শুক্রবার, ০৭ আগস্ট ২০২৬ ।। ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২৪ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
থাইল্যান্ডে স্কুলছাত্রের গুলিতে প্রাণ গেল শিক্ষকের, আহত ১০ গফরগাঁওয়ে ঢাকাগামী জামালপুর কমিউটারের ৫ বগি লাইনচ্যুত, ট্রেন চলাচল বন্ধ ‘কুরআন-সুন্নাহ রক্ষায় কওমি মাদরাসা শিক্ষার বিকল্প নেই’ ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ধরে রাখতে দরকার ফ্যাসিবাদবিরোধী শক্তির ঐক্য’ বাদশাহ সালমানের দাওয়াতে ওমরাহ পালনে ২৩ দেশের ২৫০ অতিথি সৌদিতে ৫৬ বছরের ইমামকে ওমরাহয় পাঠালেন গ্রামবাসী আজ বায়তুল মোকাররমে জুমার আগে বয়ান করবেন দেওবন্দের মুহতামিম মুফতি ওমর ফারুক সন্দ্বীপীকে দেখতে হাসপাতালে গেলেন পীর সাহেব চরমোনাই যশোরের মহাসম্মেলনে আকাবিরে দেওবন্দের আদর্শ সংরক্ষণের আহ্বান ‘ইমাম-খতিব ও আলেম-ওলামারাই ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনের মূল শক্তি’

৩৯ মুক্তিযোদ্ধা কর্মকর্তাকে পদোন্নতি দিতে রায় প্রকাশ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: স্বাধীনতার পর প্রথম বিসিএসের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নিয়োগ দেওয়া ৩৯ মুক্তিযোদ্ধা কর্মকর্তাকে প্রাপ্যতা অনুযায়ী ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি দিতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়ে রায় প্রকাশ করেছেন হাইকোর্ট। বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের স্বাক্ষরের পর এ রায় প্রকাশ করা হয়।

আজ রোববার রিটকারীদের আইনজীবী রেজা-ই-রাব্বী রায় প্রকাশের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গত বছরের ১ নভেম্বর স্বাধীনতার পর প্রথম বিসিএসের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর নিয়োগ দেওয়া ৩৯ মুক্তিযোদ্ধা কর্মকর্তাকে প্রাপ্যতা অনুযায়ী ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি দিতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। ৩৯ কর্মকর্তা বর্তমানে অবসরে রয়েছেন। তাদের করা তিনটি রিটের শুনানি শেষে বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের হাইকোর্ট বেঞ্চ সে সময় এ রায় দেন।

ওইদিন রায়ের পরে আইনজীবী রেজা-ই-রাব্বী সাংবাদিকদের বলেন, এই ৩৯ মুক্তিযোদ্ধাকে নিয়োগ দিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু। ১৯৯৮ সালে তাদের পদোন্নতির জন্য একটি নীতিমালা করা হয়। এ নীতিমালার আলোকে পদোন্নতি পেয়ে তাদের কেউ কেউ যুগ্ম সচিব পর্যন্ত হয়েছিলেন। এর মধ্যে ২০০২ সালে নতুন একটি বিধিমালা প্রণয়ন করা হয়। এটি করাই হয়েছিল মুক্তিযোদ্ধাদের বাদ দেওয়ার জন্য।

এর মধ্যে ২০১১ সালে এ সংক্রান্ত অন্য একটি মামলা আপিল বিভাগ পর্যন্ত যায়। সে মামলার রায়ে আপিল বিভাগ বলে দিয়েছিলেন ২০০২ সালের বিধিমালা মুক্তিযোদ্ধাদের ক্ষেত্রে কার্যকর হবে না। আর ২০০২ সালের বিধিমালা অনুযায়ী যাদের পদোন্নতি বঞ্চিত করে কনিষ্ঠদের পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে, সেসব কনিষ্ঠদের পদোন্নতি পাওয়ার তারিখ থেকে বঞ্চিতরা প্রাপ্যতা অনুযায়ী ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি পাবেন।

এরপর ২০১৩ সালে বঞ্চিত ওই ৩৯ কর্মকর্তা ২০০২ সালের বিধিমালা চ্যালেঞ্জ করে পৃথক তিনটি রিট করেন। প্রাথমিক শুনানি নিয়ে একই বছরের ১২ নভেম্বর রুল জারি করেন হাইকোর্ট। শুনানি শেষে আজ সে রুল যথাযথ ঘোষণা করেন হাইকোর্ট। রেজা-ই-রাব্বী খন্দকার বলেন, পদোন্নতি বঞ্চিত না হলে এই ৩৯ জনের মধ্যে ৩৭ জন সচিব, একজন অতিরিক্ত সচিব ও একজন যুগ্ম সচিব হতেন।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ