেয়র আবদুল কাদের মির্জার অপরাজনীতির আরেকটি উজ্জ্বল উদাহরণ। রাহাত দাবি করেন, পৌরসভার মেয়র হয়ে ব্যবসায়ীর জরিমানা করার কোনো এখতিয়ার তার নেই।

খবর পেয়ে এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান বাদল।

এনটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ